শিগগিরই দেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের যে ঘোষণা সরকার দিয়েছে তাতে প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও রুহুল আমিন হাওলাদারের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি।
শনিবার (১১ এপ্রিল) ঢাকার গুলশানে চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদের বাসভবনে প্রেসিডিয়াম সভায় এ সিদ্ধান্ত হয় বলে দলের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
এছাড়া, ঢাকাসহ সারাদেশে সাংগঠনিক কর্মসূচি জোরদার করতে আগামী (মে) মাসে কেন্দ্রীয় বিশেষ প্রতিনিধি সভা আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়েছে সভায়।
আনিসুল ইসলাম মাহমুদের সভাপতিত্বে সভায় সূচনা বক্তব্য রাখেন মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার।
দলকে তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠিত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হবে জানিয়ে মহাসচিব বলেন, “হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে পারলে অবশ্যই দেশের মানুষ আবারো জাতীয় পার্টিকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় নিয়ে আসবে। তবে তার আগে দলকে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে হবে।”
সভায় বক্তব্য রাখেন দলের নির্বাহী চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চুন্নু, সিনিয়ার কো-চেয়ারম্যান কাজী ফিরোজ রশিদ, কো- চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, সাহিদুর রহমান টেপা,জহিরুল ইসলাম জহির ও মোস্তফা আল মাহমুদ।
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের ওপর আদালতের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আসার পর গত বছর ৯ আগস্ট ‘ঐক্য সম্মেলন’ করে আলাদা হয়ে যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, রুহুল আমিন হাওলাদারসহ দলেন কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা। এরশাদের স্ত্রী রওশনের অংশ থেকে বেরিয়ে কাজী ফিরোজ রশীদ, আবু হোসেন বাবলাও যোগ দেন তাদের সঙ্গে।

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬
শিগগিরই দেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের যে ঘোষণা সরকার দিয়েছে তাতে প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও রুহুল আমিন হাওলাদারের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি।
শনিবার (১১ এপ্রিল) ঢাকার গুলশানে চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদের বাসভবনে প্রেসিডিয়াম সভায় এ সিদ্ধান্ত হয় বলে দলের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
এছাড়া, ঢাকাসহ সারাদেশে সাংগঠনিক কর্মসূচি জোরদার করতে আগামী (মে) মাসে কেন্দ্রীয় বিশেষ প্রতিনিধি সভা আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়েছে সভায়।
আনিসুল ইসলাম মাহমুদের সভাপতিত্বে সভায় সূচনা বক্তব্য রাখেন মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার।
দলকে তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠিত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হবে জানিয়ে মহাসচিব বলেন, “হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে পারলে অবশ্যই দেশের মানুষ আবারো জাতীয় পার্টিকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় নিয়ে আসবে। তবে তার আগে দলকে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে হবে।”
সভায় বক্তব্য রাখেন দলের নির্বাহী চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চুন্নু, সিনিয়ার কো-চেয়ারম্যান কাজী ফিরোজ রশিদ, কো- চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, সাহিদুর রহমান টেপা,জহিরুল ইসলাম জহির ও মোস্তফা আল মাহমুদ।
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের ওপর আদালতের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আসার পর গত বছর ৯ আগস্ট ‘ঐক্য সম্মেলন’ করে আলাদা হয়ে যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, রুহুল আমিন হাওলাদারসহ দলেন কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা। এরশাদের স্ত্রী রওশনের অংশ থেকে বেরিয়ে কাজী ফিরোজ রশীদ, আবু হোসেন বাবলাও যোগ দেন তাদের সঙ্গে।

আপনার মতামত লিখুন