উলুধ্বনি, শাঁখের সুর আর ঢাকের গুমগুম বাদ্যে মুখরিত ফেনীর কালিপাল দশমী ঘাট। বিসর্জনের শুভক্ষণে মঙ্গলধ্বনির সঙ্গে ভক্তদের কণ্ঠ থেকে ভেসে আসে এক আকুল আহ্বান–‘আসছে বছর আবার হবে, মা তুমি আবার এসো’।
বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে ফেনীর ঐতিহাসিক কালিপাল দশমী ঘাটে দেবী দুর্গার বিসর্জনের মধ্য দিয়ে সমাপ্তি ঘটে শারদীয় দুর্গোৎসবের। ফেনী কেন্দ্রীয় দুর্গা মন্দিরের প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দেবী বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। পরে একে একে জেলার অন্যান্য পূজামণ্ডপের প্রতিমা জলে বিসর্জন দেওয়া হয়।
বিজয়া দশমী উপলক্ষে কালিপাল ঘাটে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফেনীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিম। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার এবং ফেনী পৌরসভার প্রশাসক নুরুদ্দিন মোহাম্মদ শিবলী নোমান।
ফেনী জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট সমীর করের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি শুকদেব নাথ তপন, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শান্তি রঞ্জন চৌধুরী এবং ফেনী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুলতানা নাসরিন কান্তা।
জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, এ বছর ফেনী জেলার মোট ১৫৩টি মণ্ডপে উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ অক্টোবর ২০২৬
উলুধ্বনি, শাঁখের সুর আর ঢাকের গুমগুম বাদ্যে মুখরিত ফেনীর কালিপাল দশমী ঘাট। বিসর্জনের শুভক্ষণে মঙ্গলধ্বনির সঙ্গে ভক্তদের কণ্ঠ থেকে ভেসে আসে এক আকুল আহ্বান–‘আসছে বছর আবার হবে, মা তুমি আবার এসো’।
বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে ফেনীর ঐতিহাসিক কালিপাল দশমী ঘাটে দেবী দুর্গার বিসর্জনের মধ্য দিয়ে সমাপ্তি ঘটে শারদীয় দুর্গোৎসবের। ফেনী কেন্দ্রীয় দুর্গা মন্দিরের প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দেবী বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। পরে একে একে জেলার অন্যান্য পূজামণ্ডপের প্রতিমা জলে বিসর্জন দেওয়া হয়।
বিজয়া দশমী উপলক্ষে কালিপাল ঘাটে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফেনীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিম। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার এবং ফেনী পৌরসভার প্রশাসক নুরুদ্দিন মোহাম্মদ শিবলী নোমান।
ফেনী জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট সমীর করের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি শুকদেব নাথ তপন, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শান্তি রঞ্জন চৌধুরী এবং ফেনী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুলতানা নাসরিন কান্তা।
জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, এ বছর ফেনী জেলার মোট ১৫৩টি মণ্ডপে উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন