সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

ইস্টার সানডে উপলক্ষে রাশিয়ার ৩২ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতি ঘোষণা


প্রকাশ: ১০ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৫২ পিএম

ইস্টার সানডে উপলক্ষে রাশিয়ার ৩২ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতি ঘোষণা

পবিত্র ইস্টার সানডে উপলক্ষে ইউক্রেন যুদ্ধে ৩২ ঘণ্টার সাময়িক যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে রাশিয়া। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নির্দেশে শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকেল থেকে শুরু হয়ে এই বিরতি চলবে রোববার (১২ এপ্রিল) মধ্যরাত পর্যন্ত।

ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শনিবার স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা থেকে সব ফ্রন্টলাইনে সাময়িকভাবে হামলা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মূলত ধর্মীয় উৎসব পালনের সুযোগ করে দিতেই এই পদক্ষেপ নিয়েছেন পুতিন। তবে শান্তির বার্তার পাশাপাশি সতর্কবার্তাও দিয়েছে মস্কো। রুশ সেনাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন যেকোনো সম্ভাব্য উসকানি মোকাবিলায় তারা প্রস্তুত থাকে।

মস্কোর এই আহ্বানে কিয়েভের প্রতিক্রিয়া এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট না হলেও ইতিবাচক ইঙ্গিত মিলেছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, ইউক্রেন সমান পদক্ষেপে সাড়া দিতে প্রস্তুত। তবে অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতার কারণে এই প্রস্তাবকে ঘিরে সন্দেহও রয়ে গেছে। এর আগে বহুবার অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছিল।

বর্তমানে প্রায় ৮০০ মাইল দীর্ঘ ফ্রন্টলাইনে দুই দেশের লড়াই অব্যাহত রয়েছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা এই ৩২ ঘণ্টাকে শান্তির চেয়ে বেশি ‘পরীক্ষামূলক বিরতি’ হিসেবে দেখছেন। এর কারণগুলো হলো:

  • মানবিক দিক: দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের মাঝে সাধারণ মানুষের জন্য এই বিরতি কিছুটা স্বস্তি নিয়ে আসতে পারে।
  • রাজনৈতিক মতভেদ: কিয়েভ স্থায়ী ও পূর্ণ যুদ্ধবিরতির দাবিতে অটল থাকলেও মস্কো চায় বিস্তৃত রাজনৈতিক সমাধান।
  • আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা: যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন পক্ষ শান্তি আলোচনার চেষ্টা চালালেও এই অবস্থানগত পার্থক্যের কারণে অগ্রগতি সীমিত হয়ে আছে।

ইস্টারের এই সাময়িক বিরতি শেষ পর্যন্ত কতটা কার্যকর হবে এবং দুই পক্ষই এটি কতটা মেনে চলবে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে আছে বিশ্ব সম্প্রদায়।

 

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬


ইস্টার সানডে উপলক্ষে রাশিয়ার ৩২ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতি ঘোষণা

প্রকাশের তারিখ : ১০ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

পবিত্র ইস্টার সানডে উপলক্ষে ইউক্রেন যুদ্ধে ৩২ ঘণ্টার সাময়িক যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে রাশিয়া। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নির্দেশে শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকেল থেকে শুরু হয়ে এই বিরতি চলবে রোববার (১২ এপ্রিল) মধ্যরাত পর্যন্ত।

ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শনিবার স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা থেকে সব ফ্রন্টলাইনে সাময়িকভাবে হামলা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মূলত ধর্মীয় উৎসব পালনের সুযোগ করে দিতেই এই পদক্ষেপ নিয়েছেন পুতিন। তবে শান্তির বার্তার পাশাপাশি সতর্কবার্তাও দিয়েছে মস্কো। রুশ সেনাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন যেকোনো সম্ভাব্য উসকানি মোকাবিলায় তারা প্রস্তুত থাকে।

মস্কোর এই আহ্বানে কিয়েভের প্রতিক্রিয়া এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট না হলেও ইতিবাচক ইঙ্গিত মিলেছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, ইউক্রেন সমান পদক্ষেপে সাড়া দিতে প্রস্তুত। তবে অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতার কারণে এই প্রস্তাবকে ঘিরে সন্দেহও রয়ে গেছে। এর আগে বহুবার অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছিল।

বর্তমানে প্রায় ৮০০ মাইল দীর্ঘ ফ্রন্টলাইনে দুই দেশের লড়াই অব্যাহত রয়েছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা এই ৩২ ঘণ্টাকে শান্তির চেয়ে বেশি ‘পরীক্ষামূলক বিরতি’ হিসেবে দেখছেন। এর কারণগুলো হলো:

  • মানবিক দিক: দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের মাঝে সাধারণ মানুষের জন্য এই বিরতি কিছুটা স্বস্তি নিয়ে আসতে পারে।
  • রাজনৈতিক মতভেদ: কিয়েভ স্থায়ী ও পূর্ণ যুদ্ধবিরতির দাবিতে অটল থাকলেও মস্কো চায় বিস্তৃত রাজনৈতিক সমাধান।
  • আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা: যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন পক্ষ শান্তি আলোচনার চেষ্টা চালালেও এই অবস্থানগত পার্থক্যের কারণে অগ্রগতি সীমিত হয়ে আছে।

ইস্টারের এই সাময়িক বিরতি শেষ পর্যন্ত কতটা কার্যকর হবে এবং দুই পক্ষই এটি কতটা মেনে চলবে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে আছে বিশ্ব সম্প্রদায়।

 


সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত