মধ্যপ্রাচ্যে সাময়িক যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর এবার সরাসরি আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। আগামী শুক্রবার (১০ এপ্রিল, ২০২৬) পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে দুই দেশের প্রতিনিধিদের এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বুধবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ এক টুইট (এক্স) বার্তায় এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে চলমান
উত্তেজনা প্রশমনে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তান এখন মূল ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। পাকিস্তান
একইসঙ্গে প্রতিবেশী ইরানের পরিস্থিতির প্রতি যেমন সংবেদনশীল, তেমনি ডোনাল্ড ট্রাম্প
প্রশাসনের সঙ্গেও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখছে।
শেহবাজ শরীফ তার পোস্টে দুই দেশের নেতৃত্বের প্রতি কৃতজ্ঞতা
জানিয়ে বলেন, “সব বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে চূড়ান্ত চুক্তির জন্য আমরা দুই দেশের প্রতিনিধি
দলকে ইসলামাবাদে আমন্ত্রণ জানিয়েছি। আমরা আন্তরিকভাবে আশা করি, ‘ইসলামাবাদ আলোচনা’
একটি টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠায় সফল হবে।” তিনি আরও জানান, এই যুদ্ধবিরতি লেবাননসহ সব
জায়গার জন্য প্রযোজ্য হওয়ার কথা থাকলেও ইসরায়েল লেবাননে অভিযান অব্যাহত রেখেছে।
পটভূমি ও বর্তমান পরিস্থিতি:
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর পর শুরু
হওয়া এই সংঘাত পাকিস্তান ও অন্যান্য দেশের কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় বর্তমানে একটি অস্থায়ী
শান্তির দিকে মোড় নিল। আগামী শুক্রবারের এই বৈঠকের দিকেই এখন তাকিয়ে আছে পুরো বিশ্ব।

বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে সাময়িক যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর এবার সরাসরি আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। আগামী শুক্রবার (১০ এপ্রিল, ২০২৬) পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে দুই দেশের প্রতিনিধিদের এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বুধবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ এক টুইট (এক্স) বার্তায় এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে চলমান
উত্তেজনা প্রশমনে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তান এখন মূল ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। পাকিস্তান
একইসঙ্গে প্রতিবেশী ইরানের পরিস্থিতির প্রতি যেমন সংবেদনশীল, তেমনি ডোনাল্ড ট্রাম্প
প্রশাসনের সঙ্গেও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখছে।
শেহবাজ শরীফ তার পোস্টে দুই দেশের নেতৃত্বের প্রতি কৃতজ্ঞতা
জানিয়ে বলেন, “সব বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে চূড়ান্ত চুক্তির জন্য আমরা দুই দেশের প্রতিনিধি
দলকে ইসলামাবাদে আমন্ত্রণ জানিয়েছি। আমরা আন্তরিকভাবে আশা করি, ‘ইসলামাবাদ আলোচনা’
একটি টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠায় সফল হবে।” তিনি আরও জানান, এই যুদ্ধবিরতি লেবাননসহ সব
জায়গার জন্য প্রযোজ্য হওয়ার কথা থাকলেও ইসরায়েল লেবাননে অভিযান অব্যাহত রেখেছে।
পটভূমি ও বর্তমান পরিস্থিতি:
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর পর শুরু
হওয়া এই সংঘাত পাকিস্তান ও অন্যান্য দেশের কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় বর্তমানে একটি অস্থায়ী
শান্তির দিকে মোড় নিল। আগামী শুক্রবারের এই বৈঠকের দিকেই এখন তাকিয়ে আছে পুরো বিশ্ব।

আপনার মতামত লিখুন