গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর তরুণ উদ্যোক্তা মো. রিয়াদ হোসেন প্রান্তিক পর্যায়ে তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষাকে সহজলভ্য করে তরুণদের স্বাবলম্বী করার অনন্য স্বীকৃতি পেয়েছেন। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্যাটাগরিতে তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন ও মানবকল্যাণে বিশেষ অবদানের জন্য তার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে ‘ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ ও বিশেষ অনুদান সম্মাননা।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) ঢাকার তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ীদের হাতে পদক ও সনদ তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।
একটি সাধারণ স্মার্টফোনকে কাজে লাগিয়েও যে স্বাবলম্বী হওয়া সম্ভব–এই ভাবনা থেকে ২০১৯ সালে ‘মোবাইল ফ্রিল্যান্সিং’ বিষয়ক উদ্যোগ শুরু করেন রিয়াদ। তার প্রতিষ্ঠিত প্ল্যাটফর্ম থেকে মধ্যবিত্ত ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে গ্রাফিক্স ডিজাইন, ডিজিটাল মার্কেটিং ও কনটেন্ট ক্রিয়েশনের মতো দক্ষতাভিত্তিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
গত সাত বছরে সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত প্রচেষ্টায় ৫ হাজারের বেশি শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন রিয়াদ। এর মধ্যে ১ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি তরুণ-তরুণী ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে নিজেদের ভাগ্য বদলেছেন। তার প্রবর্তিত ‘লার্ন অ্যান্ড আর্ন’ মডেল স্থানীয় গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তনের সূচনা করেছে এবং বেকারত্ব দূর করতে বড় ভূমিকা রাখছে।
অনুষ্ঠানে স্বনির্ভর বাংলাদেশ গঠনে তরুণদের এমন উদ্ভাবনী কাজের ভূয়সী প্রশংসা করা হয় এবং প্রযুক্তিভিত্তিক বাংলাদেশ নির্মাণে তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়।
/

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর তরুণ উদ্যোক্তা মো. রিয়াদ হোসেন প্রান্তিক পর্যায়ে তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষাকে সহজলভ্য করে তরুণদের স্বাবলম্বী করার অনন্য স্বীকৃতি পেয়েছেন। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্যাটাগরিতে তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন ও মানবকল্যাণে বিশেষ অবদানের জন্য তার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে ‘ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ ও বিশেষ অনুদান সম্মাননা।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) ঢাকার তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ীদের হাতে পদক ও সনদ তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।
একটি সাধারণ স্মার্টফোনকে কাজে লাগিয়েও যে স্বাবলম্বী হওয়া সম্ভব–এই ভাবনা থেকে ২০১৯ সালে ‘মোবাইল ফ্রিল্যান্সিং’ বিষয়ক উদ্যোগ শুরু করেন রিয়াদ। তার প্রতিষ্ঠিত প্ল্যাটফর্ম থেকে মধ্যবিত্ত ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে গ্রাফিক্স ডিজাইন, ডিজিটাল মার্কেটিং ও কনটেন্ট ক্রিয়েশনের মতো দক্ষতাভিত্তিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
গত সাত বছরে সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত প্রচেষ্টায় ৫ হাজারের বেশি শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন রিয়াদ। এর মধ্যে ১ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি তরুণ-তরুণী ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে নিজেদের ভাগ্য বদলেছেন। তার প্রবর্তিত ‘লার্ন অ্যান্ড আর্ন’ মডেল স্থানীয় গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তনের সূচনা করেছে এবং বেকারত্ব দূর করতে বড় ভূমিকা রাখছে।
অনুষ্ঠানে স্বনির্ভর বাংলাদেশ গঠনে তরুণদের এমন উদ্ভাবনী কাজের ভূয়সী প্রশংসা করা হয় এবং প্রযুক্তিভিত্তিক বাংলাদেশ নির্মাণে তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়।
/

আপনার মতামত লিখুন