সংবাদ

ঢাকার পরবর্তী ভারতীয় হাইকমিশনার পদের আলোচনায় রাজনীতিক আরিফ মোহাম্মদ খান


প্রকাশ: ৮ এপ্রিল ২০২৬, ১১:২৭ এএম

ঢাকার পরবর্তী ভারতীয় হাইকমিশনার পদের আলোচনায় রাজনীতিক আরিফ মোহাম্মদ খান

দীর্ঘ চার দশকের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার, বর্ণাঢ্য অভিজ্ঞতা এবং ভারতের কেন্দ্রীয় রাজনীতির অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব আরিফ মোহাম্মদ খান ঢাকায় ভারতের পরবর্তী হাইকমিশনার হয়ে আসতে পারেন। ভারতের নিউজ পের্টাল ইন্ডিয়ানম্যানডারিনসডটকম সেই ইঙ্গিত দিচ্ছে। এই নিউজ সাইট ভারতের সরকার ও প্রশাসনের বিষয়েই মূলত খবর প্রকাশ করে।

সম্প্রতি বিহারের গভর্নরের দায়িত্বে থাকা এই ঝানু রাজনীতিককে বাংলাদেশে পাঠানোর সিদ্ধান্তকে উপমহাদেশের কূটনীতিতে একটি ‘বিরল ঘটনা’ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আরিফ মোহাম্মদ খান একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিকই নন, ভারতের সামাজিক ও আইনি সংস্কার আন্দোলনের এক পরিচিত মুখ। ৮০-র দশকে রাজীব গান্ধী সরকারের প্রভাবশালী তরুণ মন্ত্রীদের একজন ছিলেন তিনি। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন তিনি। তবে পরে পদত্যাগ করেন।

১৯৮৫ সালের ঐতিহাসিক ‘শাহ বানু’ মামলার রায়ের সময় আরিফ খান মন্ত্রিসভায় ছিলেন। সুপ্রিম কোর্ট মুসলিম নারীদের খোরপোশের পক্ষে রায় দেয়। কিন্তু রক্ষণশীলদের চাপে রাজীব গান্ধী সরকার যখন আদালতের রায় উল্টে দিতে সংসদে নতুন বিল আনে। আর তার প্রতিবাদে মন্ত্রিসভা ও কংগ্রেস থেকে পদত্যাগ করেন আরিফ খান। তিনি পরে ভি পি সিংয়ের জনতা দলের সরকারে মন্ত্রী ছিলেন। পরে বিজেপিতে যোগ দেন। বিজেপির শাসনকালে তিনি প্রথমে কেরালার ও পরে বিহারের গভর্নরের দায়িত্ব পালন করেন।

সাধারণত পেশাদার কূটনীতিকরাই হাইকমিশনার বা রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালন করেন। কিন্তু বিহারের গভর্নরের মতো সাংবিধানিক পদে থাকা এবং সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর মতো ‘হাই প্রোফাইল’ কাউকে রাষ্ট্রদূত করে পাঠানো বিরল। ভারতের ইতিহাসে এর আগে এত বড় মাপের কোনো নেতাকে বাংলাদেশে প্রতিনিধি করে পাঠানো হয়নি।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন আরিফ মোহাম্মদ খানকে ঢাকায় রাষ্ট্রদূত করা হলে সম্ভবত ভারতের কেন্দ্রীয় পূর্ণ মন্ত্রীর পদমর্যাদা দিয়ে পাঠানো হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬


ঢাকার পরবর্তী ভারতীয় হাইকমিশনার পদের আলোচনায় রাজনীতিক আরিফ মোহাম্মদ খান

প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

দীর্ঘ চার দশকের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার, বর্ণাঢ্য অভিজ্ঞতা এবং ভারতের কেন্দ্রীয় রাজনীতির অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব আরিফ মোহাম্মদ খান ঢাকায় ভারতের পরবর্তী হাইকমিশনার হয়ে আসতে পারেন। ভারতের নিউজ পের্টাল ইন্ডিয়ানম্যানডারিনসডটকম সেই ইঙ্গিত দিচ্ছে। এই নিউজ সাইট ভারতের সরকার ও প্রশাসনের বিষয়েই মূলত খবর প্রকাশ করে।

সম্প্রতি বিহারের গভর্নরের দায়িত্বে থাকা এই ঝানু রাজনীতিককে বাংলাদেশে পাঠানোর সিদ্ধান্তকে উপমহাদেশের কূটনীতিতে একটি ‘বিরল ঘটনা’ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আরিফ মোহাম্মদ খান একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিকই নন, ভারতের সামাজিক ও আইনি সংস্কার আন্দোলনের এক পরিচিত মুখ। ৮০-র দশকে রাজীব গান্ধী সরকারের প্রভাবশালী তরুণ মন্ত্রীদের একজন ছিলেন তিনি। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন তিনি। তবে পরে পদত্যাগ করেন।

১৯৮৫ সালের ঐতিহাসিক ‘শাহ বানু’ মামলার রায়ের সময় আরিফ খান মন্ত্রিসভায় ছিলেন। সুপ্রিম কোর্ট মুসলিম নারীদের খোরপোশের পক্ষে রায় দেয়। কিন্তু রক্ষণশীলদের চাপে রাজীব গান্ধী সরকার যখন আদালতের রায় উল্টে দিতে সংসদে নতুন বিল আনে। আর তার প্রতিবাদে মন্ত্রিসভা ও কংগ্রেস থেকে পদত্যাগ করেন আরিফ খান। তিনি পরে ভি পি সিংয়ের জনতা দলের সরকারে মন্ত্রী ছিলেন। পরে বিজেপিতে যোগ দেন। বিজেপির শাসনকালে তিনি প্রথমে কেরালার ও পরে বিহারের গভর্নরের দায়িত্ব পালন করেন।

সাধারণত পেশাদার কূটনীতিকরাই হাইকমিশনার বা রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালন করেন। কিন্তু বিহারের গভর্নরের মতো সাংবিধানিক পদে থাকা এবং সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর মতো ‘হাই প্রোফাইল’ কাউকে রাষ্ট্রদূত করে পাঠানো বিরল। ভারতের ইতিহাসে এর আগে এত বড় মাপের কোনো নেতাকে বাংলাদেশে প্রতিনিধি করে পাঠানো হয়নি।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন আরিফ মোহাম্মদ খানকে ঢাকায় রাষ্ট্রদূত করা হলে সম্ভবত ভারতের কেন্দ্রীয় পূর্ণ মন্ত্রীর পদমর্যাদা দিয়ে পাঠানো হতে পারে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত