সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

জ্বালানি তেলের জন্য ‘হাহাকার’

গজারিয়ায় বিভিন্ন পাম্পে ‘কৃত্রিম সংকটের’ অভিযোগ


গজারিয়া প্রতিনিধি
গজারিয়া প্রতিনিধি
প্রকাশ: ৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৫৪ পিএম

গজারিয়ায় বিভিন্ন পাম্পে ‘কৃত্রিম সংকটের’ অভিযোগ

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে জ্বালানি তেলেরকৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা হয়েছেবলে অভিযোগ উঠেছে। চাহিদা অনুযায়ি তেল না পেয়ে মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনের চালকদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গজারিয়া উপজেলার আনারপুরা এলাকায় অবস্থিত জেএমআই ফিলিং স্টেশনে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কয়েকশত মোটরসাইকেল বিভিন্ন যানবাহনের দীর্ঘ সারি। বিশেষ করে মোটরসাইকেল চালকদের মধ্যে অকটেন তেলের জন্যহাহাকারলক্ষ্য করা যায়।

সেখানে উপস্থিত মোটরসাইকেল চালকরা জানান, গজারিয়া উপজেলায় আরও -৮টি ফিলিং স্টেশন থাকলেও অধিকাংশ পাম্পে নিয়মিত তেল বিক্রি করা হয় না। ফলে বাধ্য হয়ে সবাইকে আনারপুরা জে এম আই ফিলিং স্টেশনের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।

পাম্পে মোটরসাইকেলের জ্বালানি নিতে এসে লাইনে দাঁড়ানো হান্নান খান সংবাদকে বলেন, “গজারিয়ায় এতগুলো ফিলিং স্টেশন থাকলেও কোথাও তেল পাওয়া যায় না। জেএমআই ফিলিং স্টেশনে কিছুটা তেল পাচ্ছি। তবে লাইন এত বড় কখন তেল পাবো কে জানে।

জ্বালানির জন্য অপেক্ষমান আরেক বাইকার কামরুল ইসলাম বলেন, “সকাল দশটা থেকে সিরিয়ালে আছি। পাম্প থেকে বলা হচ্ছে তেলের গাড়ি এখন পর্যন্ত ডিপো থেকেই আসে নাই। কী করবো বুঝতে পারছি না।

মুন্সীগঞ্জ- আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান রতন সম্প্রতি গজারিয়া উপজেলার বিভিন্ন পেট্রোল পাম্প পরিদর্শন করেন। সময় তিনি সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশ্যে বলেন, “কোনোভাবেই কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে সাধারণ মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলা যাবে না। তেল মজুদ রেখে বিক্রি বন্ধ বা সীমিত করার প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকার নির্ধারিত নিয়ম মেনেই জ্বালানি বিক্রি করতে হবে।

কোনো সমস্যা হলে প্রশাসন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর কথাও বলেন তিনি।

জেএমআই ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার সংবাদকে বলেন, “গজারিয়া উপজেলার মধ্যে আমরা যতটুকু অকটেন তেল পাচ্ছি, তা শেষ না হওয়া পর্যন্ত গ্রাহকদের দিচ্ছি। আমরা ট্যাগ অফিসারকেও বিষয়টি নিয়মিত অবহিত করছি।

স্থানীয় বাইকারদের দাবি, অন্যান্য পেট্রোল পাম্পগুলো যদি সঠিকভাবে তেল দিতো তাহলে তাদের এতো দুর্ভোগে পড়তে হতো না। তারা বলছেন, পুলিশ-প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিলে ভোগান্তি কমবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬


গজারিয়ায় বিভিন্ন পাম্পে ‘কৃত্রিম সংকটের’ অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে জ্বালানি তেলেরকৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা হয়েছেবলে অভিযোগ উঠেছে। চাহিদা অনুযায়ি তেল না পেয়ে মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনের চালকদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গজারিয়া উপজেলার আনারপুরা এলাকায় অবস্থিত জেএমআই ফিলিং স্টেশনে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কয়েকশত মোটরসাইকেল বিভিন্ন যানবাহনের দীর্ঘ সারি। বিশেষ করে মোটরসাইকেল চালকদের মধ্যে অকটেন তেলের জন্যহাহাকারলক্ষ্য করা যায়।

সেখানে উপস্থিত মোটরসাইকেল চালকরা জানান, গজারিয়া উপজেলায় আরও -৮টি ফিলিং স্টেশন থাকলেও অধিকাংশ পাম্পে নিয়মিত তেল বিক্রি করা হয় না। ফলে বাধ্য হয়ে সবাইকে আনারপুরা জে এম আই ফিলিং স্টেশনের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।

পাম্পে মোটরসাইকেলের জ্বালানি নিতে এসে লাইনে দাঁড়ানো হান্নান খান সংবাদকে বলেন, “গজারিয়ায় এতগুলো ফিলিং স্টেশন থাকলেও কোথাও তেল পাওয়া যায় না। জেএমআই ফিলিং স্টেশনে কিছুটা তেল পাচ্ছি। তবে লাইন এত বড় কখন তেল পাবো কে জানে।

জ্বালানির জন্য অপেক্ষমান আরেক বাইকার কামরুল ইসলাম বলেন, “সকাল দশটা থেকে সিরিয়ালে আছি। পাম্প থেকে বলা হচ্ছে তেলের গাড়ি এখন পর্যন্ত ডিপো থেকেই আসে নাই। কী করবো বুঝতে পারছি না।

মুন্সীগঞ্জ- আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান রতন সম্প্রতি গজারিয়া উপজেলার বিভিন্ন পেট্রোল পাম্প পরিদর্শন করেন। সময় তিনি সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশ্যে বলেন, “কোনোভাবেই কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে সাধারণ মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলা যাবে না। তেল মজুদ রেখে বিক্রি বন্ধ বা সীমিত করার প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকার নির্ধারিত নিয়ম মেনেই জ্বালানি বিক্রি করতে হবে।

কোনো সমস্যা হলে প্রশাসন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর কথাও বলেন তিনি।

জেএমআই ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার সংবাদকে বলেন, “গজারিয়া উপজেলার মধ্যে আমরা যতটুকু অকটেন তেল পাচ্ছি, তা শেষ না হওয়া পর্যন্ত গ্রাহকদের দিচ্ছি। আমরা ট্যাগ অফিসারকেও বিষয়টি নিয়মিত অবহিত করছি।

স্থানীয় বাইকারদের দাবি, অন্যান্য পেট্রোল পাম্পগুলো যদি সঠিকভাবে তেল দিতো তাহলে তাদের এতো দুর্ভোগে পড়তে হতো না। তারা বলছেন, পুলিশ-প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিলে ভোগান্তি কমবে।


সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত