দুর্গোৎসব শেষ হলে পল্লবী রূপনগরের মন্দিরের অবকাঠামোগত সমস্যার স্থায়ী সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
তিনি বলেছেন, ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সবাইকে একটি পরিবারের মতো বসবাস করতে হবে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে একটি মানবিক ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ঢাকা-১৬ আসনের পল্লবী ও রূপনগর এলাকার পাঁচটি পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
রূপনগর বেরিবাঁধের গোড়ান চটবাড়ী শ্রীশ্রী রাধাকৃষ্ণ মন্দিরে বক্তব্যকালে আমিনুল হক বলেন, মন্দিরটি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত অবস্থায় রয়েছে। এর অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সীমানাপ্রাচীর নির্মাণসহ প্রয়োজনীয় সমস্যাগুলো সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের যেকোনো প্রয়োজনে তিনি অতীতেও পাশে ছিলেন, ভবিষ্যতেও থাকবেন।
আমিনুল হক বলেন, মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান; সব ধর্মের মানুষ বাংলাদেশের একই পরিবারের সদস্য। প্রত্যেকের ধর্মীয় উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে উদ্যাপনে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সহমর্মিতা প্রয়োজন। দুর্গোৎসবের আনন্দ যেন কোনো বিশৃঙ্খলার কারণে ব্যাহত না হয়, সে জন্য সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।
পরে প্রতিমন্ত্রী ইস্টার্ন হাউজিংয়ের আলুব্দি পূজামণ্ডপ, বৃন্দাবন মন্দির, উত্তর কালশী মন্দির ও বাউনিয়াবাদ মন্দির পরিদর্শন করেন।

সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দুর্গোৎসব শেষ হলে পল্লবী রূপনগরের মন্দিরের অবকাঠামোগত সমস্যার স্থায়ী সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
তিনি বলেছেন, ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সবাইকে একটি পরিবারের মতো বসবাস করতে হবে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে একটি মানবিক ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ঢাকা-১৬ আসনের পল্লবী ও রূপনগর এলাকার পাঁচটি পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
রূপনগর বেরিবাঁধের গোড়ান চটবাড়ী শ্রীশ্রী রাধাকৃষ্ণ মন্দিরে বক্তব্যকালে আমিনুল হক বলেন, মন্দিরটি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত অবস্থায় রয়েছে। এর অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সীমানাপ্রাচীর নির্মাণসহ প্রয়োজনীয় সমস্যাগুলো সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের যেকোনো প্রয়োজনে তিনি অতীতেও পাশে ছিলেন, ভবিষ্যতেও থাকবেন।
আমিনুল হক বলেন, মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান; সব ধর্মের মানুষ বাংলাদেশের একই পরিবারের সদস্য। প্রত্যেকের ধর্মীয় উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে উদ্যাপনে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সহমর্মিতা প্রয়োজন। দুর্গোৎসবের আনন্দ যেন কোনো বিশৃঙ্খলার কারণে ব্যাহত না হয়, সে জন্য সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।
পরে প্রতিমন্ত্রী ইস্টার্ন হাউজিংয়ের আলুব্দি পূজামণ্ডপ, বৃন্দাবন মন্দির, উত্তর কালশী মন্দির ও বাউনিয়াবাদ মন্দির পরিদর্শন করেন।

আপনার মতামত লিখুন