সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে মিয়া হোসেন (২২) নামের এক তরুণ আত্মহত্যা করেছেন। সোমবার (২০ জুলাই) দিবাগত রাতে উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়নের আমতৈল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে পুলিশ তার ঘর থেকে ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে।
নিহত মিয়া হোসেন আমতৈল গ্রামের মৃত মিস্টার আলীর ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাতের কোনো এক সময় নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ‘আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়’ লিখে একটি স্ট্যাটাস দেন মিয়া হোসেন। এরপর নিজ ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গামছা পেঁচিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন। মঙ্গলবার সকালে পরিবারের সদস্যরা তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে চিৎকার শুরু করলে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসেন।
খবর পেয়ে তাহিরপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। মিয়া হোসেনের মায়ের ভাষ্যমতে, পারিবারিক মানসিক চাপের কারণে তিনি এ পথ বেছে নিয়েছেন। তবে স্ট্যাটাস ও আত্মহত্যার পেছনে অন্য কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ আছে কি না, তা নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনা চলছে।
তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক আহমেদ বলেন, পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় এবং তাদের লিখিত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।
\

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে মিয়া হোসেন (২২) নামের এক তরুণ আত্মহত্যা করেছেন। সোমবার (২০ জুলাই) দিবাগত রাতে উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়নের আমতৈল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে পুলিশ তার ঘর থেকে ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে।
নিহত মিয়া হোসেন আমতৈল গ্রামের মৃত মিস্টার আলীর ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাতের কোনো এক সময় নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ‘আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়’ লিখে একটি স্ট্যাটাস দেন মিয়া হোসেন। এরপর নিজ ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গামছা পেঁচিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন। মঙ্গলবার সকালে পরিবারের সদস্যরা তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে চিৎকার শুরু করলে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসেন।
খবর পেয়ে তাহিরপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। মিয়া হোসেনের মায়ের ভাষ্যমতে, পারিবারিক মানসিক চাপের কারণে তিনি এ পথ বেছে নিয়েছেন। তবে স্ট্যাটাস ও আত্মহত্যার পেছনে অন্য কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ আছে কি না, তা নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনা চলছে।
তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক আহমেদ বলেন, পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় এবং তাদের লিখিত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।
\

আপনার মতামত লিখুন