শিক্ষাকে দেশের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে ভবিষ্যতে সারা দেশে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা গ্রহণের পরিকল্পনা করছে সরকার।
মঙ্গলবার
বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমি
মিলনায়তনে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা
বোর্ড আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায়
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন
ম এহছানুল হক মিলন এই
সম্ভাবনার কথা জানান।
তিনি
বলেন, শিক্ষার মান উন্নয়ন করতে
পারলে দেশের যাবতীয় সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হবে।
শিক্ষামন্ত্রী
তার বক্তব্যে শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন,
"শিক্ষা মন্ত্রণালয় আমার উপাসনালয়, সদকায়ে
জারিয়াহর ইবাদতখানা হিসেবে আমি শিক্ষার উন্নয়নে
কাজ করে যাচ্ছি। বাংলাদেশের
জনসংখ্যাকে মানব সম্পদে রূপান্তর
করতে হবে। তাহলে আমরা
পুরো পৃথিবীতে নেতৃত্ব দিতে পারবো।"
অনিয়ম
ও স্বচ্ছতার বিষয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে
মন্ত্রী বলেন, "শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প পরিচালকরা চালাকি করে পার পাবেন
না। আমাদেরকে ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান
ট্যাব’ নীতিতে যেতেই হবে। আমরা আশাবাদী
যে, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আগামীতে জিডিপির ৫ শতাংশ শিক্ষা
খাতে প্রদান করা হবে।"
পরীক্ষা
পদ্ধতির আমূল পরিবর্তনের ইঙ্গিত
দিয়ে ড. মিলন আরও
বলেন, "আগামী দিনে সারা দেশে
একক প্রশ্নে পরীক্ষা গ্রহণের চিন্তা চলছে। এতে বোর্ডভিত্তিক প্রশ্নের
মানের পার্থক্যের কারণে কোনো শিক্ষার্থী বৈষম্যের
শিকার হবে না। কোনো
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক সক্ষমতা না থাকলে মন্ত্রণালয়ের
খরচে ক্লোজসার্কিট ক্যামেরার ব্যয় বহন করা
হবে। তবে এমসিকিউ পরীক্ষার
পুরো সময়ের ফুটেজ অবশ্যই সংরক্ষণ করতে হবে।"
প্রতিষ্ঠানের
ফলাফলের বিষয়ে নমনীয়তা দেখিয়ে মন্ত্রী জানান, কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাসের হার
শূন্য হলেও এবার এমপিও
বাতিল হবে না, তবে
এই সুযোগ শুধু এবারের জন্যই।
মানোন্নয়নে শিক্ষকদের ক্লোজ মনিটরিংয়ে রাখার নির্দেশ দেন তিনি।
মন্ত্রী
আরও যোগ করেন, "শিক্ষার্থীরা
আন্তর্জাতিক কমিউনিটির অংশ। বৈশ্বিক মেধা
ও প্রযুক্তির সঙ্গে যোগাযোগ ও দক্ষতা অর্জন
করতে না পারলে দেশ
ও জাতি পিছিয়ে পড়বে।"
বরিশাল
শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ইউনুস আলী সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য মজিবর
রহমান সরোয়ার, সিটি করপোরেশনের প্রশাসক
অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন এবং বিভাগীয় কমিশনার
মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান।
বক্তারা
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা
নকলমুক্ত ও সুষ্ঠু পরিবেশে
সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্বারোপ
করেন।

মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ এপ্রিল ২০২৬
শিক্ষাকে দেশের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে ভবিষ্যতে সারা দেশে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা গ্রহণের পরিকল্পনা করছে সরকার।
মঙ্গলবার
বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমি
মিলনায়তনে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা
বোর্ড আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায়
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন
ম এহছানুল হক মিলন এই
সম্ভাবনার কথা জানান।
তিনি
বলেন, শিক্ষার মান উন্নয়ন করতে
পারলে দেশের যাবতীয় সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হবে।
শিক্ষামন্ত্রী
তার বক্তব্যে শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন,
"শিক্ষা মন্ত্রণালয় আমার উপাসনালয়, সদকায়ে
জারিয়াহর ইবাদতখানা হিসেবে আমি শিক্ষার উন্নয়নে
কাজ করে যাচ্ছি। বাংলাদেশের
জনসংখ্যাকে মানব সম্পদে রূপান্তর
করতে হবে। তাহলে আমরা
পুরো পৃথিবীতে নেতৃত্ব দিতে পারবো।"
অনিয়ম
ও স্বচ্ছতার বিষয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে
মন্ত্রী বলেন, "শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প পরিচালকরা চালাকি করে পার পাবেন
না। আমাদেরকে ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান
ট্যাব’ নীতিতে যেতেই হবে। আমরা আশাবাদী
যে, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আগামীতে জিডিপির ৫ শতাংশ শিক্ষা
খাতে প্রদান করা হবে।"
পরীক্ষা
পদ্ধতির আমূল পরিবর্তনের ইঙ্গিত
দিয়ে ড. মিলন আরও
বলেন, "আগামী দিনে সারা দেশে
একক প্রশ্নে পরীক্ষা গ্রহণের চিন্তা চলছে। এতে বোর্ডভিত্তিক প্রশ্নের
মানের পার্থক্যের কারণে কোনো শিক্ষার্থী বৈষম্যের
শিকার হবে না। কোনো
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক সক্ষমতা না থাকলে মন্ত্রণালয়ের
খরচে ক্লোজসার্কিট ক্যামেরার ব্যয় বহন করা
হবে। তবে এমসিকিউ পরীক্ষার
পুরো সময়ের ফুটেজ অবশ্যই সংরক্ষণ করতে হবে।"
প্রতিষ্ঠানের
ফলাফলের বিষয়ে নমনীয়তা দেখিয়ে মন্ত্রী জানান, কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাসের হার
শূন্য হলেও এবার এমপিও
বাতিল হবে না, তবে
এই সুযোগ শুধু এবারের জন্যই।
মানোন্নয়নে শিক্ষকদের ক্লোজ মনিটরিংয়ে রাখার নির্দেশ দেন তিনি।
মন্ত্রী
আরও যোগ করেন, "শিক্ষার্থীরা
আন্তর্জাতিক কমিউনিটির অংশ। বৈশ্বিক মেধা
ও প্রযুক্তির সঙ্গে যোগাযোগ ও দক্ষতা অর্জন
করতে না পারলে দেশ
ও জাতি পিছিয়ে পড়বে।"
বরিশাল
শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ইউনুস আলী সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য মজিবর
রহমান সরোয়ার, সিটি করপোরেশনের প্রশাসক
অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন এবং বিভাগীয় কমিশনার
মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান।
বক্তারা
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা
নকলমুক্ত ও সুষ্ঠু পরিবেশে
সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্বারোপ
করেন।

আপনার মতামত লিখুন