সারাদেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বিদ্যমান শিক্ষক সংকট নিরসন ও পাঠদান প্রক্রিয়া গতিশীল করতে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এখন থেকে অভিজ্ঞ ও শারীরিকভাবে সক্ষম অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের পুনরায় শ্রেণিকক্ষে ফিরিয়ে আনা হবে।
মূলত
শিক্ষক নিয়োগের দীর্ঘসূত্রতা কাটিয়ে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা সচল রাখতেই এই
সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। রবিবার
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা
বিভাগ থেকে জারি করা
এক চিঠিতে এই নির্দেশনা দেওয়া
হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের
সিনিয়র সহকারী সচিব শিরীন আক্তার
স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে বলা
হয়েছে, বর্তমানে এনটিআরসিএ-এর মাধ্যমে শিক্ষক
নিয়োগে বিলম্ব হওয়ায় অনেক প্রতিষ্ঠানেই পাঠদান
ব্যাহত হচ্ছে। এই সমস্যা সমাধানে
অভিজ্ঞ ও সক্ষম শিক্ষকদের
সমন্বয়ে প্রতিটি উপজেলায় একটি ‘অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক পুল’ গঠন করা
হবে। জেলা প্রশাসকদের এই
তালিকা তৈরির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করা
হয়েছে।
চিঠিতে
স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়, শ্রেণিকক্ষে
মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট ম্যানেজিং
কমিটি বা গভর্নিং বডি
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) পরামর্শক্রমে এই পুল থেকে
সাময়িকভাবে শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারবে।
এই বিশেষ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় শিক্ষকদের সম্মানি প্রদানের বিষয়েও দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সম্মানি বা আনুষঙ্গিক ব্যয়
সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিজস্ব তহবিলের অত্যাবশ্যকীয় খাত থেকে নির্বাহ
করতে হবে। এ বিষয়ে
প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে মাধ্যমিক ও
উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের
পক্ষ থেকে আরও জানানো
হয়েছে, শ্রেণিকক্ষে পাঠদান কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা এবং গুণগত
ও মানসম্পন্ন শিক্ষাদানের উদ্দেশ্যে অভিজ্ঞ এবং শারীরিকভাবে সক্ষম
অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সমন্বয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পরামর্শ মোতাবেক সংশ্লিষ্ট ম্যানেজিং কমিটি, গভর্নিং বডি অথবা অ্যাডহক
কমিটির অনুমোদনক্রমে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক পুল গঠনের বিষয়ে
নির্দেশ প্রদান করা হলো।
এর ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের
স্কুলগুলোতে যে শিক্ষক শূন্যতা
রয়েছে, তা দ্রুত কাটিয়ে
ওঠা সম্ভব হবে বলে আশা
করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। সংশ্লিষ্ট উপজেলার ইউএনও’র পরামর্শ অনুযায়ি সাময়িকভাবে ওই পুল থেকে
শিক্ষক নিয়োগ করে শিক্ষা কার্যক্রম
পরিচালনা করার ওপর গুরুত্বারোপ
করেছে মন্ত্রণালয়।

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬
সারাদেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বিদ্যমান শিক্ষক সংকট নিরসন ও পাঠদান প্রক্রিয়া গতিশীল করতে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এখন থেকে অভিজ্ঞ ও শারীরিকভাবে সক্ষম অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের পুনরায় শ্রেণিকক্ষে ফিরিয়ে আনা হবে।
মূলত
শিক্ষক নিয়োগের দীর্ঘসূত্রতা কাটিয়ে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা সচল রাখতেই এই
সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। রবিবার
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা
বিভাগ থেকে জারি করা
এক চিঠিতে এই নির্দেশনা দেওয়া
হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের
সিনিয়র সহকারী সচিব শিরীন আক্তার
স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে বলা
হয়েছে, বর্তমানে এনটিআরসিএ-এর মাধ্যমে শিক্ষক
নিয়োগে বিলম্ব হওয়ায় অনেক প্রতিষ্ঠানেই পাঠদান
ব্যাহত হচ্ছে। এই সমস্যা সমাধানে
অভিজ্ঞ ও সক্ষম শিক্ষকদের
সমন্বয়ে প্রতিটি উপজেলায় একটি ‘অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক পুল’ গঠন করা
হবে। জেলা প্রশাসকদের এই
তালিকা তৈরির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করা
হয়েছে।
চিঠিতে
স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়, শ্রেণিকক্ষে
মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট ম্যানেজিং
কমিটি বা গভর্নিং বডি
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) পরামর্শক্রমে এই পুল থেকে
সাময়িকভাবে শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারবে।
এই বিশেষ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় শিক্ষকদের সম্মানি প্রদানের বিষয়েও দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সম্মানি বা আনুষঙ্গিক ব্যয়
সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিজস্ব তহবিলের অত্যাবশ্যকীয় খাত থেকে নির্বাহ
করতে হবে। এ বিষয়ে
প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে মাধ্যমিক ও
উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের
পক্ষ থেকে আরও জানানো
হয়েছে, শ্রেণিকক্ষে পাঠদান কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা এবং গুণগত
ও মানসম্পন্ন শিক্ষাদানের উদ্দেশ্যে অভিজ্ঞ এবং শারীরিকভাবে সক্ষম
অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সমন্বয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পরামর্শ মোতাবেক সংশ্লিষ্ট ম্যানেজিং কমিটি, গভর্নিং বডি অথবা অ্যাডহক
কমিটির অনুমোদনক্রমে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক পুল গঠনের বিষয়ে
নির্দেশ প্রদান করা হলো।
এর ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের
স্কুলগুলোতে যে শিক্ষক শূন্যতা
রয়েছে, তা দ্রুত কাটিয়ে
ওঠা সম্ভব হবে বলে আশা
করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। সংশ্লিষ্ট উপজেলার ইউএনও’র পরামর্শ অনুযায়ি সাময়িকভাবে ওই পুল থেকে
শিক্ষক নিয়োগ করে শিক্ষা কার্যক্রম
পরিচালনা করার ওপর গুরুত্বারোপ
করেছে মন্ত্রণালয়।

আপনার মতামত লিখুন