দেশে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ছে, প্রতিরোধে খেলাধুলা, সুষম খাদ্যগ্রহণ ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
তারা বলেছেন, চিকিৎসার পাশাপাশি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাই হতে পারে এ সংকট মোকাবিলার প্রধান উপায়।
ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের উদ্যোগে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাজধানীর মিরপুরে ফাউন্ডেশনের হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের অডিটোরিয়ামে ‘খেলাধুলা বাড়ায় প্রাণ, হৃদয় থাকে শক্তিমান’ শীর্ষক এক সেমিনারে এসব কথা বলা হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার তিন শতাধিক মানুষ অংশ নেন।
ফাউন্ডেশনের মহাসচিব অধ্যাপক ফজিলা-তুন-নেসা মলিক বলেন, “দেশে অসংক্রামক রোগ আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। এ অবস্থায় প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ জোরদার করা জরুরি।”
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী। তিনি বলেন, “মানুষ, প্রাণিকুল ও পরিবেশ; এই তিনটি একে অপরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। ‘ওয়ান হেলথ’ ধারণা অনুযায়ী, টেকসই স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে এসব ক্ষেত্রকে সমন্বিতভাবে বিবেচনা করতে হবে।”
প্রধান অতিথির বক্তব্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেন, “সবার জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।”
তিনি জানান, ধাপে ধাপে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ, ই-হেলথ কার্ড চালু এবং পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের মাধ্যমে চিকিৎসাসেবা উন্নয়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “মাদক ও তামাকের মতো নেশাজাতীয় দ্রব্যের কারণে তরুণরা ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে। তাদের সুস্থ জীবনধারায় আনতে খেলাধুলা বাড়ানো এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”
বিশেষ অতিথি ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী বলেন, তরুণদের মধ্যে ই-সিগারেটের ব্যবহার বাড়ছে, যা নিয়ন্ত্রণে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন।
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক খন্দকার আব্দুল আউয়াল রিজভী বলেন, “নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম, সুষম খাদ্যগ্রহণ ও তামাকজাত দ্রব্য পরিহার হৃদরোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।”
‘স্বাস্থ্যসেবায় বিজ্ঞান, সুরক্ষিত সকল প্রাণ’—এই প্রতিপাদ্য নিয়ে এ বছর বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত হচ্ছে। অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় সরকারের সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করে আসছে।

মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ এপ্রিল ২০২৬
দেশে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ছে, প্রতিরোধে খেলাধুলা, সুষম খাদ্যগ্রহণ ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
তারা বলেছেন, চিকিৎসার পাশাপাশি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাই হতে পারে এ সংকট মোকাবিলার প্রধান উপায়।
ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের উদ্যোগে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাজধানীর মিরপুরে ফাউন্ডেশনের হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের অডিটোরিয়ামে ‘খেলাধুলা বাড়ায় প্রাণ, হৃদয় থাকে শক্তিমান’ শীর্ষক এক সেমিনারে এসব কথা বলা হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার তিন শতাধিক মানুষ অংশ নেন।
ফাউন্ডেশনের মহাসচিব অধ্যাপক ফজিলা-তুন-নেসা মলিক বলেন, “দেশে অসংক্রামক রোগ আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। এ অবস্থায় প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ জোরদার করা জরুরি।”
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী। তিনি বলেন, “মানুষ, প্রাণিকুল ও পরিবেশ; এই তিনটি একে অপরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। ‘ওয়ান হেলথ’ ধারণা অনুযায়ী, টেকসই স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে এসব ক্ষেত্রকে সমন্বিতভাবে বিবেচনা করতে হবে।”
প্রধান অতিথির বক্তব্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেন, “সবার জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।”
তিনি জানান, ধাপে ধাপে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ, ই-হেলথ কার্ড চালু এবং পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের মাধ্যমে চিকিৎসাসেবা উন্নয়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “মাদক ও তামাকের মতো নেশাজাতীয় দ্রব্যের কারণে তরুণরা ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে। তাদের সুস্থ জীবনধারায় আনতে খেলাধুলা বাড়ানো এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”
বিশেষ অতিথি ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী বলেন, তরুণদের মধ্যে ই-সিগারেটের ব্যবহার বাড়ছে, যা নিয়ন্ত্রণে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন।
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক খন্দকার আব্দুল আউয়াল রিজভী বলেন, “নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম, সুষম খাদ্যগ্রহণ ও তামাকজাত দ্রব্য পরিহার হৃদরোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।”
‘স্বাস্থ্যসেবায় বিজ্ঞান, সুরক্ষিত সকল প্রাণ’—এই প্রতিপাদ্য নিয়ে এ বছর বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত হচ্ছে। অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় সরকারের সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করে আসছে।

আপনার মতামত লিখুন