রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে পদ্মা নদীতে বন্ধুদের সঙ্গে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ২৩ ঘণ্টা পর নুর আমিন (৮) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) বেলা পৌনে ১২টার দিকে উপজেলার দৌলতদিয়া ৬ নম্বর ফেরিঘাট এলাকায় নদী থেকে ফায়ার সার্ভিস ও দৌলতদিয়া নৌপুলিশের সদস্যরা তার মরদেহ উদ্ধার করেন।
নিহত নুর আমিন দৌলতদিয়া ইউনিয়নের শাহাদত মেম্বার পাড়ার রেজাউল ফকিরের ছেলে।
এর আগে শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুর পৌনে ১টার দিকে ৬ নম্বর ফেরিঘাটসংলগ্ন পদ্মায় বন্ধুদের সঙ্গে গোসল করতে নেমে নদীর তীব্র স্রোতে ভেসে যায় নুর আমিন। সঙ্গে থাকা অন্য শিশুরা তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, নৌপুলিশ ও স্থানীয় ডুবুরিরা টানা উদ্ধার অভিযান চালান। শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে দুর্ঘটনাস্থলের কাছাকাছি নদীতে মরদেহ ভেসে উঠলে তা উদ্ধার করা হয়।
দৌলতদিয়া নৌপুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ত্রিনাথা সাহা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, শিশুটির মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং গোয়ালন্দ ঘাট থানায় একটি অপমৃত্যু মামলার প্রস্তুতি চলছে। পদ্মা নদীতে প্রবল স্রোত থাকায় শিশুদের নদীতে নামার ক্ষেত্রে অভিভাবকদের বাড়তি সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
এদিকে নিষ্পাপ এই শিশুর অকালমৃত্যুতে পরিবার ও এলাকা জুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ অক্টোবর ২০২৬
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে পদ্মা নদীতে বন্ধুদের সঙ্গে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ২৩ ঘণ্টা পর নুর আমিন (৮) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) বেলা পৌনে ১২টার দিকে উপজেলার দৌলতদিয়া ৬ নম্বর ফেরিঘাট এলাকায় নদী থেকে ফায়ার সার্ভিস ও দৌলতদিয়া নৌপুলিশের সদস্যরা তার মরদেহ উদ্ধার করেন।
নিহত নুর আমিন দৌলতদিয়া ইউনিয়নের শাহাদত মেম্বার পাড়ার রেজাউল ফকিরের ছেলে।
এর আগে শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুর পৌনে ১টার দিকে ৬ নম্বর ফেরিঘাটসংলগ্ন পদ্মায় বন্ধুদের সঙ্গে গোসল করতে নেমে নদীর তীব্র স্রোতে ভেসে যায় নুর আমিন। সঙ্গে থাকা অন্য শিশুরা তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, নৌপুলিশ ও স্থানীয় ডুবুরিরা টানা উদ্ধার অভিযান চালান। শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে দুর্ঘটনাস্থলের কাছাকাছি নদীতে মরদেহ ভেসে উঠলে তা উদ্ধার করা হয়।
দৌলতদিয়া নৌপুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ত্রিনাথা সাহা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, শিশুটির মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং গোয়ালন্দ ঘাট থানায় একটি অপমৃত্যু মামলার প্রস্তুতি চলছে। পদ্মা নদীতে প্রবল স্রোত থাকায় শিশুদের নদীতে নামার ক্ষেত্রে অভিভাবকদের বাড়তি সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
এদিকে নিষ্পাপ এই শিশুর অকালমৃত্যুতে পরিবার ও এলাকা জুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন