গ্রামবাংলার চিরচেনা দৃশ্য থেকে বাবুই পাখি যেন ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে। যশোরের শার্শা ও বেনাপোল অঞ্চলে এক দশক আগেও তালগাছে বাবুই পাখির বাসার দেখা মিলেছে। আজ সেই দৃশ্য বিরল। তালগাছ কমে যাওয়া, কীটনাশকের অবাধ ব্যবহার, পাখি শিকার, জলবায়ু পরিবর্তন সব মিলিয়ে বাবুইর অস্তিত্ব এখন হুমকির মুখে। এ নিয়ে সংবাদে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
তালগাছ শুধু বাবুই পাখির আশ্রয় নয়। এটি বাস্তুতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অংশ। উচ্চতা ও গঠনের কারণে বজ্রপাতের প্রাথমিক আঘাত অনেক সময় তালগাছে পড়ে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, তালগাছ বজ্রপাত থেকে পূর্ণ সুরক্ষা না দিলেও প্রকৃতির নিজস্ব একটি ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করে। নির্বিচারে তালগাছ কেটে ফেলার ফলে এই প্রাকৃতিক ভারসাম্যও বিঘ্নিত হচ্ছে। বাবুই পাখিও প্রকৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ।
দেশে বনাঞ্চল ও বৃক্ষাচ্ছাদিত এলাকা ক্রমাগত কমছে। এই প্রেক্ষাপটে সরকার ২৫ কোটি গাছ লাগানোর প্রকল্প হাতে নিয়েছে। নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুসারে দেড় হাজার কোটি টাকার এই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশীয় প্রজাতির গাছ লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে। বন অধিদপ্তর এ বছর মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত এক কোটি ৫০ লাখ চারা রোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। আগামী পাঁচ বছরে ধাপে ধাপে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।
আমরা বলতে চাই, এই কর্মসূচিতে তাল গাছ রোপণেও নজর দেয়া যেতে পারে। এতে বাবুই পাখি তার আবাস ফিরে পেতে পারে। সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি স্থানীয় কৃষক ও সচেতন নাগরিকরাও তালগাছ রোপণে অংশ নিতে পারেন। তাল গাছ থাকলে বাবুই পাখিও থাকবে। রক্ষা পাবে বাস্তুতন্ত্র। আবার ফিরে আসবে তালগাছে ঝুলে থাকা বাবুই পাখির বাসার সেই চিরচেনা দৃশ্য।

সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬
গ্রামবাংলার চিরচেনা দৃশ্য থেকে বাবুই পাখি যেন ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে। যশোরের শার্শা ও বেনাপোল অঞ্চলে এক দশক আগেও তালগাছে বাবুই পাখির বাসার দেখা মিলেছে। আজ সেই দৃশ্য বিরল। তালগাছ কমে যাওয়া, কীটনাশকের অবাধ ব্যবহার, পাখি শিকার, জলবায়ু পরিবর্তন সব মিলিয়ে বাবুইর অস্তিত্ব এখন হুমকির মুখে। এ নিয়ে সংবাদে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
তালগাছ শুধু বাবুই পাখির আশ্রয় নয়। এটি বাস্তুতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অংশ। উচ্চতা ও গঠনের কারণে বজ্রপাতের প্রাথমিক আঘাত অনেক সময় তালগাছে পড়ে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, তালগাছ বজ্রপাত থেকে পূর্ণ সুরক্ষা না দিলেও প্রকৃতির নিজস্ব একটি ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করে। নির্বিচারে তালগাছ কেটে ফেলার ফলে এই প্রাকৃতিক ভারসাম্যও বিঘ্নিত হচ্ছে। বাবুই পাখিও প্রকৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ।
দেশে বনাঞ্চল ও বৃক্ষাচ্ছাদিত এলাকা ক্রমাগত কমছে। এই প্রেক্ষাপটে সরকার ২৫ কোটি গাছ লাগানোর প্রকল্প হাতে নিয়েছে। নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুসারে দেড় হাজার কোটি টাকার এই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশীয় প্রজাতির গাছ লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে। বন অধিদপ্তর এ বছর মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত এক কোটি ৫০ লাখ চারা রোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। আগামী পাঁচ বছরে ধাপে ধাপে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।
আমরা বলতে চাই, এই কর্মসূচিতে তাল গাছ রোপণেও নজর দেয়া যেতে পারে। এতে বাবুই পাখি তার আবাস ফিরে পেতে পারে। সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি স্থানীয় কৃষক ও সচেতন নাগরিকরাও তালগাছ রোপণে অংশ নিতে পারেন। তাল গাছ থাকলে বাবুই পাখিও থাকবে। রক্ষা পাবে বাস্তুতন্ত্র। আবার ফিরে আসবে তালগাছে ঝুলে থাকা বাবুই পাখির বাসার সেই চিরচেনা দৃশ্য।

আপনার মতামত লিখুন