বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার মীরগঞ্জ এলাকায় আকস্মিকভাবে বেড়িবাঁধ ভেঙে চলাচলের রাস্তা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এতে রহমতপুর ও চাঁদ পাশা–এই দুই ইউনিয়নের হাজারো মানুষের যোগাযোগব্যবস্থা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়েছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাতে বাঁধটি ভেঙে নদীতে তলিয়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মীরগঞ্জ এলাকার এই বেড়িবাঁধটি তারা নিজেদের উদ্যোগে ও শ্রমে নির্মাণ করেছিলেন। রাতে হঠাৎ বাঁধের বড় একটি অংশ ধসে পড়লে চলাচলের প্রধান সড়কটি নদীতে বিলীন হয়ে যায়। এর ফলে দুই ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ এখন অনেকটা অবরুদ্ধ অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। বিকল্প কোনো রাস্তা না থাকায় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, মুমূর্ষু রোগী এবং কৃষিপণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে চরম ভোগান্তি দেখা দিয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা জানান, যাতায়াতের একমাত্র রাস্তাটি হারিয়ে তারা এখন অসহায়। দ্রুত এটি মেরামত করা না হলে তাদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়বে।
জানতে চাইলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মুশফিকুর রহমান শুভ বলেন, 'বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) মাধ্যমে আমরা বিষয়টি জানতে পেরেছি। ইতিমধ্যে মীরগঞ্জের রফিয়াদী এলাকায় আমাদের প্রতিনিধি দল সরেজমিনে পরিদর্শন ও জরিপ শেষ করেছে। এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে অনুমোদন পাওয়ামাত্রই বাঁধ মেরামত ও রাস্তা পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু করা হবে।'
তবে অনুমোদন ও বাজেট বরাদ্দের প্রক্রিয়া শেষ করে কাজ শুরু হতে কতদিন সময় লাগবে, তা নিয়ে শঙ্কিত স্থানীয়রা। তারা জনস্বার্থে জরুরি ভিত্তিতে এই সমস্যার সমাধান দাবি করেছেন।

শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার মীরগঞ্জ এলাকায় আকস্মিকভাবে বেড়িবাঁধ ভেঙে চলাচলের রাস্তা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এতে রহমতপুর ও চাঁদ পাশা–এই দুই ইউনিয়নের হাজারো মানুষের যোগাযোগব্যবস্থা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়েছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাতে বাঁধটি ভেঙে নদীতে তলিয়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মীরগঞ্জ এলাকার এই বেড়িবাঁধটি তারা নিজেদের উদ্যোগে ও শ্রমে নির্মাণ করেছিলেন। রাতে হঠাৎ বাঁধের বড় একটি অংশ ধসে পড়লে চলাচলের প্রধান সড়কটি নদীতে বিলীন হয়ে যায়। এর ফলে দুই ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ এখন অনেকটা অবরুদ্ধ অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। বিকল্প কোনো রাস্তা না থাকায় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, মুমূর্ষু রোগী এবং কৃষিপণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে চরম ভোগান্তি দেখা দিয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা জানান, যাতায়াতের একমাত্র রাস্তাটি হারিয়ে তারা এখন অসহায়। দ্রুত এটি মেরামত করা না হলে তাদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়বে।
জানতে চাইলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মুশফিকুর রহমান শুভ বলেন, 'বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) মাধ্যমে আমরা বিষয়টি জানতে পেরেছি। ইতিমধ্যে মীরগঞ্জের রফিয়াদী এলাকায় আমাদের প্রতিনিধি দল সরেজমিনে পরিদর্শন ও জরিপ শেষ করেছে। এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে অনুমোদন পাওয়ামাত্রই বাঁধ মেরামত ও রাস্তা পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু করা হবে।'
তবে অনুমোদন ও বাজেট বরাদ্দের প্রক্রিয়া শেষ করে কাজ শুরু হতে কতদিন সময় লাগবে, তা নিয়ে শঙ্কিত স্থানীয়রা। তারা জনস্বার্থে জরুরি ভিত্তিতে এই সমস্যার সমাধান দাবি করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন