সংবাদ

ভাঙচুর-সংঘর্ষে রণক্ষেত্র উত্তরার: পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর, সাউন্ড গ্রেনেড প্রয়োগ


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৫ পিএম

ভাঙচুর-সংঘর্ষে রণক্ষেত্র উত্তরার: পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর, সাউন্ড গ্রেনেড প্রয়োগ

সর্বনিম্ন ৩০ হাজার টাকা মজুরি এবং বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবিতে রাজধানীর উত্তরায় টানা পঞ্চম দিনের মতো রাজপথে নেমে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন পোশাকশ্রমিকরা।

শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের উত্তরার রাজলক্ষ্মী এলাকায় শ্রমিকরা অবরোধের চেষ্টা করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে তাদের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এই সহিংস ঘটনায় ১৯ জন পুলিশ সদস্যসহ অন্তত অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।

উত্তরা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. রেজাউল করিম পরিস্থিতি সম্পর্কে তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, "সকাল ১০টার দিকে উত্তরার উত্তরখান ও দক্ষিণখান থানা এলাকার বিভিন্ন গার্মেন্টস শ্রমিকরা কসাইবাড়ি রেলগেট, জামতলা রেলগেট, আজমপুর রেলগেট, জসিমউদ্দিনের হলি ল্যাব মোড়ে জড়ো হতে শুরু করেন।"

পরবর্তীতে বেলা ১১টার দিকে আন্দোলনকারীরা রাজলক্ষ্মী সংলগ্ন উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টরের ১৩ নম্বর সড়কে একত্রিত হয়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পূর্ব পাশ অবরোধের জোর চেষ্টা চালান।

উত্তরা বিভাগের ডিসি রেজাউল করিম আরও জানান, "পরবর্তীতে বেলা ১১টার দিকে রাজলক্ষ্মী সংলগ্ন উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টরের ১৩ নম্বর সড়কে একত্রিত হয়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পূর্ব পাশ অবরোধের চেষ্টা করেন তারা। তখন পুলিশ বাধা দিলে পোশাকশ্রমিকরা পুলিশের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করেন। পরে পুলিশ লাঠিচার্জ, সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান নিক্ষেপ করে আন্দোলনরত শ্রমিকদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।"

পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ রূপ নিলে আন্দোলনকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে এবং এতে শিল্প পুলিশের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দিতে গিয়ে উত্তরা বিভাগের ডিসি রেজাউল করিম জানান, "এর মধ্যে শিল্প পুলিশের দুটি গাড়ি ভাঙচুর ও শিল্প পুলিশের এক সদস্যকে পিটিয়ে হাত ভেঙে দেয় শ্রমিকরা।"

হামলা ও ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে তিনি বলেন, "তাদের বিরুদ্ধে সিসি ক্যামেরা ফুটেজ দেখে মামলা করা হবে।" সংঘর্ষের পর ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে দীর্ঘ সময় যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয় এবং পুরো উত্তরা জুড়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬


ভাঙচুর-সংঘর্ষে রণক্ষেত্র উত্তরার: পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর, সাউন্ড গ্রেনেড প্রয়োগ

প্রকাশের তারিখ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

সর্বনিম্ন ৩০ হাজার টাকা মজুরি এবং বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবিতে রাজধানীর উত্তরায় টানা পঞ্চম দিনের মতো রাজপথে নেমে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন পোশাকশ্রমিকরা।

শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের উত্তরার রাজলক্ষ্মী এলাকায় শ্রমিকরা অবরোধের চেষ্টা করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে তাদের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এই সহিংস ঘটনায় ১৯ জন পুলিশ সদস্যসহ অন্তত অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।

উত্তরা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. রেজাউল করিম পরিস্থিতি সম্পর্কে তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, "সকাল ১০টার দিকে উত্তরার উত্তরখান ও দক্ষিণখান থানা এলাকার বিভিন্ন গার্মেন্টস শ্রমিকরা কসাইবাড়ি রেলগেট, জামতলা রেলগেট, আজমপুর রেলগেট, জসিমউদ্দিনের হলি ল্যাব মোড়ে জড়ো হতে শুরু করেন।"

পরবর্তীতে বেলা ১১টার দিকে আন্দোলনকারীরা রাজলক্ষ্মী সংলগ্ন উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টরের ১৩ নম্বর সড়কে একত্রিত হয়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পূর্ব পাশ অবরোধের জোর চেষ্টা চালান।

উত্তরা বিভাগের ডিসি রেজাউল করিম আরও জানান, "পরবর্তীতে বেলা ১১টার দিকে রাজলক্ষ্মী সংলগ্ন উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টরের ১৩ নম্বর সড়কে একত্রিত হয়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পূর্ব পাশ অবরোধের চেষ্টা করেন তারা। তখন পুলিশ বাধা দিলে পোশাকশ্রমিকরা পুলিশের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করেন। পরে পুলিশ লাঠিচার্জ, সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান নিক্ষেপ করে আন্দোলনরত শ্রমিকদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।"

পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ রূপ নিলে আন্দোলনকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে এবং এতে শিল্প পুলিশের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দিতে গিয়ে উত্তরা বিভাগের ডিসি রেজাউল করিম জানান, "এর মধ্যে শিল্প পুলিশের দুটি গাড়ি ভাঙচুর ও শিল্প পুলিশের এক সদস্যকে পিটিয়ে হাত ভেঙে দেয় শ্রমিকরা।"

হামলা ও ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে তিনি বলেন, "তাদের বিরুদ্ধে সিসি ক্যামেরা ফুটেজ দেখে মামলা করা হবে।" সংঘর্ষের পর ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে দীর্ঘ সময় যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয় এবং পুরো উত্তরা জুড়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত