বাংলাদেশের পর্যটক শিল্পের প্রকৃতি কন্যা বলা হয় সিলেট জেলাকে। সিলেট জেলার নৈসর্গিক সৌন্দর্য অনন্য এবং বাংলাদেশের অন্য জেলা থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। সিলেট বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রধান শহর ও ঐতিহাসিক শহর হিসাবেও পরিচিত। সিলেট জেলা হচ্ছে ৩৬০ আউলিয়ার পবিত্র ও পূন্যভূমি।
সিলেট জেলা পাহাড়, নদী আর শীতল পানির ঝরনার এক নিসর্গ ভূমি। এ জেলার পর্যটন কেন্দ্র জাফলং, তামাবিল, ভোলাগঞ্জের সাদাপাথর, বিছানা কান্দি, রাতারগুল পর্যটকদের দারুণভাবে আকর্ষণ করে। বিশেষ করে রাতারগুল পর্যটন কেন্দ্র অন্য পর্যটন কেন্দ্র থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। এই পর্যটন কেন্দ্র যেন সিলেটে একখণ্ড সুন্দর বন।
সিলেট জেলার রাতারগুল পর্যটন কেন্দ্র পর্যটকদের বিশেষভাবে আকর্ষণ করে তার পিঠাজল ও জলের মধ্যে বেড়ে ওঠা বনভূমি। ৯৭২ একর আয়তনের এ বনভূমি পুরোটাই পানি দ্বারা আবৃত। বিশেষ করে বর্ষাকালে বনের ভিতর নৌকায় করে পর্যটকরা পরিভ্রমণ করতে পারে।
রাতারগুল জলাবন বাংলাদেশের একমাত্র ও বিশ্বের ২২টি মিঠাপানির সোয়াম্প ফরেস্টের অন্যতম একটি, যা সিলেটের গোয়াইনঘাটে অবস্থিত। এটি ‘সিলেটের সুন্দরবন’ বা ‘বাংলাদেশের আমাজন’ নামে পরিচিত। বর্ষাকালে এই বন ২০-৩০ ফুট পানির নিচে ডুবে থাকে। এই বনের মূল সৌন্দর্য দেখার সেরা সময় জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত। রাতারগুল বন সিলেট জেলা থেকে প্রায় ২৭ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। মোট আয়তন ৩,৩২৫.৬১ একর, যার মধ্যে ৫০৪ একর মূল বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য। হিজল, করচ, বরুণ, কদম, জালিবেত ইত্যাদি জলসহিষ্ণু চিরহরিৎ বৃক্ষ এখানের মূল আকর্ষণ। এখানে ২৫ প্রজাতির জলসহিষ্ণু গাছ, পাখি, মাছ ও নানা প্রজাতির সরীসৃপ রয়েছে।
সিলেটের অন্য পর্যটন কেন্দ্র থেকে রাতারগুলের আকর্ষণ একটু বেশি। এটা দুটো কারণে হয়। এক. সিলেট শহর থেকে অল্প দূরত্বে মাত্র ২৭ কিলোমিটার দূরে গোয়াইনঘাটের ফতেহপুর ইউনিয়নে অবস্থিত। সিএনজি কিংবা ব্যক্তিগত গাড়িতে যেতে সময় লাগে মাত্র ৪০ মিনিট থেকে ৫০ মিনিট। দুই হিজল করচ কদম বৃক্ষের ভিতর দিয়ে নৌকা নিয়ে ঘুরে ঘুরে পুরো বন দেখা যায়। শুষ্ক মৌসুমে নৌকা নিয়ে বনে প্রবেশ করে হেঁটে হেঁটে পুরো বন পরিদর্শন করা যায়। এই বিষয়টি পর্যটকদের মাঝে এডভেঞ্চার সৃষ্টি করে।
গত ২৩ মার্চ তারিখ আমি সপরিবারে সিলেটের রাতারগুল সোয়াম্প ফরেস্ট ভ্রমণে গিয়েছিলাম। রাতারগুল যাওয়ার পর বনের ভিতর ঘুরে দেখার জন্য একটি নৌকা ভাড়া করি। নৌকা ভাড়া দিতে হয়েছে ৮০০ টাকা। নৌকা ঘাটেই বাঁধা ছিল। আমরা বনে যাওয়ার জন্য নৌকায় উঠে বসি। আমাদেরকে একজন তরুণ মাঝি বৈঠা চালিয়ে নৌকা নিয়ে এগিয়ে যায় জলাবনের দিকে। সরু চিকন খাল ধরে নৌকা এগিয়ে যায়। আমাদের আগে পিছনে এই রকম আরও নৌকা এগিয়ে চলে বন দেখার জন্য। ইতোমধ্যে অনেকেই আবার বন দেখে ফিরেও আসে। যতই আমরা বনের ভিতরে প্রবেশ করি ততই আমাদের রোমাঞ্চকর অনুভূতি বাড়তে থাকে। এক পর্যায়ে আমরা মূল পয়েন্টে চলে আসি। চারদিকে গাছপালা বেষ্টিত মাঝখানে উন্মুক্ত জলরাশি রোমাঞ্চকর অনুভূতিকে আরও প্রাঞ্জল করে তোলে। আমরা মুগ্ধ হই সবাই। মাঝি আমাদেরকে বনের মাঝখানের একটা জায়গায় নামিয়ে দেয়। আমরা ঘুরে ঘুরে বনের গাছগুলো পর্যবেক্ষণ করি আর পুলকিত হই। রাতারগুল জলাবন ঘুরে দেখার মুহুর্তগুলো মোবাইলে ক্যামেরাবন্দী করি।
আমাদেরকে যে মাঝি নৌকায় করে বন ঘুরিয়ে দেখায় তার সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি রাতারগুল জলাবন পরিদর্শনের জন্য ইজারা ঘাটে ১৩৫টি নৌকা ব্যবহার করা হয়। নৌকাগুলো দুই ধরনের। এক ধরনের নৌকা একটু বড় সাইজ যা আটজন বহন করতে পারে। আরেক ধরনের নৌকা একটু ছোট সাইজ যা চারজন বহন করতে পারে। মাঝি আরও জানায়- প্রতি টুরিস্টকে এই বনে প্রবেশের জন্য ৯৭.৫০ টাকা দিতে হয়। আর নৌকা প্রতি পে করতে হয় ১১৫ টাকা। অর্থাৎ একটা নৌকা বনে প্রবেশ করলেই ১১৫ টাকা দিতে হয়।
দুই বছর আগে রাতারগুল পর্যটন কেন্দ্রে গাড়ি পার্কিংসহ একটি গণশৌচাগার নির্মাণ করা হয়। এটি একটি ভালো উদ্যোগ। তবে চৌমৌহনী বাজার থেকে রাতারগুল নৌকার ঘাট পর্যন্ত রাস্তাটি সরু এবং খানাখন্দে ভরা। পর্যটকদের জন্য বহনকারী পরিবহনের চলাচল কষ্ট হয়। শুষ্ক মৌসুমে চলাচল কিছুটা সহজ হলেও বর্ষাকালে পর্যটকদের কষ্ট বেশি হয়।
রাতারগুল পর্যটন কেন্দ্রে শুষ্ক মৌসুমের চেয়ে বর্ষাকালে পর্যটক অনেক বেশি আসে। এর কারণ হচ্ছে- বর্ষাকালে পুরো বন জলমগ্ন হয়। বৃক্ষগুলো ২০ ফুট পানির ওপরে ভেসে থাকে। পুরো বন নৌকা করে গাছগাছালির ফাঁকে ঘুরে ঘুরে দেখা যায়। বনের মাঝখানে একটা ওয়াচ-টাওয়ার ছিল যেটা ১০ বছর আগে নির্মাণ করা হয়। এই ওয়াচটাওয়ারের উপরে উঠে পর্যটকরা পুরো বন দেখতে পারতো। কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে- নির্মাণ ত্রুটির কারণে দুই বছর আগে ওয়াচ-টাওয়ারটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। ওয়াচ-টাওয়ার ব্যবহার করতে না পারায় পর্যটকরা ওপর থেকে পুরো জলাবন দেখতে বঞ্চিত হচ্ছে। কেউ কেউ ওয়াচ-টাওয়ার নষ্ট থাকায় ক্ষোভও প্রকাশ করছে।
রাতারগুল সিলেটের এক অনন্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্যময় পর্যটন কেন্দ্র। সিলেট ভ্রমণ পিপাসুদের অন্যতম পছন্দের জায়গা হচ্ছে এই রাতারগুল সোয়াম্প ফরেস্ট। একে সিলেটের সুন্দরবন নামেও ডাকা হয়। রাতারগুল পর্যটন কেন্দ্রকে আরও আকর্ষনীয় করার জন্য প্রবেশ পথ সংস্কার ও প্রশস্ত করা প্রয়োজন। প্রয়োজন ওয়াচ-টাওয়ারটি পুনর্নির্মাণ করা।
[লেখক: সহকারী অধ্যাপক, ভূগোল বিভাগ, মুক্তিযোদ্ধা কলেজ, গাজীপুর]

সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬
বাংলাদেশের পর্যটক শিল্পের প্রকৃতি কন্যা বলা হয় সিলেট জেলাকে। সিলেট জেলার নৈসর্গিক সৌন্দর্য অনন্য এবং বাংলাদেশের অন্য জেলা থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। সিলেট বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রধান শহর ও ঐতিহাসিক শহর হিসাবেও পরিচিত। সিলেট জেলা হচ্ছে ৩৬০ আউলিয়ার পবিত্র ও পূন্যভূমি।
সিলেট জেলা পাহাড়, নদী আর শীতল পানির ঝরনার এক নিসর্গ ভূমি। এ জেলার পর্যটন কেন্দ্র জাফলং, তামাবিল, ভোলাগঞ্জের সাদাপাথর, বিছানা কান্দি, রাতারগুল পর্যটকদের দারুণভাবে আকর্ষণ করে। বিশেষ করে রাতারগুল পর্যটন কেন্দ্র অন্য পর্যটন কেন্দ্র থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। এই পর্যটন কেন্দ্র যেন সিলেটে একখণ্ড সুন্দর বন।
সিলেট জেলার রাতারগুল পর্যটন কেন্দ্র পর্যটকদের বিশেষভাবে আকর্ষণ করে তার পিঠাজল ও জলের মধ্যে বেড়ে ওঠা বনভূমি। ৯৭২ একর আয়তনের এ বনভূমি পুরোটাই পানি দ্বারা আবৃত। বিশেষ করে বর্ষাকালে বনের ভিতর নৌকায় করে পর্যটকরা পরিভ্রমণ করতে পারে।
রাতারগুল জলাবন বাংলাদেশের একমাত্র ও বিশ্বের ২২টি মিঠাপানির সোয়াম্প ফরেস্টের অন্যতম একটি, যা সিলেটের গোয়াইনঘাটে অবস্থিত। এটি ‘সিলেটের সুন্দরবন’ বা ‘বাংলাদেশের আমাজন’ নামে পরিচিত। বর্ষাকালে এই বন ২০-৩০ ফুট পানির নিচে ডুবে থাকে। এই বনের মূল সৌন্দর্য দেখার সেরা সময় জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত। রাতারগুল বন সিলেট জেলা থেকে প্রায় ২৭ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। মোট আয়তন ৩,৩২৫.৬১ একর, যার মধ্যে ৫০৪ একর মূল বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য। হিজল, করচ, বরুণ, কদম, জালিবেত ইত্যাদি জলসহিষ্ণু চিরহরিৎ বৃক্ষ এখানের মূল আকর্ষণ। এখানে ২৫ প্রজাতির জলসহিষ্ণু গাছ, পাখি, মাছ ও নানা প্রজাতির সরীসৃপ রয়েছে।
সিলেটের অন্য পর্যটন কেন্দ্র থেকে রাতারগুলের আকর্ষণ একটু বেশি। এটা দুটো কারণে হয়। এক. সিলেট শহর থেকে অল্প দূরত্বে মাত্র ২৭ কিলোমিটার দূরে গোয়াইনঘাটের ফতেহপুর ইউনিয়নে অবস্থিত। সিএনজি কিংবা ব্যক্তিগত গাড়িতে যেতে সময় লাগে মাত্র ৪০ মিনিট থেকে ৫০ মিনিট। দুই হিজল করচ কদম বৃক্ষের ভিতর দিয়ে নৌকা নিয়ে ঘুরে ঘুরে পুরো বন দেখা যায়। শুষ্ক মৌসুমে নৌকা নিয়ে বনে প্রবেশ করে হেঁটে হেঁটে পুরো বন পরিদর্শন করা যায়। এই বিষয়টি পর্যটকদের মাঝে এডভেঞ্চার সৃষ্টি করে।
গত ২৩ মার্চ তারিখ আমি সপরিবারে সিলেটের রাতারগুল সোয়াম্প ফরেস্ট ভ্রমণে গিয়েছিলাম। রাতারগুল যাওয়ার পর বনের ভিতর ঘুরে দেখার জন্য একটি নৌকা ভাড়া করি। নৌকা ভাড়া দিতে হয়েছে ৮০০ টাকা। নৌকা ঘাটেই বাঁধা ছিল। আমরা বনে যাওয়ার জন্য নৌকায় উঠে বসি। আমাদেরকে একজন তরুণ মাঝি বৈঠা চালিয়ে নৌকা নিয়ে এগিয়ে যায় জলাবনের দিকে। সরু চিকন খাল ধরে নৌকা এগিয়ে যায়। আমাদের আগে পিছনে এই রকম আরও নৌকা এগিয়ে চলে বন দেখার জন্য। ইতোমধ্যে অনেকেই আবার বন দেখে ফিরেও আসে। যতই আমরা বনের ভিতরে প্রবেশ করি ততই আমাদের রোমাঞ্চকর অনুভূতি বাড়তে থাকে। এক পর্যায়ে আমরা মূল পয়েন্টে চলে আসি। চারদিকে গাছপালা বেষ্টিত মাঝখানে উন্মুক্ত জলরাশি রোমাঞ্চকর অনুভূতিকে আরও প্রাঞ্জল করে তোলে। আমরা মুগ্ধ হই সবাই। মাঝি আমাদেরকে বনের মাঝখানের একটা জায়গায় নামিয়ে দেয়। আমরা ঘুরে ঘুরে বনের গাছগুলো পর্যবেক্ষণ করি আর পুলকিত হই। রাতারগুল জলাবন ঘুরে দেখার মুহুর্তগুলো মোবাইলে ক্যামেরাবন্দী করি।
আমাদেরকে যে মাঝি নৌকায় করে বন ঘুরিয়ে দেখায় তার সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি রাতারগুল জলাবন পরিদর্শনের জন্য ইজারা ঘাটে ১৩৫টি নৌকা ব্যবহার করা হয়। নৌকাগুলো দুই ধরনের। এক ধরনের নৌকা একটু বড় সাইজ যা আটজন বহন করতে পারে। আরেক ধরনের নৌকা একটু ছোট সাইজ যা চারজন বহন করতে পারে। মাঝি আরও জানায়- প্রতি টুরিস্টকে এই বনে প্রবেশের জন্য ৯৭.৫০ টাকা দিতে হয়। আর নৌকা প্রতি পে করতে হয় ১১৫ টাকা। অর্থাৎ একটা নৌকা বনে প্রবেশ করলেই ১১৫ টাকা দিতে হয়।
দুই বছর আগে রাতারগুল পর্যটন কেন্দ্রে গাড়ি পার্কিংসহ একটি গণশৌচাগার নির্মাণ করা হয়। এটি একটি ভালো উদ্যোগ। তবে চৌমৌহনী বাজার থেকে রাতারগুল নৌকার ঘাট পর্যন্ত রাস্তাটি সরু এবং খানাখন্দে ভরা। পর্যটকদের জন্য বহনকারী পরিবহনের চলাচল কষ্ট হয়। শুষ্ক মৌসুমে চলাচল কিছুটা সহজ হলেও বর্ষাকালে পর্যটকদের কষ্ট বেশি হয়।
রাতারগুল পর্যটন কেন্দ্রে শুষ্ক মৌসুমের চেয়ে বর্ষাকালে পর্যটক অনেক বেশি আসে। এর কারণ হচ্ছে- বর্ষাকালে পুরো বন জলমগ্ন হয়। বৃক্ষগুলো ২০ ফুট পানির ওপরে ভেসে থাকে। পুরো বন নৌকা করে গাছগাছালির ফাঁকে ঘুরে ঘুরে দেখা যায়। বনের মাঝখানে একটা ওয়াচ-টাওয়ার ছিল যেটা ১০ বছর আগে নির্মাণ করা হয়। এই ওয়াচটাওয়ারের উপরে উঠে পর্যটকরা পুরো বন দেখতে পারতো। কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে- নির্মাণ ত্রুটির কারণে দুই বছর আগে ওয়াচ-টাওয়ারটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। ওয়াচ-টাওয়ার ব্যবহার করতে না পারায় পর্যটকরা ওপর থেকে পুরো জলাবন দেখতে বঞ্চিত হচ্ছে। কেউ কেউ ওয়াচ-টাওয়ার নষ্ট থাকায় ক্ষোভও প্রকাশ করছে।
রাতারগুল সিলেটের এক অনন্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্যময় পর্যটন কেন্দ্র। সিলেট ভ্রমণ পিপাসুদের অন্যতম পছন্দের জায়গা হচ্ছে এই রাতারগুল সোয়াম্প ফরেস্ট। একে সিলেটের সুন্দরবন নামেও ডাকা হয়। রাতারগুল পর্যটন কেন্দ্রকে আরও আকর্ষনীয় করার জন্য প্রবেশ পথ সংস্কার ও প্রশস্ত করা প্রয়োজন। প্রয়োজন ওয়াচ-টাওয়ারটি পুনর্নির্মাণ করা।
[লেখক: সহকারী অধ্যাপক, ভূগোল বিভাগ, মুক্তিযোদ্ধা কলেজ, গাজীপুর]

আপনার মতামত লিখুন