ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান অস্থিরতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশের মোট রেমিট্যান্সের বড় একটি অংশ অর্থাৎ ৩২ শতাংশই এককভাবে আহরণ করে ইসলামী ব্যাংক। এই বিশাল অবদান রাখা ব্যাংকটির অস্তিত্ব যদি কোনোভাবে বিপন্ন হয়, তবে বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনীতি কার্যত বঙ্গোপসাগরে তলিয়ে যাবে।
সোমবার
রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউট (আইইডিবি) মিলনায়তনে আয়োজিত এক জাতীয় সেমিনারে
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব হুঁশিয়ারি
উচ্চারণ করেন। ‘গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে সরকার: সংকটের মুখোমুখি দেশ’ শীর্ষক এই
সেমিনারের আয়োজন করে ১১ দলীয়
ঐক্যজোট।
ব্যাংকিং
খাতের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে জামায়াত
আমির অত্যন্ত কড়া ভাষায় বলেন,
আমি পরিষ্কারভাবে সাবধান করে দিচ্ছি, এই
প্রতিষ্ঠানগুলোকে দয়া করে দলীয়করণ
করবেন না। যদি আপনারা
ব্যাংকগুলোকে একটার পর একটা দলীয়করণের
কবলে ফেলেন, তবে এ দেশের
সাধারণ জনগণ আপনাদের কখনোই
ছেড়ে কথা বলবে না।
আমাদের মনে রাখতে হবে,
দেশের প্রতিটি ব্যাংকের প্রকৃত মালিক হচ্ছে সাধারণ জনগণ। তাই আমি জনগণকে
বলবো, আপনারা জেগে উঠুন, জোরালো
আওয়াজ তুলুন এবং যারা ব্যাংক
লুটে মত্ত তাদের কদর্য
চেহারা জাতির সামনে উন্মুক্ত করে দিন। যেকোনো
মূল্যে এই ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড
এখনই থামিয়ে দিতে হবে।
সেমিনারে
শফিকুর রহমান আরও উল্লেখ করেন,
বর্তমান বিরোধী শক্তি কেবল ক্ষমতার পরিবর্তন
নয়, বরং দেশের রাজনৈতিক
সংস্কৃতির আমূল পরিবর্তন ঘটাতে
চায়।
তিনি
স্পষ্ট করে বলেন, অর্থনীতি,
সংস্কৃতি, শিক্ষাব্যবস্থা কিংবা দেশের আইন অঙ্গন; যেখানেই
অপসংস্কৃতি বাসা বাঁধবে, সেখানেই
ইনশাআল্লাহ আমরা বসে থাকবো
না। যেখানেই অনিয়ম দেখা দেবে, সেখানেই
সাধারণ জনগণকে সাথে নিয়ে তীব্র
প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।
ব্যাংকিং
সেক্টরসহ দেশের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ রক্ষায় জামায়াতে ইসলামী আপোসহীন ভূমিকা পালন করবে বলেও
তিনি তার বক্তব্যে দৃঢ়
প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। ১১ দলীয় ঐক্যজোটের
এই সেমিনারে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকট
নিয়ে আরও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ
বক্তব্য রাখেন।

সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬
ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান অস্থিরতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশের মোট রেমিট্যান্সের বড় একটি অংশ অর্থাৎ ৩২ শতাংশই এককভাবে আহরণ করে ইসলামী ব্যাংক। এই বিশাল অবদান রাখা ব্যাংকটির অস্তিত্ব যদি কোনোভাবে বিপন্ন হয়, তবে বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনীতি কার্যত বঙ্গোপসাগরে তলিয়ে যাবে।
সোমবার
রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউট (আইইডিবি) মিলনায়তনে আয়োজিত এক জাতীয় সেমিনারে
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব হুঁশিয়ারি
উচ্চারণ করেন। ‘গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে সরকার: সংকটের মুখোমুখি দেশ’ শীর্ষক এই
সেমিনারের আয়োজন করে ১১ দলীয়
ঐক্যজোট।
ব্যাংকিং
খাতের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে জামায়াত
আমির অত্যন্ত কড়া ভাষায় বলেন,
আমি পরিষ্কারভাবে সাবধান করে দিচ্ছি, এই
প্রতিষ্ঠানগুলোকে দয়া করে দলীয়করণ
করবেন না। যদি আপনারা
ব্যাংকগুলোকে একটার পর একটা দলীয়করণের
কবলে ফেলেন, তবে এ দেশের
সাধারণ জনগণ আপনাদের কখনোই
ছেড়ে কথা বলবে না।
আমাদের মনে রাখতে হবে,
দেশের প্রতিটি ব্যাংকের প্রকৃত মালিক হচ্ছে সাধারণ জনগণ। তাই আমি জনগণকে
বলবো, আপনারা জেগে উঠুন, জোরালো
আওয়াজ তুলুন এবং যারা ব্যাংক
লুটে মত্ত তাদের কদর্য
চেহারা জাতির সামনে উন্মুক্ত করে দিন। যেকোনো
মূল্যে এই ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড
এখনই থামিয়ে দিতে হবে।
সেমিনারে
শফিকুর রহমান আরও উল্লেখ করেন,
বর্তমান বিরোধী শক্তি কেবল ক্ষমতার পরিবর্তন
নয়, বরং দেশের রাজনৈতিক
সংস্কৃতির আমূল পরিবর্তন ঘটাতে
চায়।
তিনি
স্পষ্ট করে বলেন, অর্থনীতি,
সংস্কৃতি, শিক্ষাব্যবস্থা কিংবা দেশের আইন অঙ্গন; যেখানেই
অপসংস্কৃতি বাসা বাঁধবে, সেখানেই
ইনশাআল্লাহ আমরা বসে থাকবো
না। যেখানেই অনিয়ম দেখা দেবে, সেখানেই
সাধারণ জনগণকে সাথে নিয়ে তীব্র
প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।
ব্যাংকিং
সেক্টরসহ দেশের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ রক্ষায় জামায়াতে ইসলামী আপোসহীন ভূমিকা পালন করবে বলেও
তিনি তার বক্তব্যে দৃঢ়
প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। ১১ দলীয় ঐক্যজোটের
এই সেমিনারে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকট
নিয়ে আরও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ
বক্তব্য রাখেন।

আপনার মতামত লিখুন