পাবনার সাঁথিয়া পৌর জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব মুজাহিদ ফকিরের ফেসবুক স্টোরিতে আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় জেলাজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। ভিডিওটি আপলোড করার প্রায় ঘণ্টাখানেক পর নিজের ফেসবুক আইডি থেকে মুছে দেন ওই নেতা। তবে তার আগেই ভিডিওটি ডাউনলোড ও স্ক্রিনশট নিয়ে রাখেন অনেক ব্যবহারকারী। পরবর্তীতে বিভিন্ন পেজ ও আইডিতে তা প্রকাশ পাওয়ায় এনসিপি নেতার তীব্র নিন্দা ও শাস্তির দাবি জানাচ্ছেন নেটিজেনরা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিওটিতে দেখা যায়, দুই ব্যক্তির হাত ও পায়ের কিছু অংশ দৃশ্যমান। এদের মধ্যে একজন একটি আগ্নেয়াস্ত্র মেঝেবোতে রাখার পর অন্যজন সেটি হাতে নিয়ে নেড়েচেড়ে প্রদর্শন করছেন। তবে ভিডিওতে তাঁদের মুখ স্পষ্ট নয়।
এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে সাঁথিয়া পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুল করিম বলেন, জনমনে ভীতি সৃষ্টি করতেই রাজনৈতিক নেতা হয়ে এভাবে বারবার অস্ত্র প্রদর্শন করা হচ্ছে। এলাকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসনের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিসুর রহমান জানান, মুজাহিদ ফকির এর আগেও ফেসবুকে অস্ত্রের ভিডিও দিয়েছিলেন, যা তদন্তে খেলনা পিস্তল প্রমাণিত হয়। তবে এবারের ভিডিওর অস্ত্রটি আসল কি না এবং তা প্রদর্শনের কোনো আইনি বৈধতা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে সাঁথিয়া উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক মো. বকুল জানান, অভিযুক্ত মুজাহিদের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় এবং ভিডিওটি না দেখায় তিনি বিস্তারিত বলতে পারছেন না। তবে খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যদিকে মন্তব্যের জন্য মুজাহিদ ফকিরের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ অক্টোবর ২০২৬
পাবনার সাঁথিয়া পৌর জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব মুজাহিদ ফকিরের ফেসবুক স্টোরিতে আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় জেলাজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। ভিডিওটি আপলোড করার প্রায় ঘণ্টাখানেক পর নিজের ফেসবুক আইডি থেকে মুছে দেন ওই নেতা। তবে তার আগেই ভিডিওটি ডাউনলোড ও স্ক্রিনশট নিয়ে রাখেন অনেক ব্যবহারকারী। পরবর্তীতে বিভিন্ন পেজ ও আইডিতে তা প্রকাশ পাওয়ায় এনসিপি নেতার তীব্র নিন্দা ও শাস্তির দাবি জানাচ্ছেন নেটিজেনরা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিওটিতে দেখা যায়, দুই ব্যক্তির হাত ও পায়ের কিছু অংশ দৃশ্যমান। এদের মধ্যে একজন একটি আগ্নেয়াস্ত্র মেঝেবোতে রাখার পর অন্যজন সেটি হাতে নিয়ে নেড়েচেড়ে প্রদর্শন করছেন। তবে ভিডিওতে তাঁদের মুখ স্পষ্ট নয়।
এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে সাঁথিয়া পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুল করিম বলেন, জনমনে ভীতি সৃষ্টি করতেই রাজনৈতিক নেতা হয়ে এভাবে বারবার অস্ত্র প্রদর্শন করা হচ্ছে। এলাকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসনের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিসুর রহমান জানান, মুজাহিদ ফকির এর আগেও ফেসবুকে অস্ত্রের ভিডিও দিয়েছিলেন, যা তদন্তে খেলনা পিস্তল প্রমাণিত হয়। তবে এবারের ভিডিওর অস্ত্রটি আসল কি না এবং তা প্রদর্শনের কোনো আইনি বৈধতা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে সাঁথিয়া উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক মো. বকুল জানান, অভিযুক্ত মুজাহিদের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় এবং ভিডিওটি না দেখায় তিনি বিস্তারিত বলতে পারছেন না। তবে খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যদিকে মন্তব্যের জন্য মুজাহিদ ফকিরের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

আপনার মতামত লিখুন