যশোরের বেনাপোল সীমান্তে পৃথক অভিযান চালিয়ে ৫৪ লাখ ৭২ হাজার টাকার ভারতীয় চোরাই পণ্য ও মাদকদ্রব্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। ১০ অক্টোবর থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত এক সপ্তাহের বিশেষ অভিযানে এসব মালামাল জব্দ করা হয়।
যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়ন সূত্রে জানা যায়, গত এক সপ্তাহে বেনাপোল চেকপোস্ট আইসিপি ও আমড়াখালী চেকপোস্ট বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালান। এ সময় ভারতীয় ৫২৫ পিস শাড়ি, ১০টি থ্রি-পিস, ১১টি কম্বল, সাড়ে চার কেজি জিরা, ৩৩ প্যাকেট ফুসকা, চার প্যাকেট সনপাপড়ি, ৯ কেজি কিসমিস, ৯০৮ পিস বিভিন্ন চকলেট, ২৬ প্যাকেট খৈনি, ১৬ কেজি পেঁয়াজের বীজ, ৬০০ পিস বিভিন্ন ওষুধ এবং ১ হাজার ৩০৭ পিস কসমেটিকস সামগ্রী জব্দ করা হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পণ্য জব্দ করা হয়েছে চেকপোস্ট আইসিপি এলাকা থেকে। জব্দ করা মাদকদ্রব্য ও চোরাচালানি পণ্যের মোট বাজারমূল্য ৫৪ লাখ ৭২ হাজার টাকা।
এ বিষয়ে যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান বলেন, মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান প্রতিরোধে সীমান্ত এলাকায় বিজিবির গোয়েন্দা নজরদারি ও বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সীমান্ত এলাকার আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে এবং অবৈধ পাচার রোধে বিজিবির এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে।
\

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬
যশোরের বেনাপোল সীমান্তে পৃথক অভিযান চালিয়ে ৫৪ লাখ ৭২ হাজার টাকার ভারতীয় চোরাই পণ্য ও মাদকদ্রব্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। ১০ অক্টোবর থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত এক সপ্তাহের বিশেষ অভিযানে এসব মালামাল জব্দ করা হয়।
যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়ন সূত্রে জানা যায়, গত এক সপ্তাহে বেনাপোল চেকপোস্ট আইসিপি ও আমড়াখালী চেকপোস্ট বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালান। এ সময় ভারতীয় ৫২৫ পিস শাড়ি, ১০টি থ্রি-পিস, ১১টি কম্বল, সাড়ে চার কেজি জিরা, ৩৩ প্যাকেট ফুসকা, চার প্যাকেট সনপাপড়ি, ৯ কেজি কিসমিস, ৯০৮ পিস বিভিন্ন চকলেট, ২৬ প্যাকেট খৈনি, ১৬ কেজি পেঁয়াজের বীজ, ৬০০ পিস বিভিন্ন ওষুধ এবং ১ হাজার ৩০৭ পিস কসমেটিকস সামগ্রী জব্দ করা হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পণ্য জব্দ করা হয়েছে চেকপোস্ট আইসিপি এলাকা থেকে। জব্দ করা মাদকদ্রব্য ও চোরাচালানি পণ্যের মোট বাজারমূল্য ৫৪ লাখ ৭২ হাজার টাকা।
এ বিষয়ে যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান বলেন, মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান প্রতিরোধে সীমান্ত এলাকায় বিজিবির গোয়েন্দা নজরদারি ও বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সীমান্ত এলাকার আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে এবং অবৈধ পাচার রোধে বিজিবির এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে।
\

আপনার মতামত লিখুন