সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

ট্রাম্পের চাপে অনিচ্ছাসত্ত্বেও যুদ্ধবিরতি মানছে ইসরায়েল


প্রকাশ: ৮ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩৩ পিএম

ট্রাম্পের চাপে অনিচ্ছাসত্ত্বেও যুদ্ধবিরতি মানছে ইসরায়েল

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হওয়া সাময়িক যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে চরম অস্বস্তিতে রয়েছে ইসরায়েল। সামরিক লক্ষ্য অপূর্ণ থাকলেও কেবল প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান জানিয়ে অনিচ্ছাসত্ত্বেও এই যুদ্ধবিরতি মেনে নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে নেতানিয়াহু সরকার। সিএনএনের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

ইসরায়েলি একটি সূত্রের বরাত দিয়ে সিএনএন জানায়, মার্কিন প্রেসিডেন্টের ঘোষিত পথ অনুসরণ করে ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি পালন করবে, তবে এটি তাদের জন্য কোনো সুখকর সিদ্ধান্ত নয়। ইরানের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত সামরিক অভিযানগুলো মাঝপথে থমকে যাওয়ায় দেশটির কর্মকর্তাদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ কাজ করছে।

এর আগে মার্চের মাঝামাঝি সময়ে যুদ্ধবিরতি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি সরাসরি মন্তব্য না করলেও ট্রাম্পকে ‘নেতা’ এবং ‘মিত্র’ হিসেবে অভিহিত করেন।

গত ১৮ মার্চ এক সংবাদ সম্মেলনে সিএনএনকে নেতানিয়াহু স্পষ্ট করে বলেছিলেন, “শেষ পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যদি তাঁর নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন, তবে আমি কি সেই সিদ্ধান্তগুলোকে সম্মান করব? হ্যাঁ, অবশ্যই করব।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের বিরুদ্ধে পূর্ণ সামরিক লক্ষ্য অর্জনের আগেই এই যুদ্ধবিরতি ইসরায়েলের জন্য এক ধরনের কৌশলগত সীমাবদ্ধতা তৈরি করেছে। তবে মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের চাপ ও ট্রাম্পের একক সিদ্ধান্তের কারণে আপাতত পিছু হটতে হচ্ছে তেল আবিবকে।

 

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬


ট্রাম্পের চাপে অনিচ্ছাসত্ত্বেও যুদ্ধবিরতি মানছে ইসরায়েল

প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হওয়া সাময়িক যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে চরম অস্বস্তিতে রয়েছে ইসরায়েল। সামরিক লক্ষ্য অপূর্ণ থাকলেও কেবল প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান জানিয়ে অনিচ্ছাসত্ত্বেও এই যুদ্ধবিরতি মেনে নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে নেতানিয়াহু সরকার। সিএনএনের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

ইসরায়েলি একটি সূত্রের বরাত দিয়ে সিএনএন জানায়, মার্কিন প্রেসিডেন্টের ঘোষিত পথ অনুসরণ করে ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি পালন করবে, তবে এটি তাদের জন্য কোনো সুখকর সিদ্ধান্ত নয়। ইরানের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত সামরিক অভিযানগুলো মাঝপথে থমকে যাওয়ায় দেশটির কর্মকর্তাদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ কাজ করছে।

এর আগে মার্চের মাঝামাঝি সময়ে যুদ্ধবিরতি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি সরাসরি মন্তব্য না করলেও ট্রাম্পকে ‘নেতা’ এবং ‘মিত্র’ হিসেবে অভিহিত করেন।

গত ১৮ মার্চ এক সংবাদ সম্মেলনে সিএনএনকে নেতানিয়াহু স্পষ্ট করে বলেছিলেন, “শেষ পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যদি তাঁর নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন, তবে আমি কি সেই সিদ্ধান্তগুলোকে সম্মান করব? হ্যাঁ, অবশ্যই করব।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের বিরুদ্ধে পূর্ণ সামরিক লক্ষ্য অর্জনের আগেই এই যুদ্ধবিরতি ইসরায়েলের জন্য এক ধরনের কৌশলগত সীমাবদ্ধতা তৈরি করেছে। তবে মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের চাপ ও ট্রাম্পের একক সিদ্ধান্তের কারণে আপাতত পিছু হটতে হচ্ছে তেল আবিবকে।

 


সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত