আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে আনীত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে এক দাবি করেছেন তার আইনজীবী।
আসামিপক্ষের
প্রধান আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী আদালতকে
বলেন, মূলত জামায়াত-শিবিরের
কট্টর বিরোধিতা করার কারণেই হাসানুল
হক ইনুকে এই মামলায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে
আসামি করা হয়েছে।
সোমবার
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক
মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর
মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে চতুর্থ
দিনের মতো যুক্তিতর্ক চলাকালে
তিনি এসব কথা বলেন।
শুনানির
শুরুতে একটি বেসরকারি টেলিভিশনে
দেওয়া হাসানুল হক ইনুর একটি
পুরনো ভিডিও সাক্ষাৎকার ট্রাইব্যুনালে প্রদর্শন করা হয়। ভিডিওটি
দেখার পর আইনজীবী দাবি
করেন, সেখানে ইনু কোনো উস্কানিমূলক
বা বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দেননি। বরং তিনি আওয়ামী
লীগ সরকারের ভুল-ত্রুটিগুলোও সাহসের
সঙ্গে তুলে ধরেছিলেন।
আইনজীবীর
ভাষায়, ‘হাসানুল হক ইনু সেই
সময় কোটা সংস্কার আন্দোলনের
শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবির প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছিলেন। ভিডিওতে সেটি অত্যন্ত স্পষ্ট।
অথচ প্রসিকিউশন তার বিরুদ্ধে কমান্ড
রেসপনসেবলিটির যে অভিযোগ এনেছে,
তার কোনো আইনগত ভিত্তি
নেই।’
মুনসুরুল
হক চৌধুরী জোরালোভাবে বলেন, ইনুর বিরুদ্ধে এমন
কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ বা উপাদান প্রসিকিউশন
হাজির করতে পারেনি যা
তাকে অপরাধী হিসেবে সাব্যস্ত করে। রাজনৈতিক আদর্শগত
কারণে জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধাচরণ করায় তাকে আজ
কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হয়েছে।
এদিকে
ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে ফারুক আহাম্মদ, আবদুস সোবহান তরফদার ও মঈনুল করিম
উপস্থিত ছিলেন। কড়া নিরাপত্তার মধ্য
দিয়ে সকালে হাসানুল হক ইনুকে ট্রাইব্যুনালে
হাজির করা হয় এবং
তার উপস্থিতিতেই দিনের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। আসামিপক্ষের যুক্তি
শেষ হলেই প্রসিকিউশন পাল্টা
যুক্তি দেবেন, যার পরই এই
মামলাটি রায়ের পর্যায়ে পৌঁছাবে।

সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে আনীত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে এক দাবি করেছেন তার আইনজীবী।
আসামিপক্ষের
প্রধান আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী আদালতকে
বলেন, মূলত জামায়াত-শিবিরের
কট্টর বিরোধিতা করার কারণেই হাসানুল
হক ইনুকে এই মামলায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে
আসামি করা হয়েছে।
সোমবার
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক
মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর
মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে চতুর্থ
দিনের মতো যুক্তিতর্ক চলাকালে
তিনি এসব কথা বলেন।
শুনানির
শুরুতে একটি বেসরকারি টেলিভিশনে
দেওয়া হাসানুল হক ইনুর একটি
পুরনো ভিডিও সাক্ষাৎকার ট্রাইব্যুনালে প্রদর্শন করা হয়। ভিডিওটি
দেখার পর আইনজীবী দাবি
করেন, সেখানে ইনু কোনো উস্কানিমূলক
বা বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দেননি। বরং তিনি আওয়ামী
লীগ সরকারের ভুল-ত্রুটিগুলোও সাহসের
সঙ্গে তুলে ধরেছিলেন।
আইনজীবীর
ভাষায়, ‘হাসানুল হক ইনু সেই
সময় কোটা সংস্কার আন্দোলনের
শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবির প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছিলেন। ভিডিওতে সেটি অত্যন্ত স্পষ্ট।
অথচ প্রসিকিউশন তার বিরুদ্ধে কমান্ড
রেসপনসেবলিটির যে অভিযোগ এনেছে,
তার কোনো আইনগত ভিত্তি
নেই।’
মুনসুরুল
হক চৌধুরী জোরালোভাবে বলেন, ইনুর বিরুদ্ধে এমন
কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ বা উপাদান প্রসিকিউশন
হাজির করতে পারেনি যা
তাকে অপরাধী হিসেবে সাব্যস্ত করে। রাজনৈতিক আদর্শগত
কারণে জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধাচরণ করায় তাকে আজ
কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হয়েছে।
এদিকে
ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে ফারুক আহাম্মদ, আবদুস সোবহান তরফদার ও মঈনুল করিম
উপস্থিত ছিলেন। কড়া নিরাপত্তার মধ্য
দিয়ে সকালে হাসানুল হক ইনুকে ট্রাইব্যুনালে
হাজির করা হয় এবং
তার উপস্থিতিতেই দিনের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। আসামিপক্ষের যুক্তি
শেষ হলেই প্রসিকিউশন পাল্টা
যুক্তি দেবেন, যার পরই এই
মামলাটি রায়ের পর্যায়ে পৌঁছাবে।

আপনার মতামত লিখুন