সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ
নজরুলের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও দুর্নীতির অভিযোগ জমা পড়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনে
(দুদক)। আজ বুধবার সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী এই অভিযোগ দায়ের করেন। দুদক অভিযোগটি
গ্রহণ করেছে।
দায়েরকৃত অভিযোগে আসিফ নজরুলের পাশাপাশি তার তৎকালীন একান্ত
সচিব (পিএস) ও বর্তমান জেলা জজ শামসুদ্দিন মাসুমের সম্পদেরও অনুসন্ধান করার অনুরোধ
জানানো হয়েছে।
অভিযোগপত্রে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের বরাত দিয়ে
বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব পালনকালে আইন মন্ত্রণালয়ে শুধু সাব-রেজিস্ট্রার
বদলি বাণিজ্যেই প্রায় ১০০ কোটি টাকার ঘুষ লেনদেন হয়েছে। এই বদলির ক্ষেত্রে কোনো ধরনের
নীতিমালা অনুসরণ করা হয়নি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, তৎকালীন পিএস শামসুদ্দিন মাসুমের মাধ্যমে
এই বিপুল পরিমাণ অর্থ লেনদেন হয়েছে। এমনকি ঘুষের বিনিময়ে বদলির ক্ষেত্রে প্রতিশ্রুত
টাকা পরিশোধ না করায় বদলির আদেশ স্থগিত করার মতো প্রমাণও পাওয়া গেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
শামসুদ্দিন মাসুম কেবল বদলি বাণিজ্য নয়, ‘অনুরোধ ও নির্দেশ’ বাণিজ্যের মাধ্যমেও সীমাহীন
দুর্নীতিতে লিপ্ত ছিলেন বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়। এসব বিষয়ে যথাযথ অনুসন্ধান
চালিয়ে আইনি ব্যবস্থা নিতে দুদককে অনুরোধ জানিয়েছেন অভিযোগকারী আইনজীবী।

বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ
নজরুলের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও দুর্নীতির অভিযোগ জমা পড়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনে
(দুদক)। আজ বুধবার সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী এই অভিযোগ দায়ের করেন। দুদক অভিযোগটি
গ্রহণ করেছে।
দায়েরকৃত অভিযোগে আসিফ নজরুলের পাশাপাশি তার তৎকালীন একান্ত
সচিব (পিএস) ও বর্তমান জেলা জজ শামসুদ্দিন মাসুমের সম্পদেরও অনুসন্ধান করার অনুরোধ
জানানো হয়েছে।
অভিযোগপত্রে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের বরাত দিয়ে
বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব পালনকালে আইন মন্ত্রণালয়ে শুধু সাব-রেজিস্ট্রার
বদলি বাণিজ্যেই প্রায় ১০০ কোটি টাকার ঘুষ লেনদেন হয়েছে। এই বদলির ক্ষেত্রে কোনো ধরনের
নীতিমালা অনুসরণ করা হয়নি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, তৎকালীন পিএস শামসুদ্দিন মাসুমের মাধ্যমে
এই বিপুল পরিমাণ অর্থ লেনদেন হয়েছে। এমনকি ঘুষের বিনিময়ে বদলির ক্ষেত্রে প্রতিশ্রুত
টাকা পরিশোধ না করায় বদলির আদেশ স্থগিত করার মতো প্রমাণও পাওয়া গেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
শামসুদ্দিন মাসুম কেবল বদলি বাণিজ্য নয়, ‘অনুরোধ ও নির্দেশ’ বাণিজ্যের মাধ্যমেও সীমাহীন
দুর্নীতিতে লিপ্ত ছিলেন বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়। এসব বিষয়ে যথাযথ অনুসন্ধান
চালিয়ে আইনি ব্যবস্থা নিতে দুদককে অনুরোধ জানিয়েছেন অভিযোগকারী আইনজীবী।

আপনার মতামত লিখুন