কুষ্টিয়ার মিরপুরে রাতে স্কুল ভবন থেকে অচেতন অবস্থায় এক কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারের পর ওই কিশোরীকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরবর্তীতে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রাথমিক পরীক্ষায় চিকিৎসকেরা ধর্ষণের আলামত পাওয়ার কথা জানালেও এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ভুক্তভোগী (১১) মিরপুর উপজেলার মির্জানগর গ্রামের বাসিন্দা। বাবা-মায়ের বিচ্ছেদের পর থেকে সে নানাবাড়ি ছত্রগাছা গ্রামে বসবাস করে আসছে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালে ছত্রগাছা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এসএসসি ২০২৬ ব্যাচের বিদায় অনুষ্ঠানে অংশ নিতে বিদ্যালয় যায়। অনুষ্ঠান শেষে বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
পরিবারের দাবি, অনেক খোঁজাখুঁজির পর রাত আটটার দিকে বিদ্যালয়ের পিয়ন হামিদুলের কাছে জানতে চাইলে তিনি প্রথমে বিদ্যালয়ে কেউ নেই বলে চাবি দিতে অস্বীকৃতি জানান। এতে সন্দেহ হলে স্থানীয়রা তার কাছ থেকে চাবি নিয়ে জোর করে বিদ্যালয়ে ঢুকে কিশোরীকে খোঁজা শুরু করে। পরে বিদ্যালয়ের তৃতীয় তলার একটি কক্ষ থেকে কিশোরীটিকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারের পর প্রথমে তাকে মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে সে হাসপাতালের গাইনি বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. হোসেন ইমাম বলেন, ভুক্তভোগী ওই কিশোরীকে রাতের দিকে হাসপাতালে আনা হয়। প্রয়োজনীয় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রাথমিকভাবে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে।
ভুক্তভোগীর মা বেলী সুলতানা বলেন, অনুষ্ঠান শেষে তার মেয়ে শ্রেণিকক্ষে ব্যাগ আনতে গিয়েছিল। ওখান থেকে তৃতীয় তলায় গিয়েছিল। এরপর কী ঘটেছে, সে বিষয়ে এখনো কিছু বলতে পারছে না। এদিকে জ্ঞান ফেরার পর ভুক্তভোগী ওই কিশোরী জানায়, সে সিঁড়ির কাছে বসে ছিল। এরপর তার আর কিছুই মনে নেই।
মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, ঘটনায় এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। স্থানীয়রা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের পাশাপাশি ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ এপ্রিল ২০২৬
কুষ্টিয়ার মিরপুরে রাতে স্কুল ভবন থেকে অচেতন অবস্থায় এক কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারের পর ওই কিশোরীকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরবর্তীতে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রাথমিক পরীক্ষায় চিকিৎসকেরা ধর্ষণের আলামত পাওয়ার কথা জানালেও এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ভুক্তভোগী (১১) মিরপুর উপজেলার মির্জানগর গ্রামের বাসিন্দা। বাবা-মায়ের বিচ্ছেদের পর থেকে সে নানাবাড়ি ছত্রগাছা গ্রামে বসবাস করে আসছে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালে ছত্রগাছা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এসএসসি ২০২৬ ব্যাচের বিদায় অনুষ্ঠানে অংশ নিতে বিদ্যালয় যায়। অনুষ্ঠান শেষে বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
পরিবারের দাবি, অনেক খোঁজাখুঁজির পর রাত আটটার দিকে বিদ্যালয়ের পিয়ন হামিদুলের কাছে জানতে চাইলে তিনি প্রথমে বিদ্যালয়ে কেউ নেই বলে চাবি দিতে অস্বীকৃতি জানান। এতে সন্দেহ হলে স্থানীয়রা তার কাছ থেকে চাবি নিয়ে জোর করে বিদ্যালয়ে ঢুকে কিশোরীকে খোঁজা শুরু করে। পরে বিদ্যালয়ের তৃতীয় তলার একটি কক্ষ থেকে কিশোরীটিকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারের পর প্রথমে তাকে মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে সে হাসপাতালের গাইনি বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. হোসেন ইমাম বলেন, ভুক্তভোগী ওই কিশোরীকে রাতের দিকে হাসপাতালে আনা হয়। প্রয়োজনীয় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রাথমিকভাবে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে।
ভুক্তভোগীর মা বেলী সুলতানা বলেন, অনুষ্ঠান শেষে তার মেয়ে শ্রেণিকক্ষে ব্যাগ আনতে গিয়েছিল। ওখান থেকে তৃতীয় তলায় গিয়েছিল। এরপর কী ঘটেছে, সে বিষয়ে এখনো কিছু বলতে পারছে না। এদিকে জ্ঞান ফেরার পর ভুক্তভোগী ওই কিশোরী জানায়, সে সিঁড়ির কাছে বসে ছিল। এরপর তার আর কিছুই মনে নেই।
মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, ঘটনায় এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। স্থানীয়রা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের পাশাপাশি ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন