গুমের মতো ভয়াবহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এবার ফেঁসে গেলেন প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদ।
সোমবার
বিকেলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান
বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক
প্যানেল তাকে এই মামলায়
গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে
আদালত গুমের ঘটনার রহস্য উন্মোচনে সাবেক এই প্রভাবশালী কর্মকর্তাকে
দুই দিনব্যাপী জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন। বিচারিক প্যানেলের অন্য সদস্যরা হলেন:
বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ
ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার
কবীর।
আদালতে
প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানিতে অংশ নিয়ে চিফ
প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, "গুমের মামলায় শেখ মামুনকে গ্রেপ্তার
দেখানো প্রয়োজন এবং সুষ্ঠু তদন্তের
স্বার্থে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি
দেওয়া হোক।"
তার
এই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ট্রাইব্যুনাল আইনি প্রক্রিয়া শেষে
মামুন খালেদকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে রিমান্ডের আদেশ প্রদান করেন।
এর আগে চলতি বছরের
২৫ মার্চ রাতে মিরপুর ডিওএইচএসের
বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার হওয়া
এই সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে কড়া
নিরাপত্তায় ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। এর
আগেও অন্য মামলায় একাধিকবার
তাকে রিমান্ডে নিয়েছিল পুলিশ, তবে এবার সরাসরি
গুমের অভিযোগে ট্রাইব্যুনালের মুখোমুখি হলেন তিনি।

সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬
গুমের মতো ভয়াবহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এবার ফেঁসে গেলেন প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদ।
সোমবার
বিকেলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান
বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক
প্যানেল তাকে এই মামলায়
গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে
আদালত গুমের ঘটনার রহস্য উন্মোচনে সাবেক এই প্রভাবশালী কর্মকর্তাকে
দুই দিনব্যাপী জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন। বিচারিক প্যানেলের অন্য সদস্যরা হলেন:
বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ
ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার
কবীর।
আদালতে
প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানিতে অংশ নিয়ে চিফ
প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, "গুমের মামলায় শেখ মামুনকে গ্রেপ্তার
দেখানো প্রয়োজন এবং সুষ্ঠু তদন্তের
স্বার্থে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি
দেওয়া হোক।"
তার
এই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ট্রাইব্যুনাল আইনি প্রক্রিয়া শেষে
মামুন খালেদকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে রিমান্ডের আদেশ প্রদান করেন।
এর আগে চলতি বছরের
২৫ মার্চ রাতে মিরপুর ডিওএইচএসের
বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার হওয়া
এই সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে কড়া
নিরাপত্তায় ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। এর
আগেও অন্য মামলায় একাধিকবার
তাকে রিমান্ডে নিয়েছিল পুলিশ, তবে এবার সরাসরি
গুমের অভিযোগে ট্রাইব্যুনালের মুখোমুখি হলেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন