গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় অসামান্য ও আপসহীন অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০২৬ সালের ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা (মরণোত্তর) পেয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।
আন্তর্জাতিক নারী
দিবস উপলক্ষে এক বিশেষ অনুষ্ঠানে তার পক্ষে এই সম্মাননা গ্রহণ করেন নাতনি ও প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।
রোববার দুপুরে রাজধানীর
ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘অদম্য নারী পুরস্কার
২০২৬’ প্রদান অনুষ্ঠানে এই সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।
বিজয়ী নারীদের
হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এ বছর মোট পাঁচটি
ক্যাটাগরিতে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রাখা নারীদের এই রাষ্ট্রীয় সম্মাননা
প্রদান করা হয়েছে।
গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায়
বিশেষ ক্যাটাগরিতে বেগম খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। একই অনুষ্ঠানে
অর্থনৈতিক সাফল্য, শিক্ষা ও কর্মসংস্থান, সফল জননী, নির্যাতনের বিরুদ্ধে জয়ী হওয়া এবং
সমাজ উন্নয়নে অবদান রাখায় যথাক্রমে নুরুন নাহার আক্তার, মোছা. ববিতা খাতুন, নুরবানু
কবীর, মোছা. শমলা বেগম এবং মোছা. আফরোজা ইয়াসমিনকে পুরস্কৃত করা হয়।
পুরস্কার বিতরণী
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।
সম্মাননা প্রদান পরবর্তী বক্তব্যে তিনি বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন ও ত্যাগের
কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, শত প্রতিকূলতা আর অত্যাচারের মুখেও বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন
অদম্য ও নিজ আদর্শে অবিচল। তার এই সংগ্রাম দেশের নারী সমাজের জন্য এক বিশাল অনুপ্রেরণা
হয়ে থাকবে।
মহিলা ও শিশু বিষয়ক
মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের নারীদের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক
ক্ষেত্রে অংশগ্রহণ আরও বেগবান করতেই প্রতিবছর এই পুরস্কারের আয়োজন করা হয়। এ ধরনের
রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি নারীর নেতৃত্ব ও সংগ্রামের গল্পকে সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরার
পাশাপাশি আগামীর সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মার্চ ২০২৬
গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় অসামান্য ও আপসহীন অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০২৬ সালের ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা (মরণোত্তর) পেয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।
আন্তর্জাতিক নারী
দিবস উপলক্ষে এক বিশেষ অনুষ্ঠানে তার পক্ষে এই সম্মাননা গ্রহণ করেন নাতনি ও প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।
রোববার দুপুরে রাজধানীর
ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘অদম্য নারী পুরস্কার
২০২৬’ প্রদান অনুষ্ঠানে এই সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।
বিজয়ী নারীদের
হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এ বছর মোট পাঁচটি
ক্যাটাগরিতে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রাখা নারীদের এই রাষ্ট্রীয় সম্মাননা
প্রদান করা হয়েছে।
গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায়
বিশেষ ক্যাটাগরিতে বেগম খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। একই অনুষ্ঠানে
অর্থনৈতিক সাফল্য, শিক্ষা ও কর্মসংস্থান, সফল জননী, নির্যাতনের বিরুদ্ধে জয়ী হওয়া এবং
সমাজ উন্নয়নে অবদান রাখায় যথাক্রমে নুরুন নাহার আক্তার, মোছা. ববিতা খাতুন, নুরবানু
কবীর, মোছা. শমলা বেগম এবং মোছা. আফরোজা ইয়াসমিনকে পুরস্কৃত করা হয়।
পুরস্কার বিতরণী
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।
সম্মাননা প্রদান পরবর্তী বক্তব্যে তিনি বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন ও ত্যাগের
কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, শত প্রতিকূলতা আর অত্যাচারের মুখেও বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন
অদম্য ও নিজ আদর্শে অবিচল। তার এই সংগ্রাম দেশের নারী সমাজের জন্য এক বিশাল অনুপ্রেরণা
হয়ে থাকবে।
মহিলা ও শিশু বিষয়ক
মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের নারীদের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক
ক্ষেত্রে অংশগ্রহণ আরও বেগবান করতেই প্রতিবছর এই পুরস্কারের আয়োজন করা হয়। এ ধরনের
রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি নারীর নেতৃত্ব ও সংগ্রামের গল্পকে সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরার
পাশাপাশি আগামীর সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন