বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সোমবার
গণমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে তিনি
নতুন বছরকে বরণ করে নিতে
দেশবাসীর প্রতি সংহতি ও নতুন উদ্দীপনার
আহ্বান জানান। নববর্ষের প্রথম প্রহরে দলের সমর্থক, শুভানুধ্যায়ীসহ
সর্বস্তরের মানুষের সুখ ও সমৃদ্ধি
কামনা করেন তিনি।
মির্জা
ফখরুল বলেন, পহেলা বৈশাখ বাংলা সনের প্রথম দিন,
যা বাংলাদেশিদের সমগ্র সত্তাকে ধারণ করে। বৈশাখের
উষালগ্ন থেকেই এ উৎসব মানুষের
মনে শান্তি ও আনন্দের আবহ
তৈরি করে।
তিনি
উল্লেখ করেন, বাংলা নববর্ষ জাতীয় জীবনের এক আলোকিত ও
আনন্দময় উৎসব, যেখানে বৈরিতা ও দ্বন্দ্বের পরিবর্তে
সবার হৃদয়ে প্রাণ-প্রাচুর্য্য সঞ্চারিত হওয়া উচিত। বিএনপি
মহাসচিবের মতে, নববর্ষ কেবল
ক্যালেন্ডারের পাতা পরিবর্তন নয়,
বরং এটি সংহতির এক
অনন্য প্রতীক।
অতীতের
গ্লানি ভুলে আগামীর পথচলার
আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, নতুন
বছর মানেই অতীতের ব্যর্থতা ও জীর্ণতা পেছনে
ফেলে নতুন উদ্দীপনা ও
কর্মপ্রবাহে সুন্দর ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ
নির্মাণের অঙ্গীকার। গত বছরের নানা
ঘটনা ও দুর্ঘটনার অভিঘাত
কাটিয়ে শান্তি, স্বস্তি ও সহাবস্থান ফিরিয়ে
আনার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ
করেন তিনি।
মির্জা
ফখরুল প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বলেন, মানুষে
মানুষে বিভাজন দূর করে পহেলা
বৈশাখ পারস্পরিক শুভেচ্ছা ও সৌহার্দ্যে ভরে
উঠুক।
বাঙালির
জাতিসত্তার কথা স্মরণ করিয়ে
দিয়ে তিনি বলেন, ধর্ম,
লোকাচার, রাজনীতি ও সংস্কৃতির পরিমণ্ডলে
এ স্বাতন্ত্র্যবোধ জাতির বৈশিষ্ট্যকে প্রতিফলিত করে। প্রতিটি উৎসবের
অন্তর্নিহিত তাৎপর্য হলো ধনী-গরিব
নির্বিশেষে সব মানুষের মিলন
এবং বিভিন্ন সম্প্রদায় ও ধর্মগোষ্ঠীর মধ্যে
সংযোগ সৃষ্টি।
নতুন
বছরের প্রথম দিনের আলোয় মহান আল্লাহর
কাছে দেশের সকল মানুষের সুখ,
শান্তি ও কল্যাণ কামনা
করেন তিনি। সবশেষে বিএনপি মহাসচিব আশা প্রকাশ করেন,
নতুন বছর সবার ব্যক্তিগত,
পারিবারিক ও জাতীয় জীবনে
অনাবিল সুখ ও শান্তি
বয়ে আনবে।

সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬
বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সোমবার
গণমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে তিনি
নতুন বছরকে বরণ করে নিতে
দেশবাসীর প্রতি সংহতি ও নতুন উদ্দীপনার
আহ্বান জানান। নববর্ষের প্রথম প্রহরে দলের সমর্থক, শুভানুধ্যায়ীসহ
সর্বস্তরের মানুষের সুখ ও সমৃদ্ধি
কামনা করেন তিনি।
মির্জা
ফখরুল বলেন, পহেলা বৈশাখ বাংলা সনের প্রথম দিন,
যা বাংলাদেশিদের সমগ্র সত্তাকে ধারণ করে। বৈশাখের
উষালগ্ন থেকেই এ উৎসব মানুষের
মনে শান্তি ও আনন্দের আবহ
তৈরি করে।
তিনি
উল্লেখ করেন, বাংলা নববর্ষ জাতীয় জীবনের এক আলোকিত ও
আনন্দময় উৎসব, যেখানে বৈরিতা ও দ্বন্দ্বের পরিবর্তে
সবার হৃদয়ে প্রাণ-প্রাচুর্য্য সঞ্চারিত হওয়া উচিত। বিএনপি
মহাসচিবের মতে, নববর্ষ কেবল
ক্যালেন্ডারের পাতা পরিবর্তন নয়,
বরং এটি সংহতির এক
অনন্য প্রতীক।
অতীতের
গ্লানি ভুলে আগামীর পথচলার
আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, নতুন
বছর মানেই অতীতের ব্যর্থতা ও জীর্ণতা পেছনে
ফেলে নতুন উদ্দীপনা ও
কর্মপ্রবাহে সুন্দর ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ
নির্মাণের অঙ্গীকার। গত বছরের নানা
ঘটনা ও দুর্ঘটনার অভিঘাত
কাটিয়ে শান্তি, স্বস্তি ও সহাবস্থান ফিরিয়ে
আনার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ
করেন তিনি।
মির্জা
ফখরুল প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বলেন, মানুষে
মানুষে বিভাজন দূর করে পহেলা
বৈশাখ পারস্পরিক শুভেচ্ছা ও সৌহার্দ্যে ভরে
উঠুক।
বাঙালির
জাতিসত্তার কথা স্মরণ করিয়ে
দিয়ে তিনি বলেন, ধর্ম,
লোকাচার, রাজনীতি ও সংস্কৃতির পরিমণ্ডলে
এ স্বাতন্ত্র্যবোধ জাতির বৈশিষ্ট্যকে প্রতিফলিত করে। প্রতিটি উৎসবের
অন্তর্নিহিত তাৎপর্য হলো ধনী-গরিব
নির্বিশেষে সব মানুষের মিলন
এবং বিভিন্ন সম্প্রদায় ও ধর্মগোষ্ঠীর মধ্যে
সংযোগ সৃষ্টি।
নতুন
বছরের প্রথম দিনের আলোয় মহান আল্লাহর
কাছে দেশের সকল মানুষের সুখ,
শান্তি ও কল্যাণ কামনা
করেন তিনি। সবশেষে বিএনপি মহাসচিব আশা প্রকাশ করেন,
নতুন বছর সবার ব্যক্তিগত,
পারিবারিক ও জাতীয় জীবনে
অনাবিল সুখ ও শান্তি
বয়ে আনবে।

আপনার মতামত লিখুন