সংবাদ

মুক্তিপণের লোভে খুন, চাচার ফাঁসির আদেশ


প্রতিনিধি, টাঙ্গাইল
প্রতিনিধি, টাঙ্গাইল
প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৬, ০৬:৩৭ পিএম

মুক্তিপণের লোভে খুন, চাচার ফাঁসির আদেশ
ছবি : সংগৃহীত

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে মুক্তিপণের দাবিতে আপন ভাতিজাকে অপহরণের পর হত্যার দায়ে মো. নুরনবী নামে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আ ন ম ইলিয়াস এই রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি অপহরণের দায়ে নুরনবীকে ১৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং মরদেহ গুম করার দায়ে আরও ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত নুরনবী গোপালপুর উপজেলার নবধূলটিয়া গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আদালত ও মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর মুক্তিপণের দাবিতে গোপালপুরের নাসির উদ্দিনের নাতি কে এম রাহেনুল ইসলাম আরাফকে অপহরণ করেন নুরনবী। এ ঘটনায় ১১ অক্টোবর গোপালপুর থানায় মামলা করেন নাসির উদ্দিন। এর পরদিন গাজীপুরের কালিয়াকৈর এলাকা থেকে শিশু আরাফের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) ওমরাও খান দিপু বলেন, পুলিশ গত বছরের ২৭ মে নুরনবীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত আজ এই রায় দেন। এই রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬


মুক্তিপণের লোভে খুন, চাচার ফাঁসির আদেশ

প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুন ২০২৬

featured Image

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে মুক্তিপণের দাবিতে আপন ভাতিজাকে অপহরণের পর হত্যার দায়ে মো. নুরনবী নামে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আ ন ম ইলিয়াস এই রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি অপহরণের দায়ে নুরনবীকে ১৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং মরদেহ গুম করার দায়ে আরও ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত নুরনবী গোপালপুর উপজেলার নবধূলটিয়া গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আদালত ও মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর মুক্তিপণের দাবিতে গোপালপুরের নাসির উদ্দিনের নাতি কে এম রাহেনুল ইসলাম আরাফকে অপহরণ করেন নুরনবী। এ ঘটনায় ১১ অক্টোবর গোপালপুর থানায় মামলা করেন নাসির উদ্দিন। এর পরদিন গাজীপুরের কালিয়াকৈর এলাকা থেকে শিশু আরাফের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) ওমরাও খান দিপু বলেন, পুলিশ গত বছরের ২৭ মে নুরনবীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত আজ এই রায় দেন। এই রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত