বান্দরবানে বিএডিসির তিনতলা ভবন নির্মাণের শুরু থেকেই জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। বলা হচ্ছে, পাইলিংয়ের ভিত্তি মজবুত করতে ব্যবহার হচ্ছে নিম্নমানের বালি, অপরিপক্ক পাথর ও গ্রেডবিহীন রড। স্থানীয়দের আশঙ্কা, এভাবে কাজ চললে ভবনটি একদিন ধসে পড়তে পারে।
অভিযোগের বিষয়ে সরেজমিনে শহরের স্টেডিয়াম এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ভয়াবহ অনিয়মের ছবি। নির্মাণাধীন ভবনের সামনে থাকার কথা প্রকল্পের তথ্যসংবলিত সাইনবোর্ড। সেটিও নেই। যেন গোপনে কিছু করার চেষ্টা।
শর্ত অনুযায়ী পাইলিংয়ে ব্যবহার হওয়ার কথা মোটাদানার সিলেট স্যান্ড (বালি), আমদানিকৃত উন্নত পাথর ও নির্ধারিত গ্রেডের রড। কিন্তু বাস্তবে ব্যবহার হচ্ছে স্থানীয় ঝিরির ভরাট বালি, লোকাল অপরিপক্ক পাথর আর ‘এসএএস’ নামের গ্রেডবিহীন নিম্নমানের রড।অভিযোগের বিষয়ে বিএডিসির ইঞ্জিনিয়ার তাউসিফের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “গুণগত মান ঠিক রেখেই কাজ হচ্ছে।” কিন্তু কাজের স্টিমিট দেখাতে পারেননি। জানান, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তা সংগ্রহ করতে হবে।
প্রকল্প পরিচালক মাহমুদকে মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও রিসিভ করেননি। আর দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলী বিষয়টি এড়িয়ে যান, “ঊর্ধ্বতনের অনুমতি ছাড়া কিছু বলা সম্ভব নয়।”
অর্থাৎ, যাদের কথা বলা দরকার, তারাই নীরব। যার কাছে তথ্য থাকার কথা, তিনি বলেন ‘জানি না’। এই নীরবতা আর দায় এড়ানোর প্রবণতা সন্দেহ আরও ঘনীভূত করছে।
‘সিলেট স্যান্ডের’ বদলে ঝিরির বালি
স্থানীয় সচেতন মহলের অভিমত, সরকারি অর্থে নির্মিত গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে এমন অনিয়ম কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তারা দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ এপ্রিল ২০২৬
বান্দরবানে বিএডিসির তিনতলা ভবন নির্মাণের শুরু থেকেই জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। বলা হচ্ছে, পাইলিংয়ের ভিত্তি মজবুত করতে ব্যবহার হচ্ছে নিম্নমানের বালি, অপরিপক্ক পাথর ও গ্রেডবিহীন রড। স্থানীয়দের আশঙ্কা, এভাবে কাজ চললে ভবনটি একদিন ধসে পড়তে পারে।
অভিযোগের বিষয়ে সরেজমিনে শহরের স্টেডিয়াম এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ভয়াবহ অনিয়মের ছবি। নির্মাণাধীন ভবনের সামনে থাকার কথা প্রকল্পের তথ্যসংবলিত সাইনবোর্ড। সেটিও নেই। যেন গোপনে কিছু করার চেষ্টা।
শর্ত অনুযায়ী পাইলিংয়ে ব্যবহার হওয়ার কথা মোটাদানার সিলেট স্যান্ড (বালি), আমদানিকৃত উন্নত পাথর ও নির্ধারিত গ্রেডের রড। কিন্তু বাস্তবে ব্যবহার হচ্ছে স্থানীয় ঝিরির ভরাট বালি, লোকাল অপরিপক্ক পাথর আর ‘এসএএস’ নামের গ্রেডবিহীন নিম্নমানের রড।অভিযোগের বিষয়ে বিএডিসির ইঞ্জিনিয়ার তাউসিফের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “গুণগত মান ঠিক রেখেই কাজ হচ্ছে।” কিন্তু কাজের স্টিমিট দেখাতে পারেননি। জানান, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তা সংগ্রহ করতে হবে।
প্রকল্প পরিচালক মাহমুদকে মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও রিসিভ করেননি। আর দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলী বিষয়টি এড়িয়ে যান, “ঊর্ধ্বতনের অনুমতি ছাড়া কিছু বলা সম্ভব নয়।”
অর্থাৎ, যাদের কথা বলা দরকার, তারাই নীরব। যার কাছে তথ্য থাকার কথা, তিনি বলেন ‘জানি না’। এই নীরবতা আর দায় এড়ানোর প্রবণতা সন্দেহ আরও ঘনীভূত করছে।
‘সিলেট স্যান্ডের’ বদলে ঝিরির বালি
স্থানীয় সচেতন মহলের অভিমত, সরকারি অর্থে নির্মিত গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে এমন অনিয়ম কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তারা দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন