ভোটার তালিকার 'এসআইআর' (বিশেষ সংক্ষিপ্ত সংশোধন) প্রক্রিয়া, নির্বাচন কমিশনের জবাবদিহি এবং আন্দোলনকারীদের দমনে প্রশাসনিক পদক্ষেপ—এই তিন ইস্যুকে কেন্দ্র করে ভারতের রাজধানী দিল্লির রাজনীতি ও সুপ্রিম কোর্টের এজলাস চরম উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। সংবেদনশীল এই পরিস্থিতে আজ শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে ফের নতুন আন্দোলনের ডাক দিয়েছে প্রতিবাদী সংগঠন সিজেপি।
ভোটার তালিকা থেকে ভোটারদের নাম বাদ পড়া ও নানা অনিয়মের অভিযোগে বিরোধীদের দায়ের করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন এবং ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে ব্যাখ্যা চেয়ে জবাব তলব করেছে সুপ্রিম কোর্ট। তবে একই সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের এজলাস পর্যন্ত বিরোধী নেতাদের মিছিল করা নিয়ে কড়া অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন আদালত। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এই বিষয়ে স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, "বিচারব্যবস্থার ওপর কোনোভাবেই চাপ সৃষ্টি করা যায় না।" অবশ্য ভোটার তালিকার অনিয়ম নিয়ে ওঠা অভিযোগগুলোর চূড়ান্ত আইনি নিষ্পত্তি এখনো হয়নি।
অন্যদিকে, বিগত ১০ অক্টোবরের বিক্ষোভ ঘিরে রাজধানী দিল্লিতে মেট্রো চলাচল বন্ধ রাখা ও ইন্টারনেট পরিষেবা বিচ্ছিন্ন করার চরম সিদ্ধান্তের জন্য সুপ্রিম কোর্টে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব গোবিন্দ মোহন। তাঁর পাশাপাশি দিল্লি পুলিশের কমিশনারও আদালতে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে হলফনামা জমা দিয়েছেন। তবে প্রশাসনের তরফ থেকে সাফাই দিয়ে জানানো হয়েছে, রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখতেই কঠোর পদক্ষেপগুলো নেওয়া হয়েছিল। এই স্পর্শকাতর বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী আদেশের দিকে সবার দৃষ্টি রয়েছে।
এরই মধ্যে যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ চলাকালে আটক হওয়া সিজেপির দুই শীর্ষ সদস্য সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। এই চরম প্রতিকূল পরিস্থিতিতে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ ১৬ অক্টোবর দিল্লির ঐতিহ্যবাহী কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে 'লহরা দো তিরঙ্গা' নামক এক বিশাল কর্মসূচির ডাক দেন।
এর আগে গতকাল ১৫ অক্টোবর দিল্লি হাইকোর্ট ওই বিক্ষোভ কর্মসূচির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির আবেদন খারিজ করে দেয়। তবে নিরাপত্তাজনিত ও প্রশাসনিক কারণ দেখিয়ে ১৬ ও ১৭ অক্টোবর টানা দুই দিন সেন্ট্রাল পার্ক সাধারণ মানুষের জন্য পুরোপুরি বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে এনডিএমসি, যার ফলে এলাকাটিতে কঠোর প্রশাসনিক বিধিনিষেধ জারি রয়েছে।

শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ভোটার তালিকার 'এসআইআর' (বিশেষ সংক্ষিপ্ত সংশোধন) প্রক্রিয়া, নির্বাচন কমিশনের জবাবদিহি এবং আন্দোলনকারীদের দমনে প্রশাসনিক পদক্ষেপ—এই তিন ইস্যুকে কেন্দ্র করে ভারতের রাজধানী দিল্লির রাজনীতি ও সুপ্রিম কোর্টের এজলাস চরম উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। সংবেদনশীল এই পরিস্থিতে আজ শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে ফের নতুন আন্দোলনের ডাক দিয়েছে প্রতিবাদী সংগঠন সিজেপি।
ভোটার তালিকা থেকে ভোটারদের নাম বাদ পড়া ও নানা অনিয়মের অভিযোগে বিরোধীদের দায়ের করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন এবং ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে ব্যাখ্যা চেয়ে জবাব তলব করেছে সুপ্রিম কোর্ট। তবে একই সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের এজলাস পর্যন্ত বিরোধী নেতাদের মিছিল করা নিয়ে কড়া অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন আদালত। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এই বিষয়ে স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, "বিচারব্যবস্থার ওপর কোনোভাবেই চাপ সৃষ্টি করা যায় না।" অবশ্য ভোটার তালিকার অনিয়ম নিয়ে ওঠা অভিযোগগুলোর চূড়ান্ত আইনি নিষ্পত্তি এখনো হয়নি।
অন্যদিকে, বিগত ১০ অক্টোবরের বিক্ষোভ ঘিরে রাজধানী দিল্লিতে মেট্রো চলাচল বন্ধ রাখা ও ইন্টারনেট পরিষেবা বিচ্ছিন্ন করার চরম সিদ্ধান্তের জন্য সুপ্রিম কোর্টে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব গোবিন্দ মোহন। তাঁর পাশাপাশি দিল্লি পুলিশের কমিশনারও আদালতে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে হলফনামা জমা দিয়েছেন। তবে প্রশাসনের তরফ থেকে সাফাই দিয়ে জানানো হয়েছে, রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখতেই কঠোর পদক্ষেপগুলো নেওয়া হয়েছিল। এই স্পর্শকাতর বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী আদেশের দিকে সবার দৃষ্টি রয়েছে।
এরই মধ্যে যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ চলাকালে আটক হওয়া সিজেপির দুই শীর্ষ সদস্য সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। এই চরম প্রতিকূল পরিস্থিতিতে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ ১৬ অক্টোবর দিল্লির ঐতিহ্যবাহী কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে 'লহরা দো তিরঙ্গা' নামক এক বিশাল কর্মসূচির ডাক দেন।
এর আগে গতকাল ১৫ অক্টোবর দিল্লি হাইকোর্ট ওই বিক্ষোভ কর্মসূচির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির আবেদন খারিজ করে দেয়। তবে নিরাপত্তাজনিত ও প্রশাসনিক কারণ দেখিয়ে ১৬ ও ১৭ অক্টোবর টানা দুই দিন সেন্ট্রাল পার্ক সাধারণ মানুষের জন্য পুরোপুরি বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে এনডিএমসি, যার ফলে এলাকাটিতে কঠোর প্রশাসনিক বিধিনিষেধ জারি রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন