সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

ভোলায় শিশুদের মধ্যে হামের প্রাদুর্ভাব, হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু


জেলা বার্তা পরিবেশক, ভোলা
জেলা বার্তা পরিবেশক, ভোলা
প্রকাশ: ৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:০৭ পিএম

ভোলায় শিশুদের মধ্যে হামের প্রাদুর্ভাব, হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু
ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে হামে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ছবি : সংবাদ

ভোলায় শিশুদের মধ্যে হঠাৎ হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ভোলা ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে হামে আক্রান্ত ১১ জন শিশু ভর্তি হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় হাসপাতালে একটি পৃথক আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে। এ ছাড়া ভর্তি হওয়া চার শিশুর নমুনা পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

এদিকে আক্রান্ত শিশুদের স্বজনদের অভিযোগ, গত দুই দিন ধরে শিশুদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলেও হাসপাতালে আশানুরূপ চিকিৎসা পাওয়া যাচ্ছে না। তবে স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

হাসপাতাল ও সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, জেলায় টিকার যে সংকট নিয়ে উদ্বেগ ছিল, তার সমাধান হয়েছে। গত বুধবার ঢাকা থেকে ৩০ হাজার ডোজ হাম-রুবেলা (এমআর) টিকা ভোলার সিভিল সার্জন কার্যালয়ের জেলা ভ্যাকসিন স্টোরে এসে পৌঁছেছে।

ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. তৈয়বুর রহমান বলেন, ‘ভর্তি হওয়া ১১ রোগীর মধ্যে ৪ জনের নমুনা পরীক্ষার জন্য ঢাকার ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। রোগীদের আলাদা দুটি আইসোলেশন ইউনিটে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পর্যাপ্ত টিকা জেলায় পৌঁছেছে, আশা করছি পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসবে।’

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ ঠেকাতে দ্রুত টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা হবে। একই সঙ্গে অভিভাবকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬


ভোলায় শিশুদের মধ্যে হামের প্রাদুর্ভাব, হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু

প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

ভোলায় শিশুদের মধ্যে হঠাৎ হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ভোলা ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে হামে আক্রান্ত ১১ জন শিশু ভর্তি হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় হাসপাতালে একটি পৃথক আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে। এ ছাড়া ভর্তি হওয়া চার শিশুর নমুনা পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

এদিকে আক্রান্ত শিশুদের স্বজনদের অভিযোগ, গত দুই দিন ধরে শিশুদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলেও হাসপাতালে আশানুরূপ চিকিৎসা পাওয়া যাচ্ছে না। তবে স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

হাসপাতাল ও সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, জেলায় টিকার যে সংকট নিয়ে উদ্বেগ ছিল, তার সমাধান হয়েছে। গত বুধবার ঢাকা থেকে ৩০ হাজার ডোজ হাম-রুবেলা (এমআর) টিকা ভোলার সিভিল সার্জন কার্যালয়ের জেলা ভ্যাকসিন স্টোরে এসে পৌঁছেছে।

ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. তৈয়বুর রহমান বলেন, ‘ভর্তি হওয়া ১১ রোগীর মধ্যে ৪ জনের নমুনা পরীক্ষার জন্য ঢাকার ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। রোগীদের আলাদা দুটি আইসোলেশন ইউনিটে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পর্যাপ্ত টিকা জেলায় পৌঁছেছে, আশা করছি পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসবে।’

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ ঠেকাতে দ্রুত টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা হবে। একই সঙ্গে অভিভাবকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।


সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত