সংবাদ

মাদরাসা শিক্ষককে থাপ্পড়: মুখ খুললেন ভুক্তভোগীর বাবা


সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩১ পিএম

মাদরাসা শিক্ষককে থাপ্পড়: মুখ খুললেন ভুক্তভোগীর বাবা
ছবি : সংগৃহীত

গাজীপুরের টঙ্গীতে ছয় বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে এক মাদ্রাসাশিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষককে মারধরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টির মুখোমুখি ব্যাখ্যা দিয়েছেন ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমি।

ভুক্তভোগী শিশুর বাবার দাবি, শিক্ষক নিজের অপরাধ স্বীকার করার পর একজন অভিভাবক হিসেবে ক্ষোভ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে তিনি তাকে থাপ্পড় মারেন। পরবর্তীতে স্থানীয় কয়েকজনও এতে যুক্ত হন। অন্যদিকে, নিজেদের অপরাধ ঢাকার জন্য মাদরাসা কর্তৃপক্ষ উল্টো চুরি ও ভাঙচুরের মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে শাহজালাল রুমি জানান, তিনি মাদরাসার অধ্যক্ষের কক্ষের বাইরে প্রায় ১৫ মিনিট অপেক্ষা করেছিলেন। অভিযুক্ত শিক্ষক সেখানে এলে তিনি ঘটনার সত্যতা জানতে চান। শিক্ষক নিজে স্বীকার করেন যে তিনি শিশুটির সাথে জোরাজুরি করেছেন ও তাকে চুমু দিয়েছেন। এ কথা শোনার পর তিনি চরম ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন এবং নিজেকে ধরে রাখতে পারেননি। 

মাদরাসার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার দাবি জানিয়ে ভুক্তভোগীর বাবা আরও বলেন, "আমার বিরুদ্ধে ১৭ লাখ টাকা লুট ও ভাঙচুরের যেসব অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। সামান্য একটি ৩ মিলিমিটার পুরু কাচে হাত লাগায় তা ভেঙে গিয়েছিল। আমি কোনো অর্থ লুট করিনি; সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করলেই বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে।"

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ঘটনার দুই দিন আগে অভিযুক্ত শিক্ষক বিষয়টি চেপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে তাদের বাসায় যান এবং শিশুর মাকে হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠান। এমনকি শিশুটির নানা-র সঙ্গে রাস্তায় দেখা হলে সে ভুল স্বীকার করে আর কখনো এমন কাজ না করার অঙ্গীকার করে।

সন্তানের ওপর ঘটে যাওয়া এই অন্যায়ের সুষ্ঠু তদন্ত এবং অভিযুক্ত শিক্ষকের সর্বোচ্চ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এই পিতা।

\ 

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬


মাদরাসা শিক্ষককে থাপ্পড়: মুখ খুললেন ভুক্তভোগীর বাবা

প্রকাশের তারিখ : ২৪ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

গাজীপুরের টঙ্গীতে ছয় বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে এক মাদ্রাসাশিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষককে মারধরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টির মুখোমুখি ব্যাখ্যা দিয়েছেন ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমি।

ভুক্তভোগী শিশুর বাবার দাবি, শিক্ষক নিজের অপরাধ স্বীকার করার পর একজন অভিভাবক হিসেবে ক্ষোভ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে তিনি তাকে থাপ্পড় মারেন। পরবর্তীতে স্থানীয় কয়েকজনও এতে যুক্ত হন। অন্যদিকে, নিজেদের অপরাধ ঢাকার জন্য মাদরাসা কর্তৃপক্ষ উল্টো চুরি ও ভাঙচুরের মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে শাহজালাল রুমি জানান, তিনি মাদরাসার অধ্যক্ষের কক্ষের বাইরে প্রায় ১৫ মিনিট অপেক্ষা করেছিলেন। অভিযুক্ত শিক্ষক সেখানে এলে তিনি ঘটনার সত্যতা জানতে চান। শিক্ষক নিজে স্বীকার করেন যে তিনি শিশুটির সাথে জোরাজুরি করেছেন ও তাকে চুমু দিয়েছেন। এ কথা শোনার পর তিনি চরম ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন এবং নিজেকে ধরে রাখতে পারেননি। 

মাদরাসার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার দাবি জানিয়ে ভুক্তভোগীর বাবা আরও বলেন, "আমার বিরুদ্ধে ১৭ লাখ টাকা লুট ও ভাঙচুরের যেসব অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। সামান্য একটি ৩ মিলিমিটার পুরু কাচে হাত লাগায় তা ভেঙে গিয়েছিল। আমি কোনো অর্থ লুট করিনি; সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করলেই বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে।"

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ঘটনার দুই দিন আগে অভিযুক্ত শিক্ষক বিষয়টি চেপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে তাদের বাসায় যান এবং শিশুর মাকে হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠান। এমনকি শিশুটির নানা-র সঙ্গে রাস্তায় দেখা হলে সে ভুল স্বীকার করে আর কখনো এমন কাজ না করার অঙ্গীকার করে।

সন্তানের ওপর ঘটে যাওয়া এই অন্যায়ের সুষ্ঠু তদন্ত এবং অভিযুক্ত শিক্ষকের সর্বোচ্চ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এই পিতা।

\ 


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত