দেশের
চার কোটি পরিবারকে পর্যায়ক্রমে
‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আওতায় নিয়ে আসার ঘোষণা
দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বর্তমান সরকারের মূল দর্শন ব্যক্তিকেন্দ্রিক
উন্নয়নের পরিবর্তে পরিবারকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হবে
বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বুধবার
জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে নোয়াখালী-১ আসনের সংসদ
সদস্য এ এম মাহবুব
উদ্দিনের এক প্রশ্নের জবাবে
তিনি সরকারের এই মহাপরিকল্পনার কথা
তুলে ধরেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর
উত্তরটি টেবিলে উত্থাপিত হয়।
সংসদকে
আশ্বস্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন,
দেশের নাগরিকদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বর্তমান
সরকার ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের
মূল একক’ এই দর্শনে
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
তিনি
জানান, এই প্রকল্পের প্রাথমিক
ধাপ ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে।
গত ১০ মার্চ দেশের
১০টি জেলা এবং ৩টি
সিটি করপোরেশনের মোট ৩৭ হাজার
৮১৪টি পরিবারকে পরীক্ষামূলকভাবে এই কার্ড প্রদান
করা হয়েছে। সফলতার ধারাবাহিকতায় আগামীতে দেশের প্রায় চার কোটি প্রান্তিক
ও নিম্নবিত্ত পরিবারকে পর্যায়ক্রমে এই সুবিধার আওতায়
নিয়ে আসার পরিকল্পনা সরকারের
রয়েছে।
নোয়াখালী-১ (চাটখিল ও
সোনাইমুড়ী) নির্বাচনি এলাকা নিয়ে সংসদ সদস্যের
বিশেষ আগ্রহের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আশা করছি সংসদ
সদস্যের নির্বাচনি এলাকার দরিদ্র পরিবারের নারী সদস্যদের ক্ষমতায়ন
ও স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে দ্রুততম
সময়ের মধ্যে তাদের এই ফ্যামিলি কার্ডের
আওতায় আনা সম্ভব হবে।

বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
দেশের
চার কোটি পরিবারকে পর্যায়ক্রমে
‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আওতায় নিয়ে আসার ঘোষণা
দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বর্তমান সরকারের মূল দর্শন ব্যক্তিকেন্দ্রিক
উন্নয়নের পরিবর্তে পরিবারকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হবে
বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বুধবার
জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে নোয়াখালী-১ আসনের সংসদ
সদস্য এ এম মাহবুব
উদ্দিনের এক প্রশ্নের জবাবে
তিনি সরকারের এই মহাপরিকল্পনার কথা
তুলে ধরেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর
উত্তরটি টেবিলে উত্থাপিত হয়।
সংসদকে
আশ্বস্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন,
দেশের নাগরিকদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বর্তমান
সরকার ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের
মূল একক’ এই দর্শনে
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
তিনি
জানান, এই প্রকল্পের প্রাথমিক
ধাপ ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে।
গত ১০ মার্চ দেশের
১০টি জেলা এবং ৩টি
সিটি করপোরেশনের মোট ৩৭ হাজার
৮১৪টি পরিবারকে পরীক্ষামূলকভাবে এই কার্ড প্রদান
করা হয়েছে। সফলতার ধারাবাহিকতায় আগামীতে দেশের প্রায় চার কোটি প্রান্তিক
ও নিম্নবিত্ত পরিবারকে পর্যায়ক্রমে এই সুবিধার আওতায়
নিয়ে আসার পরিকল্পনা সরকারের
রয়েছে।
নোয়াখালী-১ (চাটখিল ও
সোনাইমুড়ী) নির্বাচনি এলাকা নিয়ে সংসদ সদস্যের
বিশেষ আগ্রহের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আশা করছি সংসদ
সদস্যের নির্বাচনি এলাকার দরিদ্র পরিবারের নারী সদস্যদের ক্ষমতায়ন
ও স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে দ্রুততম
সময়ের মধ্যে তাদের এই ফ্যামিলি কার্ডের
আওতায় আনা সম্ভব হবে।

আপনার মতামত লিখুন