মা ইলিশের প্রজনন ও বংশবিস্তার নির্বিঘ্ন রাখতে পদ্মা-মেঘনা নদীতে অভিযান চালিয়ে ২১ জেলেকে গ্রেপ্তার করেছে নৌ পুলিশ। মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানের সপ্তম দিনে পরিচালনা করা এ অভিযানে তাদের গ্রেফতার করার পাশাপাশি ৬টি ইঞ্জিনচালিত নৌকা, ১০ মণ ইলিশ এবং ১২ হাজার মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে চাঁদপুর সদর নৌ থানা।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নৌ পুলিশ চাঁদপুর অঞ্চলের পুলিশ সুপার সৈয়দ মুশফিকুর রহমানের নেতৃত্বে এবং চাঁদপুর সদর নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহাঙ্গীর হোসাইনের তত্ত্বাবধানে নৌ পুলিশের একটি বিশেষ দল নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানকালে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মা ইলিশ শিকারের অপরাধে ২১ জন জেলেকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের ব্যবহৃত ৬টি ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকা, ১০ মণ সদ্য শিকার করা ইলিশ মাছ এবং ১২ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইনে ৬টি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান শুরুর প্রথম সপ্তাহে চাঁদপুর সদর নৌ থানা পুলিশ দফায় দফায় অভিযান চালিয়েছে। প্রথম সপ্তাহে মোট ৫০ কেজি ইলিশ, ৫৫ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল এবং ২০টি নৌকা জব্দ করা হয়। এসব ঘটনায় এ পর্যন্ত ২৪টি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।
চাঁদপুর সদর নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহাঙ্গীর হোসাইন জানান, জাতীয় সম্পদ ইলিশের প্রজনন সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং সরকারি নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে নৌ পুলিশের কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে।
/

শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ অক্টোবর ২০২৬
মা ইলিশের প্রজনন ও বংশবিস্তার নির্বিঘ্ন রাখতে পদ্মা-মেঘনা নদীতে অভিযান চালিয়ে ২১ জেলেকে গ্রেপ্তার করেছে নৌ পুলিশ। মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানের সপ্তম দিনে পরিচালনা করা এ অভিযানে তাদের গ্রেফতার করার পাশাপাশি ৬টি ইঞ্জিনচালিত নৌকা, ১০ মণ ইলিশ এবং ১২ হাজার মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে চাঁদপুর সদর নৌ থানা।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নৌ পুলিশ চাঁদপুর অঞ্চলের পুলিশ সুপার সৈয়দ মুশফিকুর রহমানের নেতৃত্বে এবং চাঁদপুর সদর নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহাঙ্গীর হোসাইনের তত্ত্বাবধানে নৌ পুলিশের একটি বিশেষ দল নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানকালে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মা ইলিশ শিকারের অপরাধে ২১ জন জেলেকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের ব্যবহৃত ৬টি ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকা, ১০ মণ সদ্য শিকার করা ইলিশ মাছ এবং ১২ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইনে ৬টি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান শুরুর প্রথম সপ্তাহে চাঁদপুর সদর নৌ থানা পুলিশ দফায় দফায় অভিযান চালিয়েছে। প্রথম সপ্তাহে মোট ৫০ কেজি ইলিশ, ৫৫ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল এবং ২০টি নৌকা জব্দ করা হয়। এসব ঘটনায় এ পর্যন্ত ২৪টি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।
চাঁদপুর সদর নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহাঙ্গীর হোসাইন জানান, জাতীয় সম্পদ ইলিশের প্রজনন সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং সরকারি নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে নৌ পুলিশের কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে।
/

আপনার মতামত লিখুন