জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চর আমখাওয়া ইউনিয়নের চর মাদার এলাকায় নিরাপদ পানি সরবরাহের একটি প্রকল্প দীর্ঘদিন ধরে অসমাপ্ত পড়ে আছে। দুই কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ের প্রকল্পটির ৭০ শতাংশ কাজ শেষ হলেও বাকি ৩০ শতাংশ কাজ দেড় বছরের বেশি সময় ধরে বন্ধ।
সংবাদ-এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পটির কাজ ২০২৩ সালের মার্চে শুরু হয়। চুক্তি অনুযায়ী, ৫৪৬ দিনের মধ্যে অর্থাৎ ২০২৪ সালের আগস্টে কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে নির্মাণকাজ বন্ধ হয়ে যায়। এরপর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও কাজ শেষ হয়নি। ফলে অবকাঠামো নির্মিত হলেও তা স্থানীয় মানুষের কাজে আসছে না। নিরাপদ পানির প্রত্যাশায় থাকা পরিবারগুলোকে অপেক্ষা করতে হচ্ছে অনির্দিষ্টকাল।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য অনুযায়ী, শুরুতে ৫০টি পরিবারের জন্য পানির সংযোগের ব্যবস্থা থাকলেও পরে আরও ৩৩০টি পরিবারকে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ জন্য সংশোধিত বাজেটে ১৮ লাখ টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাবটি অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকায় কাজ এগোচ্ছে না বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। আমরা বলতে চাই, উপকারভোগীর সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ ইতিবাচক হলেও এর কারণে পুরো প্রকল্প দীর্ঘদিন আটকে থাকা গ্রহণযোগ্য নয়। পরিকল্পনা ও সমন্বয়ের ঘাটতি থাকলে তার দায় সাধারণ মানুষের ওপর চাপানো যায় না।
এ অবস্থায় সংশোধিত বাজেট অনুমোদনের প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করতে হবে। একই সঙ্গে বাকি কাজ শেষ করার নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। প্রয়োজনে প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়মিত তদারক করতে হবে, যাতে আবারও কাজ বন্ধ হয়ে না যায়।

বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ অক্টোবর ২০২৬
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চর আমখাওয়া ইউনিয়নের চর মাদার এলাকায় নিরাপদ পানি সরবরাহের একটি প্রকল্প দীর্ঘদিন ধরে অসমাপ্ত পড়ে আছে। দুই কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ের প্রকল্পটির ৭০ শতাংশ কাজ শেষ হলেও বাকি ৩০ শতাংশ কাজ দেড় বছরের বেশি সময় ধরে বন্ধ।
সংবাদ-এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পটির কাজ ২০২৩ সালের মার্চে শুরু হয়। চুক্তি অনুযায়ী, ৫৪৬ দিনের মধ্যে অর্থাৎ ২০২৪ সালের আগস্টে কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে নির্মাণকাজ বন্ধ হয়ে যায়। এরপর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও কাজ শেষ হয়নি। ফলে অবকাঠামো নির্মিত হলেও তা স্থানীয় মানুষের কাজে আসছে না। নিরাপদ পানির প্রত্যাশায় থাকা পরিবারগুলোকে অপেক্ষা করতে হচ্ছে অনির্দিষ্টকাল।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য অনুযায়ী, শুরুতে ৫০টি পরিবারের জন্য পানির সংযোগের ব্যবস্থা থাকলেও পরে আরও ৩৩০টি পরিবারকে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ জন্য সংশোধিত বাজেটে ১৮ লাখ টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাবটি অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকায় কাজ এগোচ্ছে না বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। আমরা বলতে চাই, উপকারভোগীর সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ ইতিবাচক হলেও এর কারণে পুরো প্রকল্প দীর্ঘদিন আটকে থাকা গ্রহণযোগ্য নয়। পরিকল্পনা ও সমন্বয়ের ঘাটতি থাকলে তার দায় সাধারণ মানুষের ওপর চাপানো যায় না।
এ অবস্থায় সংশোধিত বাজেট অনুমোদনের প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করতে হবে। একই সঙ্গে বাকি কাজ শেষ করার নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। প্রয়োজনে প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়মিত তদারক করতে হবে, যাতে আবারও কাজ বন্ধ হয়ে না যায়।

আপনার মতামত লিখুন