ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি হয়েছে। আশায় বুক বেঁধেছিলেন নাবিকেরা। হয়তো এবার পেরোনো যাবে হরমুজ প্রণালি। কিন্তু সেই আশা পূরণ হয়নি।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাতে হরমুজ পার হওয়ার অনুমতি চেয়েও পাননি বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজ ‘এমভি বাংলার জয়যাত্রা’র নাবিকেরা। বাধ্য হয়ে আবার নোঙর ফেলতে হয়েছে তাদের।
জাহাজটির প্রধান প্রকৌশলী রাশেদুল হাসান বলেছেন, “বৃহস্পতিবার রাতে হরমুজ থেকে ৬০ নটিক্যাল মাইল দূরত্বে পৌঁছানোর পর বেতারবার্তায় ইরানের বাহিনীর কাছে অনুমতি চাই। তারা অনুমতি দেয়নি।”
রাশেদুল জানান, অনুমতি না পেয়ে ৩০ নটিক্যাল মাইল সামনে গিয়ে নোঙর ফেলতে বাধ্য হন তারা। নোঙর ফেলা হয়েছে পারস্য উপসাগরের আন্তর্জাতিক জলসীমায়। আশপাশে আরও অনেক জাহাজ অপেক্ষা করছে হরমুজ নিরাপদে পার হওয়ার জন্য।
গত ২ এপ্রিল থেকে পারস্য উপসাগরে আটকা পড়েছে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) মালিকানাধীন এই জাহাজ। এতে ৩১ জন বাংলাদেশি নাবিক আছেন। সেখানে এক বন্দর থেকে আরেক বন্দরে পণ্য পরিবহনে নিয়োজিত ছিল জাহাজটি।
গত ১১ মার্চ জাহাজটি ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বিএসসি। কিন্তু তখনও অনুমতি মেলেনি। পরে সৌদি আরবের রাস আল খাইর বন্দর থেকে প্রায় ৩৭ হাজার টন সার বোঝাই করা হয়। সেই সার নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউন বন্দরে যাওয়ার কথা ছিল।
যুদ্ধবিরতি শুরুর পর গেল বুধবার থেকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে অনেক জাহাজ চলাচল করেছে বলে জানিয়েছে জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষক সংস্থা মেরিন ট্রাফিক। কিন্তু যুদ্ধবিরতি চুক্তির পরেও লেবাননে ইসরায়েল হামলা চালায়। এরপর প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে আরও কড়াকড়ি আরোপ করে ইরান।
প্রধান প্রকৌশলী রাশেদুল হাসান জানান, বর্তমানে তারা হরমুজ থেকে প্রায় ৩০ নটিক্যাল মাইল দূরে আন্তর্জাতিক জলসীমায় নোঙর করে আছেন। “অনুমতি পেলেই তিন থেকে সাড়ে তিন ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ পার হতে পারব।” কিন্তু সেই অনুমতি এখনও মেলেনি।
আটকে থাকা জাহাজটির নাবিকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। যুদ্ধবিরতির পরও উত্তেজনা কাটেনি। একটু স্বস্তি মিললেও আবার জটিল পরিস্থিতি।

শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ এপ্রিল ২০২৬
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি হয়েছে। আশায় বুক বেঁধেছিলেন নাবিকেরা। হয়তো এবার পেরোনো যাবে হরমুজ প্রণালি। কিন্তু সেই আশা পূরণ হয়নি।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাতে হরমুজ পার হওয়ার অনুমতি চেয়েও পাননি বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজ ‘এমভি বাংলার জয়যাত্রা’র নাবিকেরা। বাধ্য হয়ে আবার নোঙর ফেলতে হয়েছে তাদের।
জাহাজটির প্রধান প্রকৌশলী রাশেদুল হাসান বলেছেন, “বৃহস্পতিবার রাতে হরমুজ থেকে ৬০ নটিক্যাল মাইল দূরত্বে পৌঁছানোর পর বেতারবার্তায় ইরানের বাহিনীর কাছে অনুমতি চাই। তারা অনুমতি দেয়নি।”
রাশেদুল জানান, অনুমতি না পেয়ে ৩০ নটিক্যাল মাইল সামনে গিয়ে নোঙর ফেলতে বাধ্য হন তারা। নোঙর ফেলা হয়েছে পারস্য উপসাগরের আন্তর্জাতিক জলসীমায়। আশপাশে আরও অনেক জাহাজ অপেক্ষা করছে হরমুজ নিরাপদে পার হওয়ার জন্য।
গত ২ এপ্রিল থেকে পারস্য উপসাগরে আটকা পড়েছে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) মালিকানাধীন এই জাহাজ। এতে ৩১ জন বাংলাদেশি নাবিক আছেন। সেখানে এক বন্দর থেকে আরেক বন্দরে পণ্য পরিবহনে নিয়োজিত ছিল জাহাজটি।
গত ১১ মার্চ জাহাজটি ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বিএসসি। কিন্তু তখনও অনুমতি মেলেনি। পরে সৌদি আরবের রাস আল খাইর বন্দর থেকে প্রায় ৩৭ হাজার টন সার বোঝাই করা হয়। সেই সার নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউন বন্দরে যাওয়ার কথা ছিল।
যুদ্ধবিরতি শুরুর পর গেল বুধবার থেকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে অনেক জাহাজ চলাচল করেছে বলে জানিয়েছে জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষক সংস্থা মেরিন ট্রাফিক। কিন্তু যুদ্ধবিরতি চুক্তির পরেও লেবাননে ইসরায়েল হামলা চালায়। এরপর প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে আরও কড়াকড়ি আরোপ করে ইরান।
প্রধান প্রকৌশলী রাশেদুল হাসান জানান, বর্তমানে তারা হরমুজ থেকে প্রায় ৩০ নটিক্যাল মাইল দূরে আন্তর্জাতিক জলসীমায় নোঙর করে আছেন। “অনুমতি পেলেই তিন থেকে সাড়ে তিন ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ পার হতে পারব।” কিন্তু সেই অনুমতি এখনও মেলেনি।
আটকে থাকা জাহাজটির নাবিকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। যুদ্ধবিরতির পরও উত্তেজনা কাটেনি। একটু স্বস্তি মিললেও আবার জটিল পরিস্থিতি।

আপনার মতামত লিখুন