রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার সাকোঁয়া গ্রামে ঈদের নামাজের ইমাম নিয়োগকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সংঘর্ষের মধ্যে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন মো. আলাউদ্দিন (৫৫) নামে বিএনপির এক কর্মী।
শনিবার (৭ মার্চ ২০২৫) সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত আলাউদ্দিন সাকোঁয়া গ্রামের মৃত মালা বক্সের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঈদের নামাজে কোন ইমাম দায়িত্ব পালন করবেন তা নির্ধারণে ওই দিন একটি আলোচনা সভা ডাকা হয়। সভায় স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। উভয়পক্ষই নিজেদের পছন্দের ব্যক্তিকে ইমাম হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানালে বিতর্ক শুরু হয়। এক পর্যায়ে তর্ক থেকে হাতাহাতি এবং পরে তা পূর্ণমাত্রায় সংঘর্ষে রূপ নেয়।
বিএনপি কর্মী আলাউদ্দিনের ছেলেরা জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। সংঘর্ষ চলাকালে আলাউদ্দিন নিজে বিএনপির সমর্থক হওয়া সত্ত্বেও তাঁর ছেলেদের ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় তিনি ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন এবং মৃত্যুবরণ করেন।
রাজশাহী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসপি) সাবিনা ইয়াসমিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, আলাউদ্দিনের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ঘটনার উত্তেজনায় তিনি স্ট্রোকে মারা গেছেন। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে।
সংঘর্ষের পর উত্তেজিত নেতাকর্মীরা গুরুত্বপূর্ণ রাজশাহী - নওগাঁ মহাসড়ক অবরোধ করেন এবং একটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। ডিএসপি সাবিনা ইয়াসমিন জানিয়েছেন, এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

রোববার, ০৮ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মার্চ ২০২৬
রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার সাকোঁয়া গ্রামে ঈদের নামাজের ইমাম নিয়োগকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সংঘর্ষের মধ্যে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন মো. আলাউদ্দিন (৫৫) নামে বিএনপির এক কর্মী।
শনিবার (৭ মার্চ ২০২৫) সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত আলাউদ্দিন সাকোঁয়া গ্রামের মৃত মালা বক্সের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঈদের নামাজে কোন ইমাম দায়িত্ব পালন করবেন তা নির্ধারণে ওই দিন একটি আলোচনা সভা ডাকা হয়। সভায় স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। উভয়পক্ষই নিজেদের পছন্দের ব্যক্তিকে ইমাম হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানালে বিতর্ক শুরু হয়। এক পর্যায়ে তর্ক থেকে হাতাহাতি এবং পরে তা পূর্ণমাত্রায় সংঘর্ষে রূপ নেয়।
বিএনপি কর্মী আলাউদ্দিনের ছেলেরা জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। সংঘর্ষ চলাকালে আলাউদ্দিন নিজে বিএনপির সমর্থক হওয়া সত্ত্বেও তাঁর ছেলেদের ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় তিনি ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন এবং মৃত্যুবরণ করেন।
রাজশাহী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসপি) সাবিনা ইয়াসমিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, আলাউদ্দিনের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ঘটনার উত্তেজনায় তিনি স্ট্রোকে মারা গেছেন। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে।
সংঘর্ষের পর উত্তেজিত নেতাকর্মীরা গুরুত্বপূর্ণ রাজশাহী - নওগাঁ মহাসড়ক অবরোধ করেন এবং একটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। ডিএসপি সাবিনা ইয়াসমিন জানিয়েছেন, এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন