জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানকে কটাক্ষ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, “বিল পাস হয়ে যাওয়ার পর যদি বলেন ‘আমি কিছু বুঝিলাম না’, তাহলে তো হয় না। আপত্তি দিতে হলে বিল উত্থাপনের পরই দিতে হতো। সেকেন্ড রিডিংয়ে বিবেচনার সময় তা করার সুযোগ ছিল।”
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকেলে জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলেন মন্ত্রী।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “ধন্যবাদ জানাই বিরোধীদলীয় নেতাকে, সব বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যকে। আপনারা যথেষ্ট সহযোগিতা করেছেন। ‘হ্যাঁ’ও বুঝে দিয়েছেন, ‘না’ও বুঝে দিয়েছেন। সরকারি দলের পক্ষ থেকে আপনাদের অপরিসীম সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।”
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, কার্য উপদেষ্টা কমিটি এসব কর্ম নির্ধারণ করে। বিশেষ কমিটি আইনগুলো পর্যালোচনা করে। সেই কমিটিতে বিরোধী দলের বেশ কয়েকজন সদস্যও ছিলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “অর্থবিলসহ আরও কিছু বিলে নোট অব ডিসেন্ট ছিল। আলোচনার দাবি রেখেছিলেন বিরোধীদলীয় সদস্যরা। সেটি এরই মধ্যে আপনি দুই মিনিটের জায়গায় ১০ মিনিট, ১৫ মিনিট- যেভাবে আপনি উপযুক্ত মনে করেছেন, আলোচনার জন্য দিয়েছেন।”
অর্থাৎ, আলোচনার যথেষ্ট সুযোগ ছিল। কিন্তু বিল পাসের পর এসে ‘না বোঝার’ কথা বলা হচ্ছে- এমনই ইঙ্গিত মন্ত্রীর বক্তব্যে।
সালাহউদ্দিন আহমদ স্পিকারের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, বিরোধীদলীয় সদস্যরা যাতে যথেষ্ট সময় পেয়েছেন, সেজন্য স্পিকার ভূমিকা রেখেছেন।
নতুন বিল পাসকে কেন্দ্র করে সংসদে এমন বক্তৃতার মাধ্যমে উত্তাপ বাড়লেও শেষ পর্যন্ত সবকিছু ‘সুন্দরভাবে’ শেষ হয়েছে বলে মনে করছেন সরকারি দলের সংসদ সদস্যরা। তবে বিরোধীদল কী বলে, তা নিয়েই এখন আলোচনা।

শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ এপ্রিল ২০২৬
জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানকে কটাক্ষ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, “বিল পাস হয়ে যাওয়ার পর যদি বলেন ‘আমি কিছু বুঝিলাম না’, তাহলে তো হয় না। আপত্তি দিতে হলে বিল উত্থাপনের পরই দিতে হতো। সেকেন্ড রিডিংয়ে বিবেচনার সময় তা করার সুযোগ ছিল।”
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকেলে জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলেন মন্ত্রী।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “ধন্যবাদ জানাই বিরোধীদলীয় নেতাকে, সব বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যকে। আপনারা যথেষ্ট সহযোগিতা করেছেন। ‘হ্যাঁ’ও বুঝে দিয়েছেন, ‘না’ও বুঝে দিয়েছেন। সরকারি দলের পক্ষ থেকে আপনাদের অপরিসীম সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।”
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, কার্য উপদেষ্টা কমিটি এসব কর্ম নির্ধারণ করে। বিশেষ কমিটি আইনগুলো পর্যালোচনা করে। সেই কমিটিতে বিরোধী দলের বেশ কয়েকজন সদস্যও ছিলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “অর্থবিলসহ আরও কিছু বিলে নোট অব ডিসেন্ট ছিল। আলোচনার দাবি রেখেছিলেন বিরোধীদলীয় সদস্যরা। সেটি এরই মধ্যে আপনি দুই মিনিটের জায়গায় ১০ মিনিট, ১৫ মিনিট- যেভাবে আপনি উপযুক্ত মনে করেছেন, আলোচনার জন্য দিয়েছেন।”
অর্থাৎ, আলোচনার যথেষ্ট সুযোগ ছিল। কিন্তু বিল পাসের পর এসে ‘না বোঝার’ কথা বলা হচ্ছে- এমনই ইঙ্গিত মন্ত্রীর বক্তব্যে।
সালাহউদ্দিন আহমদ স্পিকারের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, বিরোধীদলীয় সদস্যরা যাতে যথেষ্ট সময় পেয়েছেন, সেজন্য স্পিকার ভূমিকা রেখেছেন।
নতুন বিল পাসকে কেন্দ্র করে সংসদে এমন বক্তৃতার মাধ্যমে উত্তাপ বাড়লেও শেষ পর্যন্ত সবকিছু ‘সুন্দরভাবে’ শেষ হয়েছে বলে মনে করছেন সরকারি দলের সংসদ সদস্যরা। তবে বিরোধীদল কী বলে, তা নিয়েই এখন আলোচনা।

আপনার মতামত লিখুন