চোটের কারণে মাঠের বাইরে আক্রমণভাগের দুই মূল অস্ত্র আর্লিং হালান্ড ও অ্যান্টোইন সেমেনিও। তবে ঘরের মাঠ ইতিহাদ স্টেডিয়ামে তাদের অনুপস্থিতি বিন্দুমাত্র টের পেতে দিলেন না ইংলিশ তারকা ফিল ফোডেন। এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডারের চোখধাঁধানো হ্যাটট্রিকে গ্রিক ক্লাব এইকে এথেন্সকে ৫-১ গোলের বিশাল ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি।
উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের নতুন আসরে পোর্তোকে হারিয়ে যাত্রা শুরুর পর গত সপ্তাহে ঘরের মাঠে পিএসজির কাছে ৪-২ গোলে হেরে ধাক্কা খেয়েছিল সিটিজেনরা। তবে এথেন্সকে দুমড়েমুচড়ে দিয়ে আবার ঘুরে দাঁড়াল এনজো মারেস্কার দল। তিন ম্যাচে দুই জয়ে ৬ পয়েন্ট তুলে নিয়ে গোল ব্যবধানে পয়েন্ট তালিকার ষষ্ঠ স্থানে উঠে এসেছে অল-ব্লুজরা। সমান ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে ২৭ নম্বরে অবস্থান করছে এথেন্স।
ম্যাচের শুরু থেকেই ধারালো আক্রমণের পশরা সাজায় ম্যানচেস্টার সিটি। ১২ মিনিটে আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজের মাপা ফ্রি-কিক ক্রসবারে লেগে ফিরে এলে দুর্দান্ত ক্ষিপ্রতায় ফিরতি বলে গোল করেন এলিয়ট অ্যান্ডারসন। ম্যান সিটির আকাশী-নীল জার্সিতে ১১ ম্যাচ খেলে এটাই তার প্রথম গোল।
ধারাবাহিক আক্রমণের মুখে ৩৪ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ফিল ফোডেন। ডান দিক থেকে ডি-বক্সে ঢুকে রিকো লুইসের সঙ্গে চমৎকার 'ওয়ান-টু' পাস খেলে ছয় গজ বক্স থেকে জোরালো শটে বল জালে জড়ান তিনি। প্রিমিয়ার লিগে ইপ্সউইচ টাউনের বিপক্ষে ফর্মে ফেরার পর টানা দুই ম্যাচে জালের দেখা পেলেন ফোডেন।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ৫২ মিনিটে একটি গোল শোধ করে কিছুটা চমক দেয় সফরকারী এথেন্স। বাঁ দিক থেকে গতিময় আক্রমণে ডি-বক্সে ঢুকে কোনাকুনি শটে লক্ষ্যভেদ করেন স্ট্যাভ্রোস পিলিওস (২-১)। তবে সিটিকে চেপে রাখার সেই চেষ্টা বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে দেননি ফোডেন। পাঁচ মিনিট পরই ডি-বক্সে দারুণ পাসে ফাঁকা জায়গা তৈরি করে দেন তিনি, যা থেকে গোল করেন ফরাসি উইঙ্গার রায়ান শের্কি। চলতি মৌসুমে এটি শের্কির ষষ্ঠ গোল।
এরপর ম্যাচের পুরোটাই ছিল ফোডেনময়। ৬৫ মিনিটে আবারও রিকো লুইসের পাস থেকে বক্সের ভেতর গতিময় ভলিতে দ্বিতীয় গোল করেন ফোডেন। আর ৭৬ মিনিটে সতীর্থের মাপা পাস ছয় গজ বক্সে পেয়ে নিখুঁত টোকায় পূর্ণ করেন রাজকীয় হ্যাটট্রিক। চলতি মৌসুমে এটি তার চতুর্থ গোল।
/

বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ অক্টোবর ২০২৬
চোটের কারণে মাঠের বাইরে আক্রমণভাগের দুই মূল অস্ত্র আর্লিং হালান্ড ও অ্যান্টোইন সেমেনিও। তবে ঘরের মাঠ ইতিহাদ স্টেডিয়ামে তাদের অনুপস্থিতি বিন্দুমাত্র টের পেতে দিলেন না ইংলিশ তারকা ফিল ফোডেন। এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডারের চোখধাঁধানো হ্যাটট্রিকে গ্রিক ক্লাব এইকে এথেন্সকে ৫-১ গোলের বিশাল ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি।
উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের নতুন আসরে পোর্তোকে হারিয়ে যাত্রা শুরুর পর গত সপ্তাহে ঘরের মাঠে পিএসজির কাছে ৪-২ গোলে হেরে ধাক্কা খেয়েছিল সিটিজেনরা। তবে এথেন্সকে দুমড়েমুচড়ে দিয়ে আবার ঘুরে দাঁড়াল এনজো মারেস্কার দল। তিন ম্যাচে দুই জয়ে ৬ পয়েন্ট তুলে নিয়ে গোল ব্যবধানে পয়েন্ট তালিকার ষষ্ঠ স্থানে উঠে এসেছে অল-ব্লুজরা। সমান ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে ২৭ নম্বরে অবস্থান করছে এথেন্স।
ম্যাচের শুরু থেকেই ধারালো আক্রমণের পশরা সাজায় ম্যানচেস্টার সিটি। ১২ মিনিটে আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজের মাপা ফ্রি-কিক ক্রসবারে লেগে ফিরে এলে দুর্দান্ত ক্ষিপ্রতায় ফিরতি বলে গোল করেন এলিয়ট অ্যান্ডারসন। ম্যান সিটির আকাশী-নীল জার্সিতে ১১ ম্যাচ খেলে এটাই তার প্রথম গোল।
ধারাবাহিক আক্রমণের মুখে ৩৪ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ফিল ফোডেন। ডান দিক থেকে ডি-বক্সে ঢুকে রিকো লুইসের সঙ্গে চমৎকার 'ওয়ান-টু' পাস খেলে ছয় গজ বক্স থেকে জোরালো শটে বল জালে জড়ান তিনি। প্রিমিয়ার লিগে ইপ্সউইচ টাউনের বিপক্ষে ফর্মে ফেরার পর টানা দুই ম্যাচে জালের দেখা পেলেন ফোডেন।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ৫২ মিনিটে একটি গোল শোধ করে কিছুটা চমক দেয় সফরকারী এথেন্স। বাঁ দিক থেকে গতিময় আক্রমণে ডি-বক্সে ঢুকে কোনাকুনি শটে লক্ষ্যভেদ করেন স্ট্যাভ্রোস পিলিওস (২-১)। তবে সিটিকে চেপে রাখার সেই চেষ্টা বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে দেননি ফোডেন। পাঁচ মিনিট পরই ডি-বক্সে দারুণ পাসে ফাঁকা জায়গা তৈরি করে দেন তিনি, যা থেকে গোল করেন ফরাসি উইঙ্গার রায়ান শের্কি। চলতি মৌসুমে এটি শের্কির ষষ্ঠ গোল।
এরপর ম্যাচের পুরোটাই ছিল ফোডেনময়। ৬৫ মিনিটে আবারও রিকো লুইসের পাস থেকে বক্সের ভেতর গতিময় ভলিতে দ্বিতীয় গোল করেন ফোডেন। আর ৭৬ মিনিটে সতীর্থের মাপা পাস ছয় গজ বক্সে পেয়ে নিখুঁত টোকায় পূর্ণ করেন রাজকীয় হ্যাটট্রিক। চলতি মৌসুমে এটি তার চতুর্থ গোল।
/

আপনার মতামত লিখুন