সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

দোয়েল চত্বরে নববর্ষের রঙ: মাটির টানে ঐতিহ্যের কেনাকাটা


আজিজ চৌধুরী
আজিজ চৌধুরী
প্রকাশ: ১০ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৫৬ পিএম

দোয়েল চত্বরে নববর্ষের রঙ: মাটির টানে ঐতিহ্যের কেনাকাটা

শহরজুড়ে এখন উৎসবের হিরিক! বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখকে বরণ করে নিতে মেতেছে দেশ। আর এই উৎসবের রঙ সবচেয়ে বেশি লেগেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দোয়েল চত্বর এলাকায়। সারাবছর এখানে মৃৎশিল্পের দেখা মিললেও, নববর্ষের এই সময়ে চারপাশ যেন হয়ে উঠেছে এক টুকরো গ্রামবাংলা।

দোয়েল চত্বরের ফুটপাত ঘেঁষে সারি সারি দোকানে এখন বৈশাখী পণ্যের পসরা। বাঁশের তৈরি ডালা, কুলা থেকে শুরু করে বাহারি রঙের হাতপাখা কী নেই সেখানে! গ্রামীণ ঐতিহ্যের ছোঁয়া লেগেছে প্রতিটি পণ্যে। বিশেষ করে ছোটবেলার স্মৃতিমাখা মাটির হাঁড়ি-পাতিল, খালুই আর মাছ ধরার পলোর শৈল্পিক রূপ দেখে মুগ্ধ হচ্ছেন দর্শনার্থীরা।

আসন্ন নববর্ষ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দকে কেন্দ্র করে হস্তশিল্পের ওপর নিপুণ হাতে লেখা ‘শুভ নববর্ষ ১৪৩৩’ সংবলিত শোপিসগুলো এবার ক্রেতাদের প্রধান আকর্ষণে পরিণত হয়েছে। ঘর সাজাতে অনেকে বেছে নিচ্ছেন রঙ-বেরঙের ঘুড়ি। আবার সংস্কৃতির টানে কেউ কেউ একতারা হাতে নিয়ে মেতে উঠছেন টুংটাং সুরে।

সাধ্যের মধ্যে ঐতিহ্যের স্বাদ নিতে দোয়েল চত্বর এখন ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর। সব বয়সী মানুষের হাসিমুখ আর কেনাকাটার ব্যস্ততা যেন জানান দিচ্ছে নতুন বছরের আগমনী বার্তা।

বিক্রেতারা জানান, প্রতি বছরের মতো এবারও হাতে তৈরি জিনিসের কদর অনেক বেশি। মাটির গয়না থেকে শুরু করে ঘর সাজানোর সামগ্রী সবই বিক্রি হচ্ছে দেদারসে। সাধ আর সাধ্যের মেলবন্ধনে পছন্দের জিনিসটি বগলদাবা করে হাসি মুখে বাড়ি ফিরছেন মেলায় আসা মানুষজন।

বাঙালির এই চিরায়ত উৎসবের রঙে রঙিন হয়ে দোয়েল চত্বর এখন এক প্রাণবন্ত মিলনমেলা।

 

 

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬


দোয়েল চত্বরে নববর্ষের রঙ: মাটির টানে ঐতিহ্যের কেনাকাটা

প্রকাশের তারিখ : ১০ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

শহরজুড়ে এখন উৎসবের হিরিক! বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখকে বরণ করে নিতে মেতেছে দেশ। আর এই উৎসবের রঙ সবচেয়ে বেশি লেগেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দোয়েল চত্বর এলাকায়। সারাবছর এখানে মৃৎশিল্পের দেখা মিললেও, নববর্ষের এই সময়ে চারপাশ যেন হয়ে উঠেছে এক টুকরো গ্রামবাংলা।

দোয়েল চত্বরের ফুটপাত ঘেঁষে সারি সারি দোকানে এখন বৈশাখী পণ্যের পসরা। বাঁশের তৈরি ডালা, কুলা থেকে শুরু করে বাহারি রঙের হাতপাখা কী নেই সেখানে! গ্রামীণ ঐতিহ্যের ছোঁয়া লেগেছে প্রতিটি পণ্যে। বিশেষ করে ছোটবেলার স্মৃতিমাখা মাটির হাঁড়ি-পাতিল, খালুই আর মাছ ধরার পলোর শৈল্পিক রূপ দেখে মুগ্ধ হচ্ছেন দর্শনার্থীরা।

আসন্ন নববর্ষ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দকে কেন্দ্র করে হস্তশিল্পের ওপর নিপুণ হাতে লেখা ‘শুভ নববর্ষ ১৪৩৩’ সংবলিত শোপিসগুলো এবার ক্রেতাদের প্রধান আকর্ষণে পরিণত হয়েছে। ঘর সাজাতে অনেকে বেছে নিচ্ছেন রঙ-বেরঙের ঘুড়ি। আবার সংস্কৃতির টানে কেউ কেউ একতারা হাতে নিয়ে মেতে উঠছেন টুংটাং সুরে।

সাধ্যের মধ্যে ঐতিহ্যের স্বাদ নিতে দোয়েল চত্বর এখন ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর। সব বয়সী মানুষের হাসিমুখ আর কেনাকাটার ব্যস্ততা যেন জানান দিচ্ছে নতুন বছরের আগমনী বার্তা।

বিক্রেতারা জানান, প্রতি বছরের মতো এবারও হাতে তৈরি জিনিসের কদর অনেক বেশি। মাটির গয়না থেকে শুরু করে ঘর সাজানোর সামগ্রী সবই বিক্রি হচ্ছে দেদারসে। সাধ আর সাধ্যের মেলবন্ধনে পছন্দের জিনিসটি বগলদাবা করে হাসি মুখে বাড়ি ফিরছেন মেলায় আসা মানুষজন।

বাঙালির এই চিরায়ত উৎসবের রঙে রঙিন হয়ে দোয়েল চত্বর এখন এক প্রাণবন্ত মিলনমেলা।

 

 


সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত