শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে পুরোপুরি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার আওতায় আনতে সংসদ সদস্যদের কড়া সমালোচনার মুখোমুখি হতেও কোনো আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন।
তিনি
সংসদ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, আমি চাই জাতীয়
সংসদে এমপিরা প্রতিনিয়ত শিক্ষা সংক্রান্ত জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নোটিশ দেবেন। প্রয়োজনে জবাবদিহিতার জন্য আমি কাঠগড়ায়
দাঁড়াতেও বদ্ধপরিকর। কারণ সংসদে শিক্ষার
নানা অসংগতি নিয়ে ঝড় উঠলে
সরকার বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নেবে, যা
ছাত্র ও শিক্ষক সমাজসহ
দেশের সবার জন্যই মঙ্গলজনক
হবে।
সোমবার
যশোর শিক্ষা বোর্ড আয়োজিত ২০২৬ সালের এসএসসি
ও সমমান পরীক্ষার কেন্দ্র সচিবদের সাথে এক গুরুত্বপূর্ণ
মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির
বক্তব্যে তিনি এসব কথা
বলেন। সভায় শিক্ষামন্ত্রী দেশের
শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ইঙ্গিত
দিয়ে ভর্তি ও রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ায়
নতুন নির্দেশনার কথা জানান।
শিক্ষাক্ষেত্রে
শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের হয়রানি
বন্ধের ওপর জোর দিয়ে
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম
এহছানুল হক মিলন বলেন,
এক মুরগি তিনবার জবাই করা যাবে
না। ঠিক তেমনি শিক্ষাক্ষেত্রে
একজন শিক্ষার্থীকে একবারই রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এক
ক্লাস থেকে অন্য ক্লাসে
উত্তীর্ণ হওয়ার সময় নতুন করে
পুনরায় ভর্তির যে প্রথা চালু
আছে, সেটি গুরুত্বের সাথে
বিবেচনার জন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের
নির্দেশ দেন।
মন্ত্রী
স্পষ্ট করে বলেন, আগামীর
স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে সুশিক্ষার কোনো
বিকল্প নেই, আর এই
লক্ষ্যেই প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন।
বর্তমান
সময়ে তাকে নিয়ে সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে চলমান নানা ট্রল ও
আলোচনা প্রসঙ্গে তিনি সহাস্যে বলেন,
আমাকে নিয়ে অনেকেই নানাভাবে
‘ট্রল’ করছে, আমি এটি বেশ
‘এনজয়’ করছি।
পরীক্ষায়
অসদুপায় বা নকলের আধুনিক
প্রবণতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ
করে মন্ত্রী বলেন, করোনার ভেরিয়েন্টের মতো এখন নকলেরও
নানা ভেরিয়েন্ট তৈরি হয়েছে, যাকে
বলা যায় ডিজিটাল নকল।
তবে এই অশুভ প্রবণতার
জন্য তিনি শিক্ষার্থীদের চেয়ে
শিক্ষকদের দায় বেশি বলে
মনে করেন।
ড. মিলন বলেন, ছেলেমেয়েরা
যদি নকল করতে চায়,
সেটি কেবল তাদের দুর্বলতা
নয় বরং এটি শিক্ষকদের
ব্যর্থতা। কেন বাচ্চারা নকলের
পথ বেছে নিতে চাইছে,
সেই মূল কারণটি আমাদের
খুঁজে বের করতে হবে
এবং স্থায়ী সমাধানের দিকে এগোতে হবে।
যশোর
শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোসাম্মৎ আসমা
বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই মতবিনিময় সভায়
উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক নার্গিস বেগম, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রুহুল আমিন এবং মাদরাসা
শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মিয়া নুরুল হক।
বক্তারা পরীক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে কেন্দ্র
সচিবদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬
শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে পুরোপুরি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার আওতায় আনতে সংসদ সদস্যদের কড়া সমালোচনার মুখোমুখি হতেও কোনো আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন।
তিনি
সংসদ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, আমি চাই জাতীয়
সংসদে এমপিরা প্রতিনিয়ত শিক্ষা সংক্রান্ত জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নোটিশ দেবেন। প্রয়োজনে জবাবদিহিতার জন্য আমি কাঠগড়ায়
দাঁড়াতেও বদ্ধপরিকর। কারণ সংসদে শিক্ষার
নানা অসংগতি নিয়ে ঝড় উঠলে
সরকার বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নেবে, যা
ছাত্র ও শিক্ষক সমাজসহ
দেশের সবার জন্যই মঙ্গলজনক
হবে।
সোমবার
যশোর শিক্ষা বোর্ড আয়োজিত ২০২৬ সালের এসএসসি
ও সমমান পরীক্ষার কেন্দ্র সচিবদের সাথে এক গুরুত্বপূর্ণ
মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির
বক্তব্যে তিনি এসব কথা
বলেন। সভায় শিক্ষামন্ত্রী দেশের
শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ইঙ্গিত
দিয়ে ভর্তি ও রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ায়
নতুন নির্দেশনার কথা জানান।
শিক্ষাক্ষেত্রে
শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের হয়রানি
বন্ধের ওপর জোর দিয়ে
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম
এহছানুল হক মিলন বলেন,
এক মুরগি তিনবার জবাই করা যাবে
না। ঠিক তেমনি শিক্ষাক্ষেত্রে
একজন শিক্ষার্থীকে একবারই রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এক
ক্লাস থেকে অন্য ক্লাসে
উত্তীর্ণ হওয়ার সময় নতুন করে
পুনরায় ভর্তির যে প্রথা চালু
আছে, সেটি গুরুত্বের সাথে
বিবেচনার জন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের
নির্দেশ দেন।
মন্ত্রী
স্পষ্ট করে বলেন, আগামীর
স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে সুশিক্ষার কোনো
বিকল্প নেই, আর এই
লক্ষ্যেই প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন।
বর্তমান
সময়ে তাকে নিয়ে সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে চলমান নানা ট্রল ও
আলোচনা প্রসঙ্গে তিনি সহাস্যে বলেন,
আমাকে নিয়ে অনেকেই নানাভাবে
‘ট্রল’ করছে, আমি এটি বেশ
‘এনজয়’ করছি।
পরীক্ষায়
অসদুপায় বা নকলের আধুনিক
প্রবণতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ
করে মন্ত্রী বলেন, করোনার ভেরিয়েন্টের মতো এখন নকলেরও
নানা ভেরিয়েন্ট তৈরি হয়েছে, যাকে
বলা যায় ডিজিটাল নকল।
তবে এই অশুভ প্রবণতার
জন্য তিনি শিক্ষার্থীদের চেয়ে
শিক্ষকদের দায় বেশি বলে
মনে করেন।
ড. মিলন বলেন, ছেলেমেয়েরা
যদি নকল করতে চায়,
সেটি কেবল তাদের দুর্বলতা
নয় বরং এটি শিক্ষকদের
ব্যর্থতা। কেন বাচ্চারা নকলের
পথ বেছে নিতে চাইছে,
সেই মূল কারণটি আমাদের
খুঁজে বের করতে হবে
এবং স্থায়ী সমাধানের দিকে এগোতে হবে।
যশোর
শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোসাম্মৎ আসমা
বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই মতবিনিময় সভায়
উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক নার্গিস বেগম, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রুহুল আমিন এবং মাদরাসা
শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মিয়া নুরুল হক।
বক্তারা পরীক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে কেন্দ্র
সচিবদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন