ফরিদপুরে অ্যাপেন্ডিসাইটিসের অস্ত্রোপচারের পর এক কলেজছাত্রীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। নিহতের স্বজনদের দাবি, চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসার কারণে ওই শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। এদিকে ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত চিকিৎসক আত্মগোপনে রয়েছেন।
নিহত আয়েশা আফরিন (১৭) ফরিদপুর সরকারি ইয়াসিন কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। সে সদরপুর উপজেলার কৈলাশের ডাঙ্গী গ্রামের প্রবাসী লিটন মাতুব্বরের মেয়ে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে পেটে তীব্র ব্যথা শুরু হলে আয়েশাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে অবস্থিত ‘আল জারা প্রাইভেট হাসপাতালে’ ভর্তি করা হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে রাতেই তার অ্যাপেন্ডিসাইটিসের অস্ত্রোপচার করা হয়। স্বজনদের অভিযোগ, অস্ত্রোপচারের পর থেকেই আয়েশার অবস্থার অবনতি হতে থাকে। পরিস্থিতি গুরুতর দেখে রাত ৩টার দিকে তাকে শহরের অন্য একটি হাসপাতালের আইসিইউতে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে তার মৃত্যু হয়।
নিহতের মা আলেয়া বেগম বিলাপ করতে করতে বলেন, ‘আমার সুস্থ মেয়েটাকে ওরা ভুল চিকিৎসা দিয়ে মেরে ফেলল! আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই, দোষীদের কঠিন শাস্তি চাই।’
অভিযোগ উঠেছে, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের এক চিকিৎসক এই অস্ত্রোপচারটি করেছিলেন। আয়েশার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই ওই চিকিৎসক পলাতক। তার ব্যবহৃত মুঠোফোনটিও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।
ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। তদন্তের জন্য ৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিবেদনে চিকিৎসার কোনো গাফিলতি বা অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
/

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬
ফরিদপুরে অ্যাপেন্ডিসাইটিসের অস্ত্রোপচারের পর এক কলেজছাত্রীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। নিহতের স্বজনদের দাবি, চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসার কারণে ওই শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। এদিকে ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত চিকিৎসক আত্মগোপনে রয়েছেন।
নিহত আয়েশা আফরিন (১৭) ফরিদপুর সরকারি ইয়াসিন কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। সে সদরপুর উপজেলার কৈলাশের ডাঙ্গী গ্রামের প্রবাসী লিটন মাতুব্বরের মেয়ে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে পেটে তীব্র ব্যথা শুরু হলে আয়েশাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে অবস্থিত ‘আল জারা প্রাইভেট হাসপাতালে’ ভর্তি করা হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে রাতেই তার অ্যাপেন্ডিসাইটিসের অস্ত্রোপচার করা হয়। স্বজনদের অভিযোগ, অস্ত্রোপচারের পর থেকেই আয়েশার অবস্থার অবনতি হতে থাকে। পরিস্থিতি গুরুতর দেখে রাত ৩টার দিকে তাকে শহরের অন্য একটি হাসপাতালের আইসিইউতে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে তার মৃত্যু হয়।
নিহতের মা আলেয়া বেগম বিলাপ করতে করতে বলেন, ‘আমার সুস্থ মেয়েটাকে ওরা ভুল চিকিৎসা দিয়ে মেরে ফেলল! আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই, দোষীদের কঠিন শাস্তি চাই।’
অভিযোগ উঠেছে, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের এক চিকিৎসক এই অস্ত্রোপচারটি করেছিলেন। আয়েশার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই ওই চিকিৎসক পলাতক। তার ব্যবহৃত মুঠোফোনটিও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।
ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। তদন্তের জন্য ৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিবেদনে চিকিৎসার কোনো গাফিলতি বা অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
/

আপনার মতামত লিখুন