বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার ইউনিয়নের প্রসাদখালী গ্রামে আধা কিলোমিটারের একটি সড়কের নির্মাণকাজ আড়াই বছর ধরে বন্ধ রয়েছে। এতে প্রসাদখালীসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষকে দীর্ঘদিন ধরে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অধীনে এই সড়কটির কাজ চলছে।
উপজেলা এলজিইডি কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, সড়কটি নির্মাণের জন্য ৪০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। ‘মোল্লা ট্রেডার্স’ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সড়কটির কাজ পায়। ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে সড়কটির নির্মাণকাজের উদ্বোধন করা হলেও স্থানীয়দের দাবি, কাজ ঝুলে আছে আড়াই বছর ধরে।
গ্রামবাসীর অভিযোগ, নির্মাণের শুরু থেকেই ঠিকাদার কাজে গড়িমসি করছেন। শুরুতে সড়কটি খুঁড়ে ফেলে রাখায় বর্ষায় গর্তে পানি জমে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। পরে আবার কাজ শুরু হলে ঠিকাদার নিম্নমানের বালু মিশ্রিত খোয়া ব্যবহার করেন। এতে বাধা দেন স্থানীয়রা এবং বিষয়টি উপজেলা প্রকৌশলীকে জানান। অভিযোগের সত্যতা পেয়ে প্রকৌশলী কাজ বন্ধ করে দেন। এরপর কিছু খোয়া ও বালু ফেললেও দীর্ঘ সময় ধরে কাজ পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।
প্রসাদখালী গ্রামের বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জব্বার বলেন, ‘মাত্র আধা কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ করতে এত সময় লাগার কথা নয়। ঠিকাদার ইচ্ছা করেই কাজ ফেলে রেখে আমাদের দুর্ভোগে ফেলেছেন। প্রকৌশলীকে জানিয়েও কোনো কাজ হচ্ছে না। বর্ষা শুরু হলে এই খোয়া উঠে যাবে এবং আমাদের ভোগান্তি আরও বাড়বে।’
এ বিষয়ে জানতে সোমবার ঠিকাদারের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
আদমদীঘি উপজেলা প্রকৌশলী রিপন কুমার সাহা বলেন, ‘ঠিকাদারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। আশা করছি, অচিরেই সড়কটির নির্মাণকাজ শেষ করা হবে।’

সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬
বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার ইউনিয়নের প্রসাদখালী গ্রামে আধা কিলোমিটারের একটি সড়কের নির্মাণকাজ আড়াই বছর ধরে বন্ধ রয়েছে। এতে প্রসাদখালীসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষকে দীর্ঘদিন ধরে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অধীনে এই সড়কটির কাজ চলছে।
উপজেলা এলজিইডি কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, সড়কটি নির্মাণের জন্য ৪০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। ‘মোল্লা ট্রেডার্স’ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সড়কটির কাজ পায়। ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে সড়কটির নির্মাণকাজের উদ্বোধন করা হলেও স্থানীয়দের দাবি, কাজ ঝুলে আছে আড়াই বছর ধরে।
গ্রামবাসীর অভিযোগ, নির্মাণের শুরু থেকেই ঠিকাদার কাজে গড়িমসি করছেন। শুরুতে সড়কটি খুঁড়ে ফেলে রাখায় বর্ষায় গর্তে পানি জমে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। পরে আবার কাজ শুরু হলে ঠিকাদার নিম্নমানের বালু মিশ্রিত খোয়া ব্যবহার করেন। এতে বাধা দেন স্থানীয়রা এবং বিষয়টি উপজেলা প্রকৌশলীকে জানান। অভিযোগের সত্যতা পেয়ে প্রকৌশলী কাজ বন্ধ করে দেন। এরপর কিছু খোয়া ও বালু ফেললেও দীর্ঘ সময় ধরে কাজ পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।
প্রসাদখালী গ্রামের বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জব্বার বলেন, ‘মাত্র আধা কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ করতে এত সময় লাগার কথা নয়। ঠিকাদার ইচ্ছা করেই কাজ ফেলে রেখে আমাদের দুর্ভোগে ফেলেছেন। প্রকৌশলীকে জানিয়েও কোনো কাজ হচ্ছে না। বর্ষা শুরু হলে এই খোয়া উঠে যাবে এবং আমাদের ভোগান্তি আরও বাড়বে।’
এ বিষয়ে জানতে সোমবার ঠিকাদারের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
আদমদীঘি উপজেলা প্রকৌশলী রিপন কুমার সাহা বলেন, ‘ঠিকাদারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। আশা করছি, অচিরেই সড়কটির নির্মাণকাজ শেষ করা হবে।’

আপনার মতামত লিখুন