রাজনৈতিক বিরোধিতার নামে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর চেষ্টা করা হলে তা জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের শহীদ ও মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের সঙ্গে চরম প্রতারণা হবে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাজধানীর ঐতিহাসিক ওসমানী উদ্যানে নবনির্মিত ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধন শেষে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানে বিরোধী দলের অনুপস্থিতির তীব্র সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিরোধী দল স্রেফ বিরোধিতার খাতিরেই সরকারের বিরোধিতা করে যাচ্ছে। তারা জুলাই-আগস্টের চেতনাকে ধারণ করে না বলেই আমন্ত্রণ জানানো সত্ত্বেও এই ঐতিহাসিক স্মারক উন্মোচন অনুষ্ঠানে অংশ নেয়নি।
তারেক রহমান বলেন, ‘সরকারের বিরোধিতা করার অধিকার আপনাদের আছে, কিন্তু সেই বিরোধিতা করতে গিয়ে যদি স্বৈরাচারকে ফিরিয়ে আনার পথ উন্মুক্ত করে দেন, তবে তা দেশের জন্য ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনবে। এটি যেমন জুলাইয়ের শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি, তেমনি একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গেও বিশ্বাসঘাতকতা।’
বিরোধী দলের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, ‘সরকারের সঙ্গে রাজনৈতিক দূরত্ব থাকতে পারে, কিন্তু যে মানুষগুলোর আত্মত্যাগের বিনিময়ে আজ আপনারা বিরোধী দল বা সংসদ সদস্য হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন, তাদের স্মরণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শহিদ পরিবারের পাশে তো এসে বসতে পারতেন। আজ আপনাদের না দেখে বোঝা যাচ্ছে, বিএনপি যেভাবে জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে, আপনারা তা করেন না।’
প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট বার্তা দিয়ে বলেন, দোষারোপ ও নেতিবাচক রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে সবাইকে জনকল্যাণে ও দেশ গঠনে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
/

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ অক্টোবর ২০২৬
রাজনৈতিক বিরোধিতার নামে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর চেষ্টা করা হলে তা জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের শহীদ ও মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের সঙ্গে চরম প্রতারণা হবে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাজধানীর ঐতিহাসিক ওসমানী উদ্যানে নবনির্মিত ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধন শেষে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানে বিরোধী দলের অনুপস্থিতির তীব্র সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিরোধী দল স্রেফ বিরোধিতার খাতিরেই সরকারের বিরোধিতা করে যাচ্ছে। তারা জুলাই-আগস্টের চেতনাকে ধারণ করে না বলেই আমন্ত্রণ জানানো সত্ত্বেও এই ঐতিহাসিক স্মারক উন্মোচন অনুষ্ঠানে অংশ নেয়নি।
তারেক রহমান বলেন, ‘সরকারের বিরোধিতা করার অধিকার আপনাদের আছে, কিন্তু সেই বিরোধিতা করতে গিয়ে যদি স্বৈরাচারকে ফিরিয়ে আনার পথ উন্মুক্ত করে দেন, তবে তা দেশের জন্য ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনবে। এটি যেমন জুলাইয়ের শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি, তেমনি একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গেও বিশ্বাসঘাতকতা।’
বিরোধী দলের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, ‘সরকারের সঙ্গে রাজনৈতিক দূরত্ব থাকতে পারে, কিন্তু যে মানুষগুলোর আত্মত্যাগের বিনিময়ে আজ আপনারা বিরোধী দল বা সংসদ সদস্য হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন, তাদের স্মরণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শহিদ পরিবারের পাশে তো এসে বসতে পারতেন। আজ আপনাদের না দেখে বোঝা যাচ্ছে, বিএনপি যেভাবে জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে, আপনারা তা করেন না।’
প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট বার্তা দিয়ে বলেন, দোষারোপ ও নেতিবাচক রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে সবাইকে জনকল্যাণে ও দেশ গঠনে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
/

আপনার মতামত লিখুন