ডিএমপির রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলমের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থাসহ তিন দফা দাবিতে শাহবাগ থানা ঘেরাও করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টার পর থেকে ঢাবির নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা এ কর্মসূচি পালন করছেন।
সোমবার দিবাগত রাতে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঢাবি নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী নাইমুদ্দীনের ওপর পুলিশি হামলার প্রতিবাদে এ কর্মসূচি শুরু করেছেন শিক্ষার্থীরা।
অন্যদিকে, রাতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালে দুই মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও সাধারণ দর্শনার্থীদের মারধর করারও অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা হলেন, বাংলানিউজ২৪.কম-এর তোফায়েল আহমেদ (২৫) ও আজকের পত্রিকার কাউসার আহমেদ রিপন (২৭)।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, একদল পুলিশ সদস্য তোফায়েলকে লাঠি দিয়ে নির্বিচারে পেটাচ্ছেন। সহকর্মীকে বাঁচাতে গেলে হামলার শিকার হন সাংবাদিক রিপন আহমেদও। তিনি বলেন, পুলিশকে থামতে বলায় তারা আমাকে ভিডিও করতে বাধা দে। লাঠি দিয়ে পায়ে আঘাত করে। পরে অন্য পুলিশ সদস্যরা তোফায়েলকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।
কর্মসূচি থেকে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, সোমবার রাতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে কোনো ধরনের অপরাধ ছাড়া ঢাবি শিক্ষার্থী নাইমুদ্দীনের ওপর অন্যায়ভাবে পুলিশ হামলা করেছে। তারা প্রশ্ন করে বলেন, মানুষ কি এখন রাস্তা দিয়ে হেঁটে যেতে পারবে না? রাস্তা কি পুলিশের সম্পত্তি?
শিক্ষার্থীদের ৩ দফা দাবি হলো-
১. ডিসি মাসুদসহ হামলায় অংশ নেওয়া প্রত্যেক পুলিশের বিরুদ্ধে শাস্তির ব্যবস্থা নিতে হবে।
২. ক্যাম্পাস এলাকার ভেতরে ও বাইরে সব ধরনের অযাচিত পুলিশিং বন্ধ করতে হবে।
৩. বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীর সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
এ বিষয়ে ডিসি মাসুদ ঘটনার জন্য ক্ষমা চেয়েছেন। দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, এটি ভুল বোঝাবুঝি। একজন মাদকাসক্তের ছুরিকাঘাতে এক পুলিশ সদস্যের ভ্রু কেটে যায়। সেই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে সাংবাদিকদের সঙ্গে আইডি কার্ড না থাকায় পুলিশ সদস্যরা ভুলবশত তাদের ওপর চড়াও হয়েছিলেন।

রোববার, ০৮ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মার্চ ২০২৬
ডিএমপির রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলমের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থাসহ তিন দফা দাবিতে শাহবাগ থানা ঘেরাও করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টার পর থেকে ঢাবির নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা এ কর্মসূচি পালন করছেন।
সোমবার দিবাগত রাতে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঢাবি নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী নাইমুদ্দীনের ওপর পুলিশি হামলার প্রতিবাদে এ কর্মসূচি শুরু করেছেন শিক্ষার্থীরা।
অন্যদিকে, রাতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালে দুই মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও সাধারণ দর্শনার্থীদের মারধর করারও অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা হলেন, বাংলানিউজ২৪.কম-এর তোফায়েল আহমেদ (২৫) ও আজকের পত্রিকার কাউসার আহমেদ রিপন (২৭)।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, একদল পুলিশ সদস্য তোফায়েলকে লাঠি দিয়ে নির্বিচারে পেটাচ্ছেন। সহকর্মীকে বাঁচাতে গেলে হামলার শিকার হন সাংবাদিক রিপন আহমেদও। তিনি বলেন, পুলিশকে থামতে বলায় তারা আমাকে ভিডিও করতে বাধা দে। লাঠি দিয়ে পায়ে আঘাত করে। পরে অন্য পুলিশ সদস্যরা তোফায়েলকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।
কর্মসূচি থেকে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, সোমবার রাতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে কোনো ধরনের অপরাধ ছাড়া ঢাবি শিক্ষার্থী নাইমুদ্দীনের ওপর অন্যায়ভাবে পুলিশ হামলা করেছে। তারা প্রশ্ন করে বলেন, মানুষ কি এখন রাস্তা দিয়ে হেঁটে যেতে পারবে না? রাস্তা কি পুলিশের সম্পত্তি?
শিক্ষার্থীদের ৩ দফা দাবি হলো-
১. ডিসি মাসুদসহ হামলায় অংশ নেওয়া প্রত্যেক পুলিশের বিরুদ্ধে শাস্তির ব্যবস্থা নিতে হবে।
২. ক্যাম্পাস এলাকার ভেতরে ও বাইরে সব ধরনের অযাচিত পুলিশিং বন্ধ করতে হবে।
৩. বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীর সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
এ বিষয়ে ডিসি মাসুদ ঘটনার জন্য ক্ষমা চেয়েছেন। দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, এটি ভুল বোঝাবুঝি। একজন মাদকাসক্তের ছুরিকাঘাতে এক পুলিশ সদস্যের ভ্রু কেটে যায়। সেই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে সাংবাদিকদের সঙ্গে আইডি কার্ড না থাকায় পুলিশ সদস্যরা ভুলবশত তাদের ওপর চড়াও হয়েছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন