সংবাদ

পেটে পাথর বেঁধে কাপ্তাই হ্রদে জেলেকে হত্যা


সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫৮ এএম

পেটে পাথর বেঁধে কাপ্তাই হ্রদে জেলেকে হত্যা
ছবি : সংগৃহীত

রাঙামাটির বরকলে কাপ্তাই হ্রদে নিখোঁজের চার দিন পর মো. আরাফাত হোসেন (১৯) নামের এক জেলের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস। মরদেহের পেটে পাথর বাঁধা অবস্থায় ছিল। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ওই জেলের কর্মস্থল কেচকি জালের বোটের মালিক শফিককে আটক করা হয়েছে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার শুভলং ইউনিয়নের কাপ্তাই হ্রদের জোড়াটিলা এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত আরাফাত কেচকি জালে শ্রমিকের কাজ করতেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ১৩ অক্টোবর রাতে মালিক শফিকের সঙ্গে বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে আরাফাতকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এর পর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, হত্যাকাণ্ডের পর আলামত গায়েব করতে মরদেহের পেটে পাথর বেঁধে হ্রদের পানিতে ডুবিয়ে দেওয়া হয়।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লংগদু উপজেলার মহালছড়ি এলাকা থেকে অভিযুক্ত বোট মালিক শফিককে আটক করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল কাপ্তাই হ্রদে তল্লাশি চালিয়ে পেটে পাথর বাঁধা অবস্থায় আরাফাতের মরদেহ উদ্ধার করে।

বরকল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে এবং সুরতহাল ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে বিস্তারিত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

/ 

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬


পেটে পাথর বেঁধে কাপ্তাই হ্রদে জেলেকে হত্যা

প্রকাশের তারিখ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

রাঙামাটির বরকলে কাপ্তাই হ্রদে নিখোঁজের চার দিন পর মো. আরাফাত হোসেন (১৯) নামের এক জেলের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস। মরদেহের পেটে পাথর বাঁধা অবস্থায় ছিল। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ওই জেলের কর্মস্থল কেচকি জালের বোটের মালিক শফিককে আটক করা হয়েছে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার শুভলং ইউনিয়নের কাপ্তাই হ্রদের জোড়াটিলা এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত আরাফাত কেচকি জালে শ্রমিকের কাজ করতেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ১৩ অক্টোবর রাতে মালিক শফিকের সঙ্গে বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে আরাফাতকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এর পর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, হত্যাকাণ্ডের পর আলামত গায়েব করতে মরদেহের পেটে পাথর বেঁধে হ্রদের পানিতে ডুবিয়ে দেওয়া হয়।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লংগদু উপজেলার মহালছড়ি এলাকা থেকে অভিযুক্ত বোট মালিক শফিককে আটক করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল কাপ্তাই হ্রদে তল্লাশি চালিয়ে পেটে পাথর বাঁধা অবস্থায় আরাফাতের মরদেহ উদ্ধার করে।

বরকল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে এবং সুরতহাল ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে বিস্তারিত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

/ 


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত