ঈদের টানা ছুটির প্রভাবে রাজধানীতে সবজির বাজারে ফিরতে শুরু করেছে স্বস্তি। বাজারে লেবু ছাড়া বাকি পণ্যের দাম কমেছে কেজি প্রতি ১০ থেকে ২০ টাকা। আজ সোমবার (২৩ মার্চ) রাজধানীর কাওরানবাজার, হাতিরপুল, মোহাম্মদপুর টাউনহলসহ বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে এমন চিত্রই দেখা যায়।
বিক্রেতারা বলছে, সালাদ সামগ্রী শসা ও টমেটো লসে বিক্রি করছেন। শসা কেনা ৬০ টাকা, বিক্রি করছেন ৪০ থেকে ৫০ টাকা দরে। টমেটো মিলছে ৪০ টাকায়। ১২০ টাকার নিচেই মিলছে এক কেজি কাঁচামরিচ।
এদিকে, বাজারে দেশি শিম মিলছে ৬০ টাকা কেজিতে, বেগুনের দাম ১০০ থেকে কমে ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। রমজান মাসজুড়ে শতকের ঘর ছাড়িয়ে যাওয়া পটল, করলা, বরবটিসহ বেশিরভাগ সবজির দাম নেমে এসেছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়।
আমদানি করা এক কেজি রসুন কিনতে দিতে হবে ২২০ টাকা। আর ১৮০ টাকা কেজিতে অপরিবর্তিত আছে আদা। পেঁয়াজের খুচরা বাজারেও দাম কমেছে। পাশাপাশি আলুর দামও কেজিপ্রতি ২০-২৫ টাকা থেকে কমে ১৫-২০ টাকায় নেমেছে।
অন্যান্য সবজির মধ্যে গাজর কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। গত সপ্তাহেও দাম ছিল ৮০ টাকা কেজি। শাকের দামও তুলনামূলক কম পাওয়া যাচ্ছে, ২০ টাকা আঁটিতে।
এছাড়া নতুন সবজির মধ্যে সজনে পাওয়া যাচ্ছে ১২০ টাকায়, আর কচুর লতি ১০০ টাকায়। ঢেঁড়শ ৮০ টাকা ও পটল বিক্রি হচ্ছে ৫০-৭০ টাকায়। মিষ্টি কুমড়া প্রতি কেজি ৪০ টাকার মধ্যে বিক্রি করতে দেখা গেছে। কাঁচকলা ১০০ টাকা হালি।
দাম অপরিবর্তিত রয়েছে ধুন্দল ও ঝিঙ্গার, পাওয়া যাচ্ছে ৮০ টাকায়। সবজি হিসেবে সবচেয়ে সস্তায় মিলছে কাঁচা পেঁপে ২৫ টাকা কেজি। এছাড়া চাল কুমড়া ৬০ টাকা পিস, লাউ ৫০ টাকা পিস দরে বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি সাইজের বাঁধাকপি ও ফুলকপি ৫০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।
বিক্রেতারা জানান, সবজির নতুন সরবরাহ বাড়ছে, কিন্তু ক্রেতার সংখ্যা কম, তাই দাম কমছে। অতিরিক্ত দাম বাড়া যেমন ভালো নয়, তেমনি দ্রুত দাম কমে যাওয়াও কৃষকদের জন্য ক্ষতিকর। একটি ন্যায্যমূল্য থাকা উচিত।

সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ মার্চ ২০২৬
ঈদের টানা ছুটির প্রভাবে রাজধানীতে সবজির বাজারে ফিরতে শুরু করেছে স্বস্তি। বাজারে লেবু ছাড়া বাকি পণ্যের দাম কমেছে কেজি প্রতি ১০ থেকে ২০ টাকা। আজ সোমবার (২৩ মার্চ) রাজধানীর কাওরানবাজার, হাতিরপুল, মোহাম্মদপুর টাউনহলসহ বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে এমন চিত্রই দেখা যায়।
বিক্রেতারা বলছে, সালাদ সামগ্রী শসা ও টমেটো লসে বিক্রি করছেন। শসা কেনা ৬০ টাকা, বিক্রি করছেন ৪০ থেকে ৫০ টাকা দরে। টমেটো মিলছে ৪০ টাকায়। ১২০ টাকার নিচেই মিলছে এক কেজি কাঁচামরিচ।
এদিকে, বাজারে দেশি শিম মিলছে ৬০ টাকা কেজিতে, বেগুনের দাম ১০০ থেকে কমে ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। রমজান মাসজুড়ে শতকের ঘর ছাড়িয়ে যাওয়া পটল, করলা, বরবটিসহ বেশিরভাগ সবজির দাম নেমে এসেছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়।
আমদানি করা এক কেজি রসুন কিনতে দিতে হবে ২২০ টাকা। আর ১৮০ টাকা কেজিতে অপরিবর্তিত আছে আদা। পেঁয়াজের খুচরা বাজারেও দাম কমেছে। পাশাপাশি আলুর দামও কেজিপ্রতি ২০-২৫ টাকা থেকে কমে ১৫-২০ টাকায় নেমেছে।
অন্যান্য সবজির মধ্যে গাজর কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। গত সপ্তাহেও দাম ছিল ৮০ টাকা কেজি। শাকের দামও তুলনামূলক কম পাওয়া যাচ্ছে, ২০ টাকা আঁটিতে।
এছাড়া নতুন সবজির মধ্যে সজনে পাওয়া যাচ্ছে ১২০ টাকায়, আর কচুর লতি ১০০ টাকায়। ঢেঁড়শ ৮০ টাকা ও পটল বিক্রি হচ্ছে ৫০-৭০ টাকায়। মিষ্টি কুমড়া প্রতি কেজি ৪০ টাকার মধ্যে বিক্রি করতে দেখা গেছে। কাঁচকলা ১০০ টাকা হালি।
দাম অপরিবর্তিত রয়েছে ধুন্দল ও ঝিঙ্গার, পাওয়া যাচ্ছে ৮০ টাকায়। সবজি হিসেবে সবচেয়ে সস্তায় মিলছে কাঁচা পেঁপে ২৫ টাকা কেজি। এছাড়া চাল কুমড়া ৬০ টাকা পিস, লাউ ৫০ টাকা পিস দরে বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি সাইজের বাঁধাকপি ও ফুলকপি ৫০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।
বিক্রেতারা জানান, সবজির নতুন সরবরাহ বাড়ছে, কিন্তু ক্রেতার সংখ্যা কম, তাই দাম কমছে। অতিরিক্ত দাম বাড়া যেমন ভালো নয়, তেমনি দ্রুত দাম কমে যাওয়াও কৃষকদের জন্য ক্ষতিকর। একটি ন্যায্যমূল্য থাকা উচিত।

আপনার মতামত লিখুন