নওগাঁর বদলগাছীতে পিকনিকের জন্য কলার পাতা কাটাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত মীর ইসমাইল হোসেন (৮০) নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। আহত হওয়ার ৫ দিন পর মঙ্গলবার (২১ জুলাই) গভীর রাতে রাজশাহী নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় পুলিশ মা ও ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছে।
নিহত ইসমাইল হোসেন উপজেলার সদর ইউনিয়নের শেরপুর গ্রামের বাসিন্দা। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন একই গ্রামের মীর মো. বাঁধন (২৫) ও তার মা মোছা. বেদেনা খাতুন (৫০)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শেরপুর গ্রামের মীর ইসমাইল হোসেনের পরিবারের সঙ্গে তাঁর ভাইদের জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। গত ১৬ জুলাই স্থানীয় তরুণরা একটি পিকনিকের আয়োজন করেন। ওই পিকনিকের জন্য ইসমাইল হোসেনের অনুমতি না নিয়েই তার বাগান থেকে কলার পাতা কাটেন ভাতিজা মীর বাঁধনসহ কয়েকজন। এ নিয়ে প্রতিবাদ জানালে দুই পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা ও একপর্যায়ে সংঘর্ষ বাধে।
সংঘর্ষে প্রতিপক্ষের লাঠির আঘাতে মীর ইসমাইল হোসেন, তার স্ত্রী মোমেনা বেগম (৭০) ও ছেলে মীর সোহরাব হোসেন (৫৫) গুরুতর আহত হন। তাদের উদ্ধার করে প্রথমে বদলগাছী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে নওগাঁ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে মঙ্গলবার রাতে ইসমাইল হোসেনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন চিকিৎসক। রাজশাহী নেওয়ার পথে রাত পৌনে তিনটার দিকে নওগাঁর রুবির মোড় এলাকায় তার মৃত্যু হয়।
বদলগাছী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় এজাহারভুক্ত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। পরিবারের পক্ষ থেকে একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
\

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬
নওগাঁর বদলগাছীতে পিকনিকের জন্য কলার পাতা কাটাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত মীর ইসমাইল হোসেন (৮০) নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। আহত হওয়ার ৫ দিন পর মঙ্গলবার (২১ জুলাই) গভীর রাতে রাজশাহী নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় পুলিশ মা ও ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছে।
নিহত ইসমাইল হোসেন উপজেলার সদর ইউনিয়নের শেরপুর গ্রামের বাসিন্দা। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন একই গ্রামের মীর মো. বাঁধন (২৫) ও তার মা মোছা. বেদেনা খাতুন (৫০)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শেরপুর গ্রামের মীর ইসমাইল হোসেনের পরিবারের সঙ্গে তাঁর ভাইদের জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। গত ১৬ জুলাই স্থানীয় তরুণরা একটি পিকনিকের আয়োজন করেন। ওই পিকনিকের জন্য ইসমাইল হোসেনের অনুমতি না নিয়েই তার বাগান থেকে কলার পাতা কাটেন ভাতিজা মীর বাঁধনসহ কয়েকজন। এ নিয়ে প্রতিবাদ জানালে দুই পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা ও একপর্যায়ে সংঘর্ষ বাধে।
সংঘর্ষে প্রতিপক্ষের লাঠির আঘাতে মীর ইসমাইল হোসেন, তার স্ত্রী মোমেনা বেগম (৭০) ও ছেলে মীর সোহরাব হোসেন (৫৫) গুরুতর আহত হন। তাদের উদ্ধার করে প্রথমে বদলগাছী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে নওগাঁ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে মঙ্গলবার রাতে ইসমাইল হোসেনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন চিকিৎসক। রাজশাহী নেওয়ার পথে রাত পৌনে তিনটার দিকে নওগাঁর রুবির মোড় এলাকায় তার মৃত্যু হয়।
বদলগাছী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় এজাহারভুক্ত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। পরিবারের পক্ষ থেকে একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
\

আপনার মতামত লিখুন