চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় মাত্র দেড়শ টাকার ট্রাক্টর ভাড়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে ট্রাক্টর মালিকের লাঠির আঘাতে গুরুতর আহত কৃষক আব্দুস সালাম মালিথা (৪৮) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। টানা পাঁচ দিন নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি মারা যান।
সামান্য কিছু টাকার জন্য একজন মানুষের প্রাণ এভাবে ঝরে যাওয়ায় পুরো মোড়ভাঙ্গা গ্রামে শোকের মাতম ও নীরব হাহাকার চলছে। স্থানীয় সূত্র ও স্বজনদের অভিযোগ, গত সোমবার (১২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় আলমডাঙ্গার মোড়ভাঙ্গা বাজারের একটি চপ-পিয়াজুর দোকানে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
জমি চাষের পাওনা ১৫০ টাকা নিয়ে মোড়ভাঙ্গা গ্রামের আব্দুর রহমান মালিথার ছেলে কৃষক আব্দুস সালামের সঙ্গে একই গ্রামের শরিফ উদ্দিনের ছেলে ট্রাক্টর চালক আরিফের (৩৫) বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে আরিফ দোকান থেকে একটি বড় কাঠের চলা দিয়ে সালামের মাথায় সজোরে আঘাত করেন। এতে রক্তাক্ত অবস্থায় তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
অভিযোগ রয়েছে, আঘাত করার পরও ক্ষান্ত হয়নি আরিফ; নিস্তেজ হয়ে পড়ে থাকা সালামের বুকে ও পিঠে সে লাথি মারতে থাকে। পরে সালাম পুরোপুরি সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে আরিফ দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত অবস্থায় সালামকে উদ্ধার করে প্রথমে আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে (হারদী হাসপাতাল) নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয় এবং সেখানে আইসিইউতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। অবশেষে শনিবার দুপুরে সব লড়াইয়ের অবসান ঘটিয়ে তার মৃত্যু হয়।
নিহতের স্বজনেরা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘মাত্র দেড়শ টাকার জন্য এমন নির্মমভাবে মানুষ খুন করা যায়? আমরা আরিফের দৃষ্টান্তমূলক কঠিন শাস্তি চাই।’ একটি মুহূর্তের নিষ্ঠুরতা একটি পরিবারের উপার্জনের একমাত্র অবলম্বনকে কেড়ে নেওয়ায় গ্রামবাসী ও স্বজনরা দ্রুত ঘাতক আরিফকে গ্রেপ্তার করে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় মাত্র দেড়শ টাকার ট্রাক্টর ভাড়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে ট্রাক্টর মালিকের লাঠির আঘাতে গুরুতর আহত কৃষক আব্দুস সালাম মালিথা (৪৮) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। টানা পাঁচ দিন নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি মারা যান।
সামান্য কিছু টাকার জন্য একজন মানুষের প্রাণ এভাবে ঝরে যাওয়ায় পুরো মোড়ভাঙ্গা গ্রামে শোকের মাতম ও নীরব হাহাকার চলছে। স্থানীয় সূত্র ও স্বজনদের অভিযোগ, গত সোমবার (১২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় আলমডাঙ্গার মোড়ভাঙ্গা বাজারের একটি চপ-পিয়াজুর দোকানে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
জমি চাষের পাওনা ১৫০ টাকা নিয়ে মোড়ভাঙ্গা গ্রামের আব্দুর রহমান মালিথার ছেলে কৃষক আব্দুস সালামের সঙ্গে একই গ্রামের শরিফ উদ্দিনের ছেলে ট্রাক্টর চালক আরিফের (৩৫) বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে আরিফ দোকান থেকে একটি বড় কাঠের চলা দিয়ে সালামের মাথায় সজোরে আঘাত করেন। এতে রক্তাক্ত অবস্থায় তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
অভিযোগ রয়েছে, আঘাত করার পরও ক্ষান্ত হয়নি আরিফ; নিস্তেজ হয়ে পড়ে থাকা সালামের বুকে ও পিঠে সে লাথি মারতে থাকে। পরে সালাম পুরোপুরি সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে আরিফ দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত অবস্থায় সালামকে উদ্ধার করে প্রথমে আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে (হারদী হাসপাতাল) নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয় এবং সেখানে আইসিইউতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। অবশেষে শনিবার দুপুরে সব লড়াইয়ের অবসান ঘটিয়ে তার মৃত্যু হয়।
নিহতের স্বজনেরা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘মাত্র দেড়শ টাকার জন্য এমন নির্মমভাবে মানুষ খুন করা যায়? আমরা আরিফের দৃষ্টান্তমূলক কঠিন শাস্তি চাই।’ একটি মুহূর্তের নিষ্ঠুরতা একটি পরিবারের উপার্জনের একমাত্র অবলম্বনকে কেড়ে নেওয়ায় গ্রামবাসী ও স্বজনরা দ্রুত ঘাতক আরিফকে গ্রেপ্তার করে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন