সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

অতীতের সেই বিশেষ চিঠি

তারেক রহমানের সৌজন্যবোধে মুগ্ধ পূর্ণিমার স্মৃতিচারণ


প্রকাশ: ১০ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৪৫ পিএম

তারেক রহমানের সৌজন্যবোধে মুগ্ধ পূর্ণিমার স্মৃতিচারণ

ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পূর্ণিমার দীর্ঘ ক্যারিয়ারের ঝুলিতে আছে অসংখ্য পুরস্কার আর দর্শকদের অফুরন্ত ভালোবাসা। তবে সাফল্যের এই ভিড়েও একটি বিশেষ স্মৃতি আজও তার হৃদয়ে অমলিন হয়ে আছে, যা প্রায় দুই দশক আগের এক ব্যক্তিগত শুভেচ্ছাবার্তা।

সম্প্রতি রুম্মান রশীদ খানের সঞ্চালনায় ‘বিহাইন্ড দ্য ফেইম উইথ আরআরকে’ পডকাস্টে অংশ নিয়ে পূর্ণিমা তার জীবনের সেই অজানা ও চমকপ্রদ গল্পটি শেয়ার করেছেন।
এই সাক্ষাৎকারে তিনি তুলে ধরেছেন ২০০৩ সালের সেই দিনগুলোর কথা, যখন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সৌজন্যবোধ মুগ্ধ করেছিলো পুরো ঢালিউডকে।
​পূর্ণিমা জানান, ২০০৩ সালে তার অভিনীত কালজয়ী সিনেমা ‘মনের মাঝে তুমি’ মুক্তি পাওয়ার পর চারদিকে ব্যাপক সাড়া পড়েছিল। সেই সময়ে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান সিনেমাটি দেখে মুগ্ধ হয়ে একটি শুভেচ্ছাপত্র পাঠিয়েছিলেন।
সেদিনের সেই স্মৃতির কথা টেনে পূর্ণিমা বলেন, ‘তিনি ‘মনের মাঝে তুমি’র সব অভিনয়শিল্পীর নাম উল্লেখ করে একটি শুভেচ্ছা বার্তা পাঠিয়েছিলেন। সেখানে লিখেছিলেন, এমন সিনেমা নিয়মিতভাবে নির্মাণ হওয়া প্রয়োজন। আমরা যেন ভালো কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারি, এই কামনাও করেছিলেন তিনি। তার এই সৌজন্যবোধ আমাদের সবাইকে মুগ্ধ করেছিল।’
পূর্ণিমা আরও যোগ করেন, তখন বর্তমানের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রচলন ছিল না, তাই তার মা অনেক পরিচিত সাংবাদিককে সেই চিঠিটি দেখিয়ে আনন্দ ভাগ করে নিয়েছিলেন।
​একই অনুষ্ঠানে নিজের ক্যারিয়ারের আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাঁক নিয়ে কথা বলেন এই অভিনেত্রী। তিনি জানান, সমসাময়িক নির্মাতা রায়হান রাফীর ‘দহন’ ও ‘প্রেশার কুকার’ সিনেমায় অভিনয়ের প্রস্তাব পেয়েছিলেন তিনি এবং ‘দহন’ সিনেমাটিতে চুক্তিবদ্ধও হয়েছিলেন।
১৯৯৮ সালে ‘এ জীবন তোমার আমার’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে পা রাখা এই নায়িকা আরও প্রকাশ করেছেন, তার প্রথম সিনেমায় তিনি মোটেও প্রথম পছন্দ ছিলেন না, বরং অন্য এক জনপ্রিয় নায়িকার পরিবর্তে তিনি সেই সুযোগটি পেয়েছিলেন।
​জেড আই ফয়সালের প্রযোজনায় এই পডকাস্টটি বিনোদন প্রেমীদের জন্য নিয়ে আসছে আরও অনেক অজানা তথ্য। সিনেমার সোনালী অতীত থেকে বর্তমানের চ্যালেঞ্জ, সবকিছু নিয়েই মনখোলা আড্ডায় মাততে দেখা যাবে প্রিয় পূর্ণিমাকে। বিশেষ করে বর্তমান সরকার প্রধানের পক্ষ থেকে দীর্ঘ সময় আগে পাওয়া সেই স্বীকৃতি ও অনুপ্রেরণার গল্পটি নতুন করে আলোচনায় নিয়ে এসেছে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পের প্রতি রাজনৈতিক নেতৃত্বের গভীর অনুরাগের বিষয়টি। সব মিলিয়ে পূর্ণিমার এই স্মৃতিচারণ কেবল একটি ক্যারিয়ারের গল্প নয়, বরং ঢাকাই সিনেমার এক সোনালী সময়ের দলিল হিসেবেই ধরা দিয়েছে দর্শকদের কাছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬


তারেক রহমানের সৌজন্যবোধে মুগ্ধ পূর্ণিমার স্মৃতিচারণ

প্রকাশের তারিখ : ১০ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পূর্ণিমার দীর্ঘ ক্যারিয়ারের ঝুলিতে আছে অসংখ্য পুরস্কার আর দর্শকদের অফুরন্ত ভালোবাসা। তবে সাফল্যের এই ভিড়েও একটি বিশেষ স্মৃতি আজও তার হৃদয়ে অমলিন হয়ে আছে, যা প্রায় দুই দশক আগের এক ব্যক্তিগত শুভেচ্ছাবার্তা।

সম্প্রতি রুম্মান রশীদ খানের সঞ্চালনায় ‘বিহাইন্ড দ্য ফেইম উইথ আরআরকে’ পডকাস্টে অংশ নিয়ে পূর্ণিমা তার জীবনের সেই অজানা ও চমকপ্রদ গল্পটি শেয়ার করেছেন।
এই সাক্ষাৎকারে তিনি তুলে ধরেছেন ২০০৩ সালের সেই দিনগুলোর কথা, যখন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সৌজন্যবোধ মুগ্ধ করেছিলো পুরো ঢালিউডকে।
​পূর্ণিমা জানান, ২০০৩ সালে তার অভিনীত কালজয়ী সিনেমা ‘মনের মাঝে তুমি’ মুক্তি পাওয়ার পর চারদিকে ব্যাপক সাড়া পড়েছিল। সেই সময়ে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান সিনেমাটি দেখে মুগ্ধ হয়ে একটি শুভেচ্ছাপত্র পাঠিয়েছিলেন।
সেদিনের সেই স্মৃতির কথা টেনে পূর্ণিমা বলেন, ‘তিনি ‘মনের মাঝে তুমি’র সব অভিনয়শিল্পীর নাম উল্লেখ করে একটি শুভেচ্ছা বার্তা পাঠিয়েছিলেন। সেখানে লিখেছিলেন, এমন সিনেমা নিয়মিতভাবে নির্মাণ হওয়া প্রয়োজন। আমরা যেন ভালো কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারি, এই কামনাও করেছিলেন তিনি। তার এই সৌজন্যবোধ আমাদের সবাইকে মুগ্ধ করেছিল।’
পূর্ণিমা আরও যোগ করেন, তখন বর্তমানের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রচলন ছিল না, তাই তার মা অনেক পরিচিত সাংবাদিককে সেই চিঠিটি দেখিয়ে আনন্দ ভাগ করে নিয়েছিলেন।
​একই অনুষ্ঠানে নিজের ক্যারিয়ারের আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাঁক নিয়ে কথা বলেন এই অভিনেত্রী। তিনি জানান, সমসাময়িক নির্মাতা রায়হান রাফীর ‘দহন’ ও ‘প্রেশার কুকার’ সিনেমায় অভিনয়ের প্রস্তাব পেয়েছিলেন তিনি এবং ‘দহন’ সিনেমাটিতে চুক্তিবদ্ধও হয়েছিলেন।
১৯৯৮ সালে ‘এ জীবন তোমার আমার’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে পা রাখা এই নায়িকা আরও প্রকাশ করেছেন, তার প্রথম সিনেমায় তিনি মোটেও প্রথম পছন্দ ছিলেন না, বরং অন্য এক জনপ্রিয় নায়িকার পরিবর্তে তিনি সেই সুযোগটি পেয়েছিলেন।
​জেড আই ফয়সালের প্রযোজনায় এই পডকাস্টটি বিনোদন প্রেমীদের জন্য নিয়ে আসছে আরও অনেক অজানা তথ্য। সিনেমার সোনালী অতীত থেকে বর্তমানের চ্যালেঞ্জ, সবকিছু নিয়েই মনখোলা আড্ডায় মাততে দেখা যাবে প্রিয় পূর্ণিমাকে। বিশেষ করে বর্তমান সরকার প্রধানের পক্ষ থেকে দীর্ঘ সময় আগে পাওয়া সেই স্বীকৃতি ও অনুপ্রেরণার গল্পটি নতুন করে আলোচনায় নিয়ে এসেছে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পের প্রতি রাজনৈতিক নেতৃত্বের গভীর অনুরাগের বিষয়টি। সব মিলিয়ে পূর্ণিমার এই স্মৃতিচারণ কেবল একটি ক্যারিয়ারের গল্প নয়, বরং ঢাকাই সিনেমার এক সোনালী সময়ের দলিল হিসেবেই ধরা দিয়েছে দর্শকদের কাছে।


সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত